বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০১, ২০১৬

এডভ্যকেট লিপি কাজী

এডভ্যকেট লিপি কাজী
কিছু কিছু সময় আছে যখন মানুষ কে ইচ্ছে করে অনেক আবেগীয় জায়গাটা লুকিয়ে রাখতে হয়, নিজের স্বার্থে, না হলে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছান যায় না, এটা আমার অনুভূতি না বড় বড় যোদ্ধা, লেখক এবং গবেষক রা তাদের যুদ্ধ কৌশল কে সেভাবেই দেখেছেন, বিখ্যাত লেখক sun zhu, তার বিখ্যাত বই the art of war এ অসম্ভব সুন্দর করে বুঝিয়েছেন মানব জীবনের প্রতিটি ধাপে সে কিভাবে আগালে কখনই পরাজিত হবে না। আমরা এত বেশি আবেগ প্রবন এবং জ্ঞানী যে চৈত্র মাসের ওয়াজ,মাঘ মাসে করি,যার ফলে শীত কাল টা কাঁথা বিহীন কাটাতে হয়। আমাদের নেতা-নেত্রী সহ আম জনতা প্রায় সবাই একই দলের, আমাদের এত আবেগ ক্যারে! কিনু এত আবেগ! খালি আবেগে কাইন্দালাই, যত সব ফালতু সেন্টিমেন্ট,I hate always that type of imotion since my childhood to still now. 
যে জন্য এত বকবক সেটা হল রোহিংগা ইস্যু, আমার গত নোট ১ লেখাটায় অনেকেই ক্ষীপ্ত, স্বয়ং আমার প্রিয় বাবা যিনি আমার লেখার অনুপ্রেরণা তিনিও ক্ষুব্ধ, আজো হবেন জানি, তবু সত্যটা সত্যই,
আচ্ছা রোহিংগা কারা তাতো আমরা সবাই জানি,ওরা মানুষ,ওদের ওপর মানবতা নামক শব্দটার ধর্ষণ হচ্ছে, ওদের জন্মই আজন্ম পাপ,বৃটিশরাই ওদের কোন ঠিকানা,বাসস্থান,চিকিতসার ব্যবস্থা করে যায় নি, এতগুলো বছর আশিয়ান এর আট টি দেশে এভাবেই ওরা পরগাছা হয়ে শুধু নিশ্বাস নিচ্ছে, সূচীর কাছে মাত্র ৮০০০০০ রোহিঙ্গা, যারা আজ জীবন বাঁচাতে মরিয়া,খুধা তৃষ্ণায়,মানবেতর অবস্থায় আছে, সারা বিশ্ব যেখানে একটা কুকুরের ঠ্যং ভাংলে হস্পিটালে নিয়ে দৌরায়,সেখানে কচু কাটা হচ্ছে মানুষগুলো কেন আগাচ্ছে না? কারন ওরা যদি শুধু রোহিঙ্গা হত তবে কবেই সূচি এর প্রতিদান পেত, ওদের অন্য পরিচয় টা ওদের কে মার খাওয়াচ্ছে, আর সেটার জন্য দায়ী আমরা মাথা মোটারা, যে পরিচয় হয়ত রোহিঙ্গারা ও দিচ্ছে না, আমরা আর কিছু করতে না পারি এই ক্ষতিটুকু ওদের করছি এটা স্বীকার করি বা না করি,বুঝে করি কিংবা না বুঝেই করি। আমাদের ঘিলুর আবরন টা আর একটু পাতলা হোক এটাই আমার শুভকামনা, মুক্তি পাক সূচীর করতল থেকে রোহিঙ্গারা :(

শেয়ার করুন