Previous
Next

সর্বশেষ

ad728

শুক্রবার, অক্টোবর ০৩, ২০২৫

গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সৎ, যোগ্য প্রার্থী মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন

গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সৎ, যোগ্য প্রার্থী মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন

নিজস্ব প্রতিবেদক:: আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ক্লিন ইমেজের প্রার্থী মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন। দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি এলাকার মানুষের কাছেও তিনি একজন স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে সু-পরিচিত। দলীয় সূত্র জানা যায়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ক্লিন ইমেজ’ধারী প্রার্থীদের প্রাধান্য দেবে বিএনপি। অপকর্মে জড়িত বা বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেবে না দলটি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এটা নিয়ে আসনভিত্তিক কাজ শুরু করেছেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত, বিশেষ করে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর-পরবর্তী আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত ত্যাগী ও ক্লিন ইমেজধারীদের দিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার খসড়া তৈরি করা হবে।

তবে বিএনপি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ না দিলেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বসে নেই। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় যোগাযোগ বাড়িয়েছেন তারা, আছেন গণসংযোগের মধ্যে। দলের নির্দেশনা মেনে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। শোডাউনের রাজনীতি না করলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর-২ আসনে ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসেবে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত আদর্শে বিশ্বাসী বিগত ১৭ বছর বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী, সরাসরি সহযোগিতার মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া রাজপথের লড়াকু সৈনিক, বহুমুখী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই নেতা তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠাতা কালীন জাগো দলের সদস্য, গাজীপুর সদর থানা বিএনপি'র সাবেক বিপ্লবী সভাপতি, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, ডাক্তার শাহাবুদ্দিন সাহেবের সুযোগ্য উত্তরসূরী, সাবেক ছাত্রনেতা, গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি'র সাবেক সহ-সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের দলের বিপ্লবী আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গাজীপুর ২ আসনটির বিভিন্ন স্থান ঘুরে জানা যায়, বিভিন্ন গ্রামে এবং পাড়া-মহল্লায় দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভাসহ বিভিন্ন কৌশলে আগাম প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন সার্বক্ষণিক। মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন দলের সকল কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা কর্মসূচী পালনে অংশ গ্রহণ করেন। দলের ভেতর একাধিক গ্রুপিং থাকলেও তিনি তা উপেক্ষা করে দলীয় কর্মসূচি গুলোতে অংশগ্রহণ করেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে আ.লীগের কঠোর শাসনামলেও গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল’কে সু-সংগঠিত ও শক্তিশালী করে রেখেছিলেন। গাজীপুর মহানগর বিএনপির এক নেতা জানান , ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে সারাদেশের ন্যায় গাজীপুর মহানগর বিএনপির সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা নির্যাতন ও নিপীড়নমূলক মামলা হয়েছে। এসময় নেতা-কর্মীদের মামলার সকল প্রকার তদারকি সহ নেতাকর্মীরা জেল হাজতে থাকাকালীন সময়ে তাদের পরিবারের সার্বিক দেখভাল করেছেন মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন। আমরা এমন নেতাই চাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে। তাকে যদি দল দলীয় মনোনয়ন দেয় তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। বিএনপির একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মিদের সাথে কথা হলে তারা জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর ২ আসন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ক্লিন ইমেজের স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন কেই দেখতে চান দলের তৃণমূল নেতাকর্মিরা।

তিনি তার কার্যক্রম দিয়ে ইতিমধ্যে স্থনীয় নেতৃবৃন্দ এবং ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় ও একজন নির্ভরযোগ্য প্রার্থী হিসেবে আস্থা অর্জন করেছেন। এছাড়াও নির্বাচনী আসনের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক সামাজিক কর্মকাণ্ড, অসহায় দুঃস্থদের সহযোগিতা, মহানগর ও থানা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। তাকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হলে এ আসনে কেউ তার বিজয় ঠেকাতে পারবে না। কাশিমপুর মেট্রো স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা বলেন, গাজীপুর- ২ আসনে বিএনপি দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী সকল সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন ভাই ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি। যার কোন দুর্নীতি , চাঁদাবাজি , টেন্ডারবাজি ,ভূমি দখল, অবৈধ পুকুর খননের কোন প্রকারের অভিযোগ নেই। এমনকি তার নাম ভাঙ্গিয়ে কোন অন্যায় কাজ কেউ করেনি, তিনি একজন স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তৃণমূল বিএনপির আস্থা ও ভরসার প্রতীক তিনি ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ আসনে বিএনপি হতে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন এ প্রতিবেদককে বলেন- মনোনয়ন বিষয়টি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কর্তৃক নির্ধারিত একটি বিষয়। দীর্ঘদিন যাবত জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে মিশে কাজ করে যাচ্ছি এবং সারা দেশব্যাপী বিএনপি’র দূর্দিনের সময় আমি দলের পাশে ছিলাম। দলের যে কোন প্রয়োজনে দলের সাথে যেভাবে সম্পৃক্ত রয়েছি। তাতে আগামী নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেতে আমি সম্পূর্ণ আশাবাদী। তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর- ২ আসনে যদি দল (বিএনপি) আমাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে তাহলে সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এই আসনে বিএনপির বিজয় সু-নিশ্চিত করব এবং দেশ গড়তে তারুণ্যের অহংকার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর বিশ্বস্ত সৈনিক হিসেবে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ্।


গাজীপুর-২ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু: জননেতা মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন

গাজীপুর-২ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু: জননেতা মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গাজীপুর-২ (সদর মেট্রো, বাসন মেট্রো, কাশিমপুর মেট্রো, কাউলতিয়া সাংগঠনিক থানা ও বাড়িয়া ইউনিয়ন) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতির ময়দানে জোরালো আলোচনায় উঠে এসেছেন একজন সুপরিচিত, অভিজ্ঞ ও সফল রাজনীতিক—মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন।

বহুমুখী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই নেতা তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠাতা কালীন জাগো দলের সদস্য, গাজীপুর সদর থানা বিএনপি'র সাবেক বিপ্লবী সভাপতি, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, ডাক্তার শাহাবুদ্দিন সাহেবের সুযোগ্য উত্তরসূরী, সাবেক ছাত্রনেতা, গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি'র সাবেক সহ-সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের দলের বিপ্লবী আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জনগণের পাশে থেকে কাজ করা, অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসা এবং উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন নিজেকে একজন জনদরদী, সৎ ও কর্মঠ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

গাজীপুর মহানগরের জনগণের মধ্যে এখন একটাই প্রত্যাশা—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেন তাঁকে ধানের শীষের প্রতীক দিয়ে গাজীপুর-২‌ আসনে মনোনয়ন দেন। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ মনে করেন, তিনিই এই আসনে বিএনপির জন্য সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী।


শুক্রবার, জুলাই ০৪, ২০২৫

গাজীপুরের কাশিমপুরে চাঁদা না পেয়ে গৃহে হামলা, ভাংচুর,‌লুটপাট ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ

গাজীপুরের কাশিমপুরে চাঁদা না পেয়ে গৃহে হামলা, ভাংচুর,‌লুটপাট ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন লোহাকৈর পূর্বপাড়ায় এক ব্যাক্তির বসতঘরে হামলা, চাঁদা দাবির পর লুটপাট, ভাঙচুর এবং নারী লাঞ্ছনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবি—স্থানীয় একদল ব্যক্তি পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তার পরিবারকে জোর পূর্বক উচ্ছেদ করে সম্পত্তি জবরদখল করে ৪৫ বছরের অধিক পুরনো মাটির ঘর ভেঙ্গে মাটির মিশিয়ে দিয়ে দীর্ঘদিন দিনধরে বসবাসের প্রমান লোপাটের চেষ্টা করছে।
আওয়ামী লীগ সরকার প্রধান দেশ ছেড়ে পালাতে কিছুটা দেরি হলেও গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে কাতার প্রবাসী বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান ও ২ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি আল আমিন মিয়া কাশিমপুরের সর্বেসর্বা ভাবতে দেরি করেনি। 

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন ২ নাম্বার ওয়ার্ডের লোহাকৈর গ্রামের ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলনে তার লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ২৬ মে ২০২৫ তারিখে তার বসত ঘরের চালের টিন নষ্ট হয়ে গেলে তারা মেরামত করতে গেলে কাতার প্রবাসী বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমান ও ২ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি আল আমিন মিয়র নেতৃত্বে লোহাকৈর গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম, মৃত আব্দুল রাজ্জাক @ মৈজুদ্দিন আলী হোসেন, মৃত আব্দুল মালেক এর ছেলে হাসেম মিয়া, কাশেম মিয়া, মৃত আলফু মিয়ার ছেলে মকবুল মিয়া,‌মৃত আশরাফ মিয়ার ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন, মৃত জৈনুদ্দিন‌এর মেয়ে নাজমা বেগম ও তাজা বেগম, জাহিদুল এর স্ত্রী জোৎস্না, আলমগীর এর স্ত্রী রোকেয়া বেগম, হাসেম মিয়ার স্ত্রী কনা, মালেক মিয়ার মেয়ে রুবি, ও স্ত্রী আমেনা বেগম সহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০-১২ জন লোক ওই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বাড়ীতে বেআইনি জনতাবদ্ধে আবদ্ধ হইয়া দেশীয় অস্ত্রসহ তার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।

স্বপন চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার স্ত্রী মোসাঃ খাদিজা ইসলামকে মারধর এবং শ্লীলতাহানির শিকার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, বিবাদীরা তার স্ত্রীর শরীরে টানা-হেঁচড়া করে এবং কাঠের বাটাম দিয়ে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখম করে। একই সময় তার প্রতিবেশী মামা জাকির হোসেন এগিয়ে এলে তাকেও বেধড়ক মারধর এবং গলা চেপে ধরে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়।

ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এতেই শেষ নয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৩ জুন ২০২৫ তারিখ সকালে একই দলের সদস্যরা পুনরায় তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরের ইটের দেয়াল, পুরনো মাটির ঘর ও একটি নির্মাণাধীন বিল্ডিং ভাঙচুর করে প্রায় আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তির ক্ষতি সাধন করে। এবং ঘরের ভেতর থাকা মূল্যবান মালামাল লুট করে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, হামলাকারীরা ভুক্তভোগী পরিবারকে জোরপূর্বক ঘর থেকে বের করে দিয়ে বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে, চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে তাদের প্রবেশ ঠেকিয়ে রাখে। অভিযোগকারী বর্তমানে নিজ বসতভিটায় প্রবেশ করতে পারছেন না এবং পরিবারসহ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও, এখনো অভিযুক্তদের কেউ গ্রেফতার হয়নি বলে জানান ভুক্তভোগীরা। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারাও জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।


বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৩, ২০২৫

গাজীপুরের কাশিমপুরে চাঁদা না পেয়ে গৃহে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ

গাজীপুরের কাশিমপুরে চাঁদা না পেয়ে গৃহে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন লোহাকৈর পূর্বপাড়ায় এক ব্যাক্তির বসতঘরে হামলা, চাঁদা দাবির পর লুটপাট, ভাঙচুর এবং নারী লাঞ্ছনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবি—স্থানীয় একদল ব্যক্তি পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে তার পরিবারকে জোর পূর্বক উচ্ছেদ করে সম্পত্তি জবরদখল করে ৪৫ বছরের অধিক পুরনো মাটির ঘর ভেঙ্গে মাটির মিশিয়ে দিয়ে দীর্ঘদিন দিনধরে বসবাসের প্রমান লোপাটের চেষ্টা করছে।

ভুক্তভোগী শেখ শহিদুল ইসলাম স্বপন (৩৪) কাশিমপুর থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানান, তিনি স্বপরিবারে উক্ত ঠিকানায় দীর্ঘ ৪০-৪৫ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ২৬ মে ২০২৫ তারিখ সকাল ১১টার দিকে তার ঘরের পুরনো টিন বদলানোর সময় ১৫ জনের বেশি ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ তার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।

স্বপন চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার স্ত্রী মোসাঃ খাদিজা ইসলামকে মারধর এবং শ্লীলতাহানির শিকার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, বিবাদীরা তার স্ত্রীর শরীরে টানা-হেঁচড়া করে এবং কাঠের বাটাম দিয়ে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখম করে। একই সময় তার প্রতিবেশী মামা জাকির হোসেন এগিয়ে এলে তাকেও বেধড়ক মারধর এবং গলা চেপে ধরে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়।

ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এতেই শেষ নয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৩ জুন ২০২৫ তারিখ সকালে একই দলের সদস্যরা পুনরায় তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরের ইটের দেয়াল, পুরনো মাটির ঘর ও একটি নির্মাণাধীন বিল্ডিং ভাঙচুর করে প্রায় আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তির ক্ষতি সাধন করে। এবং ঘরের ভেতর থাকা মূল্যবান মালামাল লুট করে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, হামলাকারীরা ভুক্তভোগী পরিবারকে জোরপূর্বক ঘর থেকে বের করে দিয়ে বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে, চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে তাদের প্রবেশ ঠেকিয়ে রাখে। অভিযোগকারী বর্তমানে নিজ বসতভিটায় প্রবেশ করতে পারছেন না এবং পরিবারসহ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও, এখনো অভিযুক্তদের কেউ গ্রেফতার হয়নি বলে জানান ভুক্তভোগীরা। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারাও জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।




সোমবার, মার্চ ৩১, ২০২৫

দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল

দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল

দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, আলহাজ্ব কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল।

রবিবার (৩০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহ’র প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বের মুসলমানদের জানাই

আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। আমি বিশ্ব মুসলিমের অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি।

‘ঈদ আমাদের মাঝে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে, নিয়ে আসে আল্লাহ’র সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের মহাসুযোগ। এ দিনে সৌহার্দ্য সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধনে সবাইকে নতুনভাবে আবদ্ধ করে। ঈদের দিন মানুষ সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিলিত হয়। ঈদ এমন এক নির্মল আনন্দের আয়োজন, যেখানে মানুষ আত্মশুদ্ধির আনন্দে পরস্পরের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে ঐক্যবদ্ধ হন।’

কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল বলেন, এ দিনে আমাদের অঙ্গীকার হোক-সকল হিংসা, বিদ্বেষ ও হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে ন্যায়, সাম্য, ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, দয়া, সহানুভূতি, মানবতা ও মহামিলনের এক অভূতপূর্ব সমাজ এবং দেশ গঠনের জন্য একযোগে কাজ করা।

দীর্ঘ দেড় দশক পর এবার ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, গুম, খুন, গুপ্তহত্যার এক অবর্ণনীয় নিপীড়ন ও নির্যাতনে অনেক পরিবার স্বজনহারা, অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। সেই পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাতে হবে। তাদের পাশে থাকতে হবে। ঈদুল ফিতরের আনন্দে যেন সমাজের সব শ্রেণির মানুষ শরিক হতে পারে, সেজন্য সবার মুখে হাসি ফোটানের আনন্দ সমাজের সচ্ছল মানুষের দায়িত্ব। কোনও অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে সেজন্য সচ্ছল ব্যক্তি তাদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন, যাতে নিরন্ন মানুষরাও ঈদের আনন্দের অংশীদার হতে পারে। এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা।




বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৩, ২০২৫

আমাদের কিছু উচ্চাভিলাষী অফিসার ও তাদের অন্ধ আনুগত্যে পুলিশ সদস্যদের জীবন দিতে হয়েছে

আমাদের কিছু উচ্চাভিলাষী অফিসার ও তাদের অন্ধ আনুগত্যে পুলিশ সদস্যদের জীবন দিতে হয়েছে



তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক পুলিশের উচ্চাভিলাষী ও অন্ধ আনুগত্যের কারণে আমাদের জীবন দিতে হয়েছে। শুধুমাত্র ওই সব সিনিয়রদের হুকুম পালন করতে গিয়ে আমাদের বেশকিছু ভাই মারা গেছেন। এই দায়ভার যিনি জীবন দিয়েছেন তার নয়, যিনি আদেশ দিয়েছেন তার। এজন্য দ্বায়িত্বশীলদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। পাশাপাশি যিনি বাধ্য হয়ে আদেশ পালন করেছেন আমি বিশ্বাস করি আদালত থেকে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকালে গাজীপুর ভোগড়া বাইপাস মোঘরখাল এলাকার শিল্পাঞ্চল পুলিশ-২ এর কার্যালয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ সদস্যদের নিয়ে বিশেষ কল্যাণ সভায় তিনি এসব বলেন।

আইজিপি বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেকেরই স্বার্থে আঘাত লেগেছে। বর্তমানে মানুষের জনজীবন সুন্দরভাবে চলে; এটি তারা চাইবে না। তারা চাইবে যেনো অস্থিতিশীল পরিবেশ। আমরা নিশ্চিতভাবে জানিনা কারা এই কাজটি, করছে; তবে একটি পক্ষ অবশ্যই রয়েছে। তাদেরকে প্রতিহত করাই পুলিশের কাজ। সারাবিশ্ব বলে বাংলাদেশ পুলিশ এতো নির্মম কেনো।

শ্রমিকদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন, ঈদের বোনাস ও মার্চ মাসের আংশিক বেতন ২০ রমজানের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। শ্রমিকদের সব ন্যায়সঙ্গত পাওনা আদায়ের জন্য সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় আছি এবং তাদের পক্ষে সব সময় রয়েছি।

তিনি বলেন, শ্রমিক ভাইদের বিশেষভাবে অনুরোধ করছি, আপনারা শিল্প কারখানায় ভাঙচুর করবেন না। কোন গুজবে কান দেবেন না। ভাঙচুরের মাধ্যমে আপনার প্রিয় প্রতিষ্ঠান ক্ষতি না করে সেটি রক্ষা করবেন। আমরা দেখেছি, গুজব ছড়ানোর কারণে শ্রমিকদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে। যারা গুজবে কান দিয়ে ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হবে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

সড়ক অবরোধ ও ঈদ যাত্রা নিয়ে আইজিপি বলেন, শ্রমিক ভাইদের কাছে অনুরোধ করছি, দাবি আদায়ের জন্য রাস্তা আটকাবেন না। রাস্তা আটকানোর ফলে লাখ লাখ মানুষের কষ্ট হয়। ঈদের যাত্রায় কোন বিঘ্ন সৃষ্টি করবেন না। মানুষের চলাচলে সৃষ্টি করা দণ্ডনীয় অপরাধ, এটা আইনে বলা আছে। তবুও বারবার আইনটি আমরা স্মরণ করিয়ে দেই। এই ধরনের চলাচলে বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. ছিবগাত উল্লাহর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি একেএম আওলাদ হোসেন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার নাজমুল করিম খান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি ইসরাইল হাওলাদার ও শিল্পাঞ্চল পুলিশের সদস্যসহ গাজীপুরে কর্মরত সাংবাদিকরা।


আরও কঠোর হলো সংজ্ঞা, ৩ মাস পরিশোধ না করলেই ঋণখেলাপি

আরও কঠোর হলো সংজ্ঞা, ৩ মাস পরিশোধ না করলেই ঋণখেলাপি

সব ধরনের ঋণ শ্রেণিকরণের ক্ষেত্রেই এই বিধান প্রযোজ্য হবে, বর্তমানে ঋণ ভেদে ৩ মাস বা ৬ মাস পর ঋণখেলাপি হচ্ছে, ৩ মাস কমানোর ফলে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা আরও কঠোর করা হয়েছে। নতুন সংজ্ঞা অনুযায়ী কোনো ঋণ বা ঋণের কিস্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধিত না হলে পর দিন থেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ হবে। পরিশোধ বা নবায়ন করা না হলে ৩ মাস পর্যন্ত ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ থাকবে। ৩ মাস পর থেকে তা খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত হবে। আগে ঋণের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হতো। এখন সব ধরনের ঋণই ৩ মাস মেয়াদোত্তীর্ণ থাকার পর পরিশোধিত বা নবায়ন করা না হলে তা খেলাপি হয়ে যাবে। বর্তমানে মেয়াদি ঋণসহ কিছু ঋণ খেলাপি হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ৬ মাস পর। ফলে ঋণখেলাপি হওয়ার সময় ৩ মাস কমে গেল। এতে আগামীতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 


এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন এ নির্দেশনা আগামী বছরের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। 


সূত্র জানায়, বাংলাদেশের খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা নিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আপত্তি করে আসছে। কারণ আন্তর্জাতিকভাবে কোনো ঋণ পরিশোধের দিন থেকে ৩ মাসের মধ্যে শোধ করা না হলে তাকে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু গত সরকারের সময়ে খেলাপি ঋণ কমিয়ে দেখাতে বাংলাদেশে এটি ৬ মাস করা হয়েছে। মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে ৯ মাস করা হয়েছিল। পরে আইএমএফের আপত্তির কারণে কিছু ঋণের ক্ষেত্রে ৩ মাস করা হলেও কৃষি ও মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে ৬ মাস করা হয়। যা এখন পর্যন্ত বহাল রয়েছে।


এদিকে ৪ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছে আইএমএফের একটি মিশন। ওই মিশন এবার খেলাপি ঋণ নিয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে। কারণ আইএমএফের ঋণের শর্ত ছিল খেলাপি ঋণ কমানো। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পর খেলাপি ঋণ না কমে বরং আরও বেড়েছে। আইএমএফের ঋণের অন্যতম শর্ত হচ্ছে খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা। তাদের ওই শর্ত বাস্তবায়ন করতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার মাধ্যমে আরও কঠোর করল। তবে খেলাপি ঋণের বিভিন্ন ধাপে ৩ মাস ছাড় দেওয়া হয়েছে।


সার্কুলারে বলা হয়, চলমান ঋণ, কৃষি ঋণ, মেয়াদি ঋণসহ সব ধরনের ঋণ বা ঋণের কিস্তি ১ এপ্রিল থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধিত না হলে পরদিন থেকেই তা মেয়াদোত্তীর্ণ বলে গণ্য হবে। নতুন সংজ্ঞায় মেয়াদোত্তীর্ণের তিনটি ধাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। আগে ছিল একটি ধাপ। ঋণটি যাতে চূড়ান্তভাবে খেলাপি না হয় সেজন্য ব্যাংকগুলোকে তদারকি বাড়াতে এইসব ধাপ বাড়ানো হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার প্রথম ধাপ হবে পরিশোধের নির্ধারিত দিনের পর দিন থেকে ১ মাস পর্যন্ত। দ্বিতীয় ধাপ হবে ১ মাসের বেশি থেকে ২ মাস পর্যন্ত। তৃতীয় ধাপ ঋণটি বিশেষ হিসাবে স্থানান্তর হয়ে যাবে। অর্থাৎ ঋণটি খেলাপি হওয়ার আগের ধাপে চলে গেল। কিস্তি পরিশোধের নির্ধারিত দিন থেকে ২ মাসের বেশি থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বিশেষ হিসাবে থাকবে। এর মধ্যে ঋণ পরিশোধিত বা নবায়ন না হলে ৩ মাসের পর থেকে তা খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত হবে। খেলাপি ঋণের তিনটি ধাপ রয়েছে। খেলাপি হওয়ার পর ৩ মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত নিম্নমান, ৬ মাস থেকে ১২ মাস পর্যন্ত সন্দেহজনক এবং ১২ মাসের বেশি সময় খেলাপি থাকলে তা মন্দ ঋণ বা আদায় অযোগ্য ঋণ হিসাবে চিহ্নিত হবে।


খেলাপি হওয়ার পর প্রথমে ঋণ বা ঋণের অংশ বিশেষ নিম্নমানের হিসাবে শ্রেণিকৃত হবে। ৩ মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত ঋণটি পরিশোধিত বা নবায়ন করা না হলে নিম্নমান হিসাবে শ্রেণিকৃত থাকবে। ৬ মাসের বেশি থেকে ১২ মাস পর্যন্ত ঋণটি শ্রেণিকৃত থাকলে তা সন্দেহজনক ঋণ হিসাবে চিহ্নিত হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এ খাতে ৬ মাস থেকে ৯ মাস সময় থাকে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ খাতে ৩ মাস ছাড় দিয়েছে। কোনো ঋণ ১২ মাসের বেশি শ্রেণিকৃত হিসাবে থাকলে তা মন্দ বা আদায় অযোগ্য ঋণ হিসাবে চিহ্নিত হবে।


সার্কুলারে কিছু ঋণের ক্ষেত্রে প্রভিশনের হারও বাড়ানো হয়েছে। সব ধরনের নিয়মিত ঋণের বিপরীতে এক শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হবে। আগে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ শতাংশ প্রভিশন রাখার বিধান ছিল। ফলে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন রাখার পরিমাণ বাড়বে। কোনো ঋণ বিশেষ হিসাবে চলে গেলে ওইসব ঋণের বিপরীতে ৫ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হবে। কোনো ঋণখেলাপি হলে প্রথম ধাপে বা নিম্নমান হিসাবে শ্রেণিকৃত থাকলে তার বিপরীতে ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক হলে তার বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ হিসাবে শ্রেণিকৃত হলে শতভাগ প্রভিশন রাখতে হবে।


কোনো ঋণ বা ঋণের অংশ বিশেষ খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত হলে তার বিপরীতে আরোপিত সুদ হিসাব করে আলাদা একটি অ্যাকাউন্টে স্থগিত সুদ হিসাবে রাখতে হবে। এসব সুদ কোনোভাবেই আয় খাতে নেওয়া যাবে না।

 


শনিবার, মার্চ ০৮, ২০২৫

গাজীপুর মহানগরীর স্বেচ্ছাসেবক দল’কে সু-সংগঠিত করতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন শাহাদাত হোসেন শাহিন

গাজীপুর মহানগরীর স্বেচ্ছাসেবক দল’কে সু-সংগঠিত করতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন শাহাদাত হোসেন শাহিন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও খালেদা জিয়া ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল কে পূনরায় সু-সংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন।

গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আলােচিত একজন দায়িত্বশীল দলপ্রিয় ও সাংগঠনিক নেতা হলেন গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন। 

সদা স্পষ্টবাদী মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন  নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে দলকে শক্তিশালী জন্য অতন্দ্র প্রহরীর মতাে নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

কোন সমালোচনাতে কান না দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষে দিনরাত কাজ করে  যাচ্ছেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের এই ত্যাগী নেতা।

এবিষয়ে মোঃ শাহাদাত হোসেন শাহিন বলেন রাজপথ মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে। দলের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করে রাজপথে থেকে গাজীপুর মহানগরীর নির্যাতিত ও নিপিড়িত মানুষের পাশে থাকবো।


সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৪

নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

চট্টগ্রামে করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। 


সোমবার সাইবার ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের বিচারক জহিরুল কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নিয়ে ‘কটূক্তি’র অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন ছাত্রলীগের সাবেক এক কর্মী।


ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এক ছাত্রলীগ নেতার করা মামলা তদন্তের জন্য আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন দুই বছর আগে। তদন্ত শেষে সিআইডি সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হকের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দেয়। আজ আদালত তা গ্রহণ করে নুরুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ১৪ জুন ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক আইন সম্পাদক শাহরিয়ার ইয়াসির আরাফাত বাদী হয়ে সাইবার ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রাম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হককে আসামিক করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়,  ২০২২ সালের ১ জুন নূর বাংলা নিউজ বিডি নামের একটি পেজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী, ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করেন এবং ফেসবুকে পোস্ট করেন। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশস‍হ বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।




শুক্রবার, মার্চ ২২, ২০২৪

নিরপরাধ মানুষরাই সরকারি নিপীড়নের শিকার: ফখরুল

নিরপরাধ মানুষরাই সরকারি নিপীড়নের শিকার: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতাসীনদের দৌরাত্ম্য ও দাপটে মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাদের সব অপকর্মকে আড়াল করতেই ডামি সরকার নতুন করে সরকারি জুলুমের মাত্রা বৃদ্ধি করেছে। অপরাধ না করেও মিথ্যা মামলায় আসামি হওয়া এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। আইনের শাসনহীন এই দেশে নিরপরাধ মানুষরাই সরকারি নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন।
শুক্রবার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। 

শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলসহ দলের ২২ নেতাকর্মীর জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেন মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, ৭ জানুয়ারির আওয়ামী ডামি সরকার তাদের অনৈতিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সারা দেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর যে জুলুম চালাচ্ছে, সেটির আরও একটি কুনজির স্থাপিত হলো মাহমুদুল হক রুবেলসহ ২২ জন নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর ও কারাগারে পাঠানোর মধ্য দিয়ে। 

তিনি বলেন, রোজার প্রাক্কালে বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি, সুপেয় পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির লাগামহীন চড়ামূল্যে যখন মানুষ চোখে অন্ধকার দেখছে, তখন অবৈধ আওয়ামী সরকার বিএনপিসহ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের নিত্যনতুন মিথ্যা মামলায় আটকসহ জামিন নামঞ্জুরের মাধ্যমে কারান্তরীণের হিড়িক অব্যাহত রেখেছে। নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ সংকট। ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচনের পর সরকার আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তবে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন-সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।


নতুন সেল গঠন বিএনপির

নতুন সেল গঠন বিএনপির

দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুম, খুন ও পঙ্গুত্বের শিকার’ বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশে থাকার প্রত্যয়ে বিএনপি ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ নামে সেল গঠন করেছে।
সেলটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিএনপি।

এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে প্রধান উপদেষ্টা এবং বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ও প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে উপদেষ্টা নির্বাচিত করা হয়েছে।

সেলের অন্যান্য পদে যারা রয়েছেন, তারা হলেন- আহ্বায়ক সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন, সদস্য সচিব কৃষিবিদ মো. মোকছেদুল মোমিন (মিথুন), সদস্য নাজমুল হাসান, মাসুদ রানা লিটন, মো. মুসতাকিম বিল্লাহ, ফরহাদ আলী সজিব, শাকিল আহমে, মো. রুবেল আমিন ও মো. শাহাদত হোসেন।


কারাবন্দি বিএনপি নেতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা, ছবি ভাইরাল

কারাবন্দি বিএনপি নেতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা, ছবি ভাইরাল

একটি নাশকতার মামলায় সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক এজেডএম মুনিরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। আর এ খবর পেয়ে মুনিরকে একনজর দেখতে আদালতের গারদখানার সামনে হাজির হয়েছিল তার একমাত্র ছেলে মাহিন। 
একপর্যায়ে গারদখানার জানালার লোহার শিকের ভেতর দিয়ে বাবার মুখে চুমু দেয় মাহিন। এ সময় সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করেন কেউ। 

পরে ওই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে এসএম ইলিয়াছ হুসাইন নামে এক ব্যক্তি লিখেন- কারারুদ্ধ বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা; যা মুহূর্তেই ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। 

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর আদালতের গারদখানায় এ ঘটনা ঘটে। কারারুদ্ধ বিএনপি নেতা মুনির সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার ছেলে মাহিন স্থানীয় আটঘর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। 

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. মামুন চৌধুরী।

জানা গেছে, নাশকতার মামলায় মুনিরসহ উপজেলার চার বিএনপি নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর আলী তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

কারাগারে পাঠানো অন্য তিন নেতা হলেন- উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. ফরিদুর রহমান, বিএনপি নেতা মো. তৌহিদ খান ও ছাত্রদল নেতা মো. নাঈম মিয়া। 

বিএনপির ওই চার নেতাকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মাদ মামুন অর রশিদ মামুন। তিনি বলেন, ঢাকার হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন ওই চার নেতা। ৬ সপ্তাহের জামিন শেষে বৃহস্পতিবার সকালে ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হন তারা। পরে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক দিন আগে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের ঝুনাখালীর চালতলা নামক এলাকার একটি নাশকতা মামলার আসামি ছিলেন তারা।


বৃহস্পতিবার, মার্চ ২১, ২০২৪

জনগণের কাছে আমরা ঋণী প্রতিদানের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে

জনগণের কাছে আমরা ঋণী প্রতিদানের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, জনগণ আমাদের আন্দোলনে সাড়া দিয়ে ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচন বর্জন করেছে। আমাদের তাদের কাছে ঋণী। এ ঋণের প্রতিদান আমাদের দিতে হবে। এরজন্য রাজপথ ছাড়া যাবে না। আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই ফিরিয়ে আনতে হবে বাকস্বাধীনতা, দেশবাসীকে ফিরিয়ে দিতে হবে তাদের ভোটাধিকার। 
বুধবার, মার্চ ২০, ২০২৪, বিকালে যাত্রাবাড়ী বাঁশের পুল গোলাম মোস্তফা কলেজ রোডে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। এতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু বক্তব্য রাখেন। 

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক বলেন, সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে গণতন্ত্রকামী মানুষকে পদদলিত করে রেখেছে। সারাদেশকে বদ্ধ কারাগারে পরিণত করেছে। তাদের দূর্নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থায় পতিত হয়েছে। রাজনৈতিক সহবস্থান আজ রূপকথার গল্পে পরিনত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি আজ একা নয়। জনগণসহ দেশের সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল আজ ঐক্যবদ্ধ। বিদেশী প্রভুদের আর্শীবাদ নিয়ে এ সরকার টিকে রয়েছে। বিনিময়ে সরকার বিদেশিদের কাছে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে। এবার প্রতিবাদ নয়, প্রতিরোধ গড়ে তেলার জন্য সবাইকে প্রস্তুত হতে হবে।

৬৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল ভূঁইয়া তুহিনের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল, জামসেদুল আলম শ্যামল, ডেমরা থানা বিএনপি নেতা জামান, সেলিম, শ্রমিক দলের সাবেক যাত্রাবাড়ী থানা সভাপতি শিপন খান, যুবদলের ৬৪ নং আহবায়ক সাইফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব নুরুল আমিন ফায়েল, ছাত্রদল সভাপতি শিফাত, ৬৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি এনামুল হক এনাম, ফিরোজ আলম প্রমুখ।


বুধবার, মার্চ ২০, ২০২৪

গাজীপুরের কাশিমপুরে নাশকতার অভিযোগে ৩ বিএনপি কর্মী আটক

গাজীপুরের কাশিমপুরে নাশকতার অভিযোগে ৩ বিএনপি কর্মী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : গাজীপুরের কাশিমপুরে নাশকতার অভিযোগে ৩ বিএনপি কর্মী আটক করেছে কাশিমপুর থানা পুলিশ।
শনিবার(১৮ নভেম্বর)রাতে অভিযানে গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরের ২ নং ওয়ার্ডের লৌহাকৈর এলাকা থেকে শেখ শহিদুল ইসলাম স্বপন এবং ৩ নং ওয়ার্ডের বারেন্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন জুয়েল ও সাদ্দাম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


এবিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ রাফিউল করিম রাফি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা গত ৫ ও ৬ নভেম্বর চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কের মোজারমিল এলাকায় বিএনপির দুই দিনের অবরোধ কর্মসূচি ও অগ্নি-সন্ত্রাস ও নাশকতা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে তাদেরকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কাশিমপুরে বিএনপির সক্রিয় তিনকর্মী আটক

কাশিমপুরে বিএনপির সক্রিয় তিনকর্মী আটক

বিএনপির অবরোধ, অগ্নি-সন্ত্রাস ও নাশকতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গাজীপুরের কাশিমপুরে বিএনপির সক্রিয় তিন সদস্যকে আটক করেছে কাশিমপুর থানা পুলিশ।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) রাতে মহানগরীর কাশিমপুরের ২নং ওয়ার্ডের লৌহাকৈর এলাকা থেকে শেখ শহিদুল ইসলাম স্বপন এবং ৩নং ওয়ার্ডের বারেন্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন জুয়েল ও সাদ্দাম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ রাফিউল করিম রাফি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা গত ৫ ও ৬ নভেম্বর চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কের মোজারমিল এলাকায় বিএনপির দুই দিনের অবরোধ কর্মসূচি ও অগ্নি-সন্ত্রাস ও নাশকতা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে তাদেরকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


গাজীপুরের কাশিমপুরে নাশকতার অভিযোগে ৩ বিএনপি  কর্মী আটক

গাজীপুরের কাশিমপুরে নাশকতার অভিযোগে ৩ বিএনপি কর্মী আটক

বিএনপির অবরোধ, অগ্নি-সন্ত্রাস ও নাশকতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গাজীপুরের কাশিমপুরে বিএনপির সক্রিয় তিন সদস্যকে আটক করেছে কাশিমপুর থানা পুলিশ।
শনিবার (১৮ নভেম্বর) রাতে মহানগরীর কাশিমপুরের ২নং ওয়ার্ডের লৌহাকৈর এলাকা থেকে শেখ শহিদুল ইসলাম স্বপন এবং ৩নং ওয়ার্ডের বারেন্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন জুয়েল ও সাদ্দাম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এবিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ রাফিউল করিম রাফি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা গত ৫ ও ৬ নভেম্বর চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কের মোজারমিল এলাকায় বিএনপির দুই দিনের অবরোধ কর্মসূচি ও অগ্নি-সন্ত্রাস ও নাশকতা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে তাদেরকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।