রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৩

গাজীপুর মহানগরে একটি মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতন

গাজীপুর মহানগরে একটি মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। 
গত শুক্রবার গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানার অন্তর্গত লোহাকৈর পূর্ব পাড়া মদিনাতূল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ শামীম (২৩) শিশু শিক্ষার্থী শিহাব মিয়া (৮) কে আছড়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় শিশুর পিতা জসিম উদ্দিন অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। 

নির্যাতিত শিশুর বাবার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তার ছেলে শিহাব মিয়া লোহাকৈর পূর্ব পাড়া মদিনাতূল উলুম মাদ্রাসায় নূরানী বিভাগে পড়াশোনা করে। শুক্রবার সকালে শিশুটির বাবা তাকে বাড়িতে নিয়ে আস। এবং বাড়িতে নিয়ে আসার পর শিশুটির নাক মুখ ও পায়ুপথ দিয়ে রক্ত বের হলে শিশুর বাবা জসিম উদ্দিন তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। শিশুটি বর্তমানে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ চিকিৎসাধীন আছেন।
তার নাক মুখ ও পায়ুপথ দিয়ে রক্ত বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে সে জানায়, গত রাতে মাদ্রাসায় শুয়া নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ শামীম তাকে আছড়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে মাদ্রাসায় গেলে অহেতুক দাঙ্গা-হাঙ্গামা হতে পারে ভবে শিশুর বাবা মাদ্রাসায় যাননি তবে তিনি পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষার্থী শিহাব মিয়াকে অহেতুক শারীরিক নির্যাতন করেছেন অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক এবং উল্লেখিত ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অত্র মাদ্রাসার পরিচালক রায়হান মিয়া ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা রায়হানের শশুর মাজেদ শিকদার।
মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, মাদ্রাসার কোন কমিটি নেই। তাই কারো কাছে এর সুষ্ঠ বিচার চাওয়ার কোন উপায় নেই। এটি একটি পারিবারিক মাদ্রাসা। এরা ধর্মের নামে ব্যবসা শুরু করেছেন।



শেয়ার করুন