অনেকেই টিভির পর্দায় দেখে থাকবেন যে ঘুমের মাঝে ও মানুষ হাটে ,ব্যাপারটা
মজার মনে হলে ও এটা কিন্তু মজার না বাস্তব জীবনে কারন বাস্তব জীবনে ঘুমের
মধ্যে কেউ হেটে থাকলে তিনিই বুঝবেন প্রতিনিয়ত কত সমস্যায় পড়তে হয়, কারন
ঘুমের মধ্যে উনি কি করছেন না করছেন তা উনি না জানলে ও অন্যরা ঠিকই এর কবলে
পড়ছে।
এটি এক ধরনের প্যারাসোমনিয়া। ঘুমের মধ্যে হাটাকে সোমনমবুলিজম’ বা নকচামবুলিজম বলা হয়।
কাদের এটি বেশি হয়ঃ
১)বড়দের থেকে ছোটদের মাঝে দেখা দেয় এটি বেশি। কিশোরদের মাঝে ও এটার কিছুটা প্রবনতা দেখা যায়।
২)বংশে বাবা-মা এর থাকলে সন্তানের হতে পারে।
৩)ওএসএ নামক চোখের রোগ যদি কারো থেকে থাকে তাদের হতে পারে।
৪)মাথায় কোন আঘাত পেলে হতে পারে।
কিভাবে ঘুমের মধ্যে মানুষ হাটেঃ
ঘুমের সাধারণত ৪ টি স্তর আছে। প্রথম তিনটি স্তর হচ্ছে সাধারন স্তর ,এই তিন স্তরের কোন বিশেষ ভূমিকা নেই।
কিন্তু শেষ স্তর খুব গুরুত্বপূর্ণ। শেষের স্তরে এক ধরনের মুভমেন্ট অথবা নড়াচড়া দেখা দেয়,একে বলা হয় র্যাপিড আই মুভমেন্ট আর এই সময়ই মানুষ দেখে নানা রকম স্বপ্ন। এই সময় মানুষ এক ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকে ,এবং সে তখন কি করে না করে তা সে নিজে ও জানে না। এই স্তরে মানুষের ঘুম ও হয় প্রকট।আর তাই এই স্তরে যখন র্যাপিড আই মুভমেন্ট হয় তখন মানুষ নিজের অজান্তেই হাটে।
কেন হয়ঃ
এটার কোন নির্দিষ্ট কারন নেই কিন্তু গবেষনা করে দেখা গেছেঃ
১)কেউ যদি অতিরিক্ত পরিশ্রম করে তার এমন হতে পারে।
২)ঠিকমত ঘুম না হলে ও এমন হতে পারে।
৩)কোন কিছু নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করলে হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
৪)ঘুমের সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাসে কোন কষ্ট হলে হঠাত করে এমন হতে পারে।
করনীয়ঃ
১)আপনি যদি বুঝে থাকেন আপনার পাশের মানুষটি স্লিপওয়াকিং করছে তবে তাকে কোন ধরনের বিরক্ত করবেন না, সে যা করতে চায় তাকে তা করতে দিবেন।
২)বুঝিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে।
৩)এই ধরনের ব্যক্তির আশে পাশে যেন কোন ধারলো যন্ত্রপাতি না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৪)এদের একা ঘুমাতে দিবেন না কারন একা থাকলে এরা নিজের অজান্তেই হাটতে হাটতে বের হয়ে যেতে পারে বাসা থেকে।
৫)খেয়াল রাখবেন যেন এই ধরনের ব্যক্তি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমায়।
৬)ঘুমের মাঝে যদি এই ধরনের ব্যক্তি অদ্ভুত সব আচরন করতে থাকে তবে তাকে সাবধানে জাগিয়ে দিবেন।
৭)ঘরের দরজায় একটি এলার্ম ঘড়ি লাগিয়ে দিবেন যেন এরা দরজা দিয়ে বের হতে গেলে এলার্ম বেজে উঠে এবং আপনারা সচেতন হতে পারেন।
এটি এক ধরনের প্যারাসোমনিয়া। ঘুমের মধ্যে হাটাকে সোমনমবুলিজম’ বা নকচামবুলিজম বলা হয়।
কাদের এটি বেশি হয়ঃ
১)বড়দের থেকে ছোটদের মাঝে দেখা দেয় এটি বেশি। কিশোরদের মাঝে ও এটার কিছুটা প্রবনতা দেখা যায়।
২)বংশে বাবা-মা এর থাকলে সন্তানের হতে পারে।
৩)ওএসএ নামক চোখের রোগ যদি কারো থেকে থাকে তাদের হতে পারে।
৪)মাথায় কোন আঘাত পেলে হতে পারে।
কিভাবে ঘুমের মধ্যে মানুষ হাটেঃ
ঘুমের সাধারণত ৪ টি স্তর আছে। প্রথম তিনটি স্তর হচ্ছে সাধারন স্তর ,এই তিন স্তরের কোন বিশেষ ভূমিকা নেই।
কিন্তু শেষ স্তর খুব গুরুত্বপূর্ণ। শেষের স্তরে এক ধরনের মুভমেন্ট অথবা নড়াচড়া দেখা দেয়,একে বলা হয় র্যাপিড আই মুভমেন্ট আর এই সময়ই মানুষ দেখে নানা রকম স্বপ্ন। এই সময় মানুষ এক ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকে ,এবং সে তখন কি করে না করে তা সে নিজে ও জানে না। এই স্তরে মানুষের ঘুম ও হয় প্রকট।আর তাই এই স্তরে যখন র্যাপিড আই মুভমেন্ট হয় তখন মানুষ নিজের অজান্তেই হাটে।
কেন হয়ঃ
এটার কোন নির্দিষ্ট কারন নেই কিন্তু গবেষনা করে দেখা গেছেঃ
১)কেউ যদি অতিরিক্ত পরিশ্রম করে তার এমন হতে পারে।
২)ঠিকমত ঘুম না হলে ও এমন হতে পারে।
৩)কোন কিছু নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করলে হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
৪)ঘুমের সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাসে কোন কষ্ট হলে হঠাত করে এমন হতে পারে।
করনীয়ঃ
১)আপনি যদি বুঝে থাকেন আপনার পাশের মানুষটি স্লিপওয়াকিং করছে তবে তাকে কোন ধরনের বিরক্ত করবেন না, সে যা করতে চায় তাকে তা করতে দিবেন।
২)বুঝিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে।
৩)এই ধরনের ব্যক্তির আশে পাশে যেন কোন ধারলো যন্ত্রপাতি না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৪)এদের একা ঘুমাতে দিবেন না কারন একা থাকলে এরা নিজের অজান্তেই হাটতে হাটতে বের হয়ে যেতে পারে বাসা থেকে।
৫)খেয়াল রাখবেন যেন এই ধরনের ব্যক্তি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমায়।
৬)ঘুমের মাঝে যদি এই ধরনের ব্যক্তি অদ্ভুত সব আচরন করতে থাকে তবে তাকে সাবধানে জাগিয়ে দিবেন।
৭)ঘরের দরজায় একটি এলার্ম ঘড়ি লাগিয়ে দিবেন যেন এরা দরজা দিয়ে বের হতে গেলে এলার্ম বেজে উঠে এবং আপনারা সচেতন হতে পারেন।
খবর বিভাগঃ
কৃষি
ফলের পুষ্টিকথা
