পরিপত্রটি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সমাজসেবা অধিদফতর
সমাজসেবা ভবন
আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।
পরিপত্র
নং- ৪১.০১.০০০০.০৪৬.২৭.৭৭২.১২. তারিখ:
বিষয়: স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা।
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ১৯৬২ অনুযায়ী সমাজসেবা অধিদফতর স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ করছে। সমাজসেবা অধিদফতরের জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালকগণ জেলা পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহের নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত। জেলার সীমারেখার মধ্যে নিবন্ধনপ্রাপ্ত সংস্থাসমূহের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরিদর্শণ, অডিট, তত্ত্বাবধান ও মূল্যায়ণের বিষয়টি উপপরিচালকগণের উপর ন্যস্ত ।
নিবন্ধনের জন্য সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান, আবেদনপত্র গ্রহণ, নিবন্ধন প্রদান এবং নিবন্ধন পরবর্তী তত্ত্বাবধান ইত্যাদি বিষয়াদি দেশব্যাপী সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সমরূপ হওয়া বাঞ্চনীয়। তাছাড়া সারা দেশে একই প্রক্রিয়ায় সংস্থা নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে একটি নির্দেশিকার প্রয়োজন অনুভূত হওয়ায় এ নির্দেশিকা প্রণয়নপূর্বক জারী করা হলো।
২. নিবন্ধন প্রদান প্রক্রিয়া:
সংস্থার নামের ছাড়পত্রের আবেদন:
২.১. নিবন্ধন গ্রহণে আগ্রহী সংস্থাকে প্রথমে ‘সংস্থার নামের ছাড়পত্র’ এর জন্য ‘পরিশিষ্ট-১’ অনুযায়ী নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে;
২.২. ‘সংস্থার নামের ছাড়পত্রের’ আবেদনের সাথে (১) প্রস্তাবিত সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দুই কপি করে ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ছবি (২) প্রস্তাবিত সংস্থার নামকরণ সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণী(১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত) ১ কপি (৩) প্রস্তাবিত সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর সম্বলিত সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য- ১ কপি এবং (৪) নিবন্ধনকালে সকল সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্রের ছায়ালিপি(১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত) ;
কোন সংস্থা নামের সাথে “জাতীয়” বা “বাংলাদেশ” শব্দ ব্যবহার করতে পারবে না, তবে প্রাথমিকভাবে স্থানীয় পর্যায়ে নিবন্ধনের পর মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতরের নিকট “জাতীয়” বা “বাংলাদেশ” শব্দ সংযুক্ত করার জন্য আবেদন করতে পারবে। মহাপরিচালক প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষে যথার্থ ও যৌক্তিক বিবেচিত হলে “জাতীয়” বা “বাংলাদেশ” শব্দ যুক্ত করার অনুমতি দিতে পারবেন;
এ অধ্যাদেশে বিদেশী কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন প্রদান করা যাবে না;
আবেদনকারীগণ বাংলাদেশের নাগরিক হবেন, রক্ত সম্পর্কীয় একই পরিবারের ২ জনের বেশী সদস্য কার্যকরি সদস্য পদে থাকতে পারবে না। এছাড়া স্থানীয় জনগণের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
সংস্থার নামের সাথে অন্য কোন দেশের নাম যুক্ত করা হলে সংশ্লি¬ষ্ট হাইকমিশন/এ্যাম্ব্যাসী/ মিশনের অনাপত্তিপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে;
সরকারি বা বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারি কল্যাণ সমিতির নামকরণের ক্ষেত্রে সংশ্লি¬ষ্ট দপ্তর/সংস্থা প্রধানের অনাপত্তিপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে;
মাল্টিপারপাস বা বহুমুখী/ফ্ল্যাট/বাড়ী/দোকান/বাস/রিক্সা/পরিবহণ/মালিক/বণিক/শ্রমিক/ভাড়াটিয়া কল্যাণ সমিতি/ইউনিয়ন বিদ্যমান অধ্যাদেশের ২(চ) ধারায় বর্ণিত কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এসকল সমিতি সমবায় আইনে নিবন্ধন গ্রহণ সমীচীন। তবে এধরণের সমিতি নিবন্ধিত হয়ে থাকলে তাদের কার্যক্রম যাচাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;
জাতীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব, লেখক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবী কোন ব্যাক্তির নামে সংস্থার নামকরণের ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির নিজ অথবা তার পক্ষে পরিবারের কোন ব্যক্তির অনাপত্তিপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে; সাধারণ ব্যক্তির নামে সংস্থা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সংস্থার নামে অনুদান হিসেবে ন্যূনতম ৫.০০ লক্ষ টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়া হয়েছে মর্মে প্রমাণপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে;
মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করা যাবে না, এ ধরণের প্রতিষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল হতে নিবন্ধন গ্রহণ করতে পারে;
সরকারি কোন প্রকল্প/কর্মসূচি/কার্যক্রম/নির্দেশনা বাস্তবায়নার্থে কোন সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লি¬ষ্ট দপ্তরের নির্দেশিত নামে ছাড়পত্র প্রদান করতে হবে, এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে উক্ত নির্দেশনাপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে;
এতিমখানা/শিশু সদন/পরিবার নিবন্ধনের পূর্বে ১৯৪৪ সালের এতিমখানা এবং বিধবা সদন আইনের ৫ ধারামতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনুজ্ঞাপত্র গ্রহণ করতে হবে এবং কোন ক্রমেই মাদ্রাসা নিবন্ধন করা যাবে না;
রোগী কল্যাণ ও পুনর্বাসন সমিতি ব্যতিত মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র, ক্লিনিক, হাসপাতাল বা কেবল মাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে এ ধরণের কোন সংস্থাকে নিবন্ধন প্রদান করা যাবে না;
একাডেমী, নিকেতন, স্কুল, কলেজ, টেকনিক্যাল কলেজ বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ইত্যাদি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানের নামে কোন সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান ও নিবন্ধন করা যাবে না।
সংস্থার নামের ছাড়পত্রের আবেদন যাচাই:
২.৩. ‘সংস্থার নামের ছাড়পত্র’ প্রদানের পূর্বে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি যাচাই করবে:
‘সংস্থার নামের ছাড়পত্র’ এর আবেদন অত্র পরিপত্রে বর্ণিত নিয়মে করা হয়েছে কিনা?
ইতোপূর্বে একই নামে কোন সংস্থা নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে কিনা?
কোন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অন্য আইনে নিবন্ধিত হলে যৌক্তিক কারণ ব্যতিত নামের ছাড়পত্র দেয়া যাবে না এবং নিবন্ধন দেয়া যাবে না। ট্রাস্ট এর জন্য পৃথক আইন থাকায় অত্র অধ্যাদেশের আওতায় কোন ট্রাস্ট নিবন্ধন করা যাবে না।
সংস্থার নাম স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা?
প্রাক নিবন্ধন ছক মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রতিবেদন পাওয়া গিয়াছে কিনা?
সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ‘জাতীয় সমাজকল্যাণ নীতি’ ও স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ১৯৬২ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা?
সংস্থার নামের ছাড়পত্রের আবেদন সংশোধনের সুযোগ:
২.৪. স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ১৯৬২ বা অত্র পরিপত্রে বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী আবেদনকারী সংস্থাকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান সম্ভব না হলে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লে¬খ করে সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে লিখিতভাবে অবহিত করে নাম সংশোধনের জন্য সুযোগ প্রদান করতে হবে।
সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান:
২.৫. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ‘নামের ছাড়পত্র’ আবেদন যথাযথভাবে যাচাইপূর্বক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে ‘পরিশিষ্ট-২’ অনুযায়ী সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে ‘নামের ছাড়পত্র’ প্রদান করবেন।
নিবন্ধন প্রাপ্তির আবেদন:
২.৬. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘নামের ছাড়পত্র’ প্রাপ্তির ৪৫ (পঁয়তাল্লি¬শ) দিনের মধ্যে নিবন্ধন প্রাপ্তির জন্য নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বরাবর স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী আবেদন করতে হবে;
২.৭. কোন সংস্থার কর্মকর্তাগণ ‘নামের ছাড়পত্র’ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে, মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করতে পারবে। নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত আবেদন যুক্তিসঙ্গত মনে করলে নিবন্ধনের আবেদন জমা দেয়ার মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারবে; ২য় বারেও ‘নামের ছাড়পত্র’ এর মেয়াদ শেষ হলে সংশি¬ষ্ট সংস্থাকে নতুনভাবে নামের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে;
২.৮. নিবন্ধন আবেদনের সাথে প্রত্যেক সংস্থাকে ‘পরিশিষ্ট-৩’ এ বর্ণিত চেকলিস্ট অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র/ রেকর্ডপত্র জমা দিতে হবে;
২.৯. নিবন্ধনকালে আবেদনের সাথে দাখিলকৃত রেকর্ডপত্র/কাগজপত্রের সাথে অধ্যাদেশের তফশীল বহির্ভূত কোন কার্যক্রম বিশেষ করে ক্ষুদ্রঋণ ও সঞ্চয় কার্যক্রম করবে না মর্মে অঙ্গীকারপত্র জমা দিতে হবে;
২.১০. নিবন্ধন লাভে আগ্রহী সংস্থার গঠনতন্ত্র ‘পরিশিষ্ট-৪’ অনুযায়ী হতে হবে;
২.১১. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কার্যকরী কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫,৭, ৯, ১১, ১৩ বা তদূর্ধ বিজোড় সংখ্যার সমপরিমাণ হবে। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় যে, কার্যকরী পরিষদের ন্যূনতম সদস্য ৭ (সাত) জন হবে এবং কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যার ন্যূনতম ৩ গুণ সাধারণ সদস্য থাকতে হবে, উল্লেখ্য যে, কার্যকরী পরিষদের এক পঞ্চমাংশ মহিলা সদস্য থাকতে হবে;
২.১২. গত ৩০/০৪/১৯৮৯ খ্রিঃ তারিখে জারিকৃত সরকারি প্রজ্ঞাপন মূলে মহিলা স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানসমূহের নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ মহিলা বিষয়ক অধিদফতর। এ ধরণের প্রতিষ্ঠান জেলা পর্যায়ে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের কার্যালয় হতে নিবন্ধন প্রদান করা হয় বিধায় সমাজসেবা অধিদফতরে এ ধরণের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নিবন্ধন আবেদন গ্রহণ করা যাবে না।
নিবন্ধন পূর্ব যাচাই:
২.১৩. নামের ছাড়পত্রে বর্ণিত শর্তাবলি পালন করেছে কি না ?
২.১৪. ‘পরিশিষ্ট-৩’ এ বর্ণিত চেকলিস্ট অনুযায়ী সকল কাগজপত্র জমা হয়েছে কি না ?
২.১৫. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির গঠনতন্ত্র ‘পরিশিষ্ট-৪’ এ বর্ণিত নির্দেশিকামতে প্রণয়ন করা হয়েছে কি না ?
২.১৬. নিবন্ধনের জন্য জমাদানকৃত সকল কাগজপত্র সঠিক আছে কি না ?
২.১৭. স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ১৯৬২ বা অত্র পরিপত্র অনুযায়ী আবেদনকারী সংস্থার আবেদনে ভুলভ্রান্তি থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লে¬খ করে সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় উল্লেখপূর্বক তা সংশোধনের জন্য সুযোগ প্রদান করতে হবে।
নিবন্ধন পূর্ব তদন্ত পরিচালনা:
২.১৮. আবেদন গ্রহণের পর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন পূর্ব তদন্ত পরিচালনা করতে হবে। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ হিসেবে উপপরিচালক স্বয়ং অথবা তাঁর মনোনীত কোন কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ইউসিডি সমাজসেবা কর্মকর্তা তদন্তকার্য সম্পন্ন করবেন এবং ‘পরিশিষ্ট-৫’ এ বর্ণিত ছক অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বরাবর দাখিল করবেন;
নিবন্ধন প্রদান:
২.১৯. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধনের পর সনদ প্রদানের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত কতিপয় শর্ত সম্বলিত একটি অবগতিপত্র নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থাকে প্রদান করবেন ‘পরিশিষ্ট-৬’।
২.২০. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-সকম/প্রষ্ঠিান/বিবিধ-৮/৯৯(অংশ-১)-৯৬ তারিখ: ০১-৪-১৯৯৯ খ্রিঃ মূলে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অধ্যাদেশের ২(ঙ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে জেলা সীমা রেখার মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক;
২.২১. যে সকল জেলায় উপপরিচালক নেই সে সকল জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত/অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক বা সমাজসেবা অফিসারগণ অধ্যাদেশ মোতাবেক নিবন্ধন প্রদানসহ নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কার্যকরী কমিটি ও গঠনতন্ত্রও অনুমোদন করবে(পরিশিষ্ট-১২);
২.২২. নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ কোন সংস্থার নিবন্ধনের আবেদন প্রত্যাখান করলে সেক্ষেত্রে সংস্থা কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লি¬ষ্ট অধ্যাদেশের ৬ ধারা মোতাবেক সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বরাবরে আপীল করতে পারবে। সচিব,সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আদেশই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
৩. নিবন্ধন পরবর্তী সময়ে করণীয়:
৩.১. নিবন্ধন প্রদানের পর নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ অবশ্যই ‘পরিশিষ্ট-৭’ মোতাবেক সংস্থাসমূহের তথ্য সংরক্ষণ করবেন এবং ইতোমধ্যে যে সকল সংস্থা নিবন্ধিত হয়েছে তার রেকর্ডও একই পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
৩.২. প্রতিটি নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার জন্য আলাদা আলাদা নথি সংরক্ষণ করতে হবে;
৩.৩. প্রতি মাসের ০৭ (সাত) তারিখের মধ্যে সকল জেলার উপপরিচালকগণ সদর কার্যালয়ে ‘পরিশিষ্ট-৮’ মোতাবেক নন্ট্যাক্স রেভিনিউ হিসাবসহ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধনের প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন;
৩.৪. মাঠ পর্যায়ে উপপরিচালক, সহকারি পরিচালক, সমাজসেবা অফিসার(রেজিঃ), শহর সমাজসেবা অফিসার এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসারগণ প্রত্যেকে ১২-৪-১৯৯৮ তারিখে জারিকৃত পরিপত্র অনুযায়ী তাঁর আওতাভুক্ত এলাকার মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা/এতিমখানার কার্যক্রম পরিদর্শন করে নিয়মিত সদর দফতরে ‘পরিশিষ্ট-৯’ অনুযায়ী প্রতিবেদন পাঠাবেন। এ ছাড়া প্রতি মাসে সদর কার্যালয়ের পরিচালক(কার্যক্রম) ১টি, অতিরিক্ত পরিচালক(কার্যক্রম-১) ২টি এবং উপপরিচালক (নিবন্ধন) ৩টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (জাতীয়/স্থানীয়) পরিদর্শন করবেন;
৩.৫. নিবন্ধন গ্রহণের পর জেলা সদরে অবস্থিত সংস্থাসমূহকে নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে ‘সমন্বয় পরিষদের’ তালিকাভুক্ত(অভভরষরধঃবফ) হতে হবে এবং তালিকাভুক্তির পর প্রতিটি সংগঠনের ০২ দুই জন প্রতিনিধি উক্ত সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সদস্য হতে হবে।
৩.৬. “আর্থিক বৎসর ” বলিতে ১৮৯৭ সালের সাধারণ দফাসমূহ আইনে(১৮৯৭ সালের ১০নং আইন) প্রদত্ত একই অর্থ বুঝাইবে ;
৩.৭. সংশ্লিষ্ট বিধির ৯(গ) ধারা মতে আয়-ব্যয়ের হিসাব-যা প্রত্যেক আর্থিক বৎসরের শেষে প্রস্তুুত করতে হবে এবং রেজিষ্ট্রিকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত কোন সনদপ্রাপ্ত হিসাব পরীক্ষক বা হিসাব নিরীক্ষক বা হিসাব নিরীক্ষকগণ কর্তৃক নিরীক্ষিত হবে এবং আর্থিক বৎসর শেষ হওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে তা উক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে;
৩.৮. সংশ্লিষ্ট বিধির ৯(২) ধারা মতে সংস্থার নগদ টাকা বা ভান্ডার তত্ত্বাবধান বা পরিচালনার জন্য দায়িত্ব সম্পন্ন প্রত্যেক কর্মচারীকে উপযুক্ত আর্থিক সংগতি সম্পন্ন কোন বীমা কোম্পানীর নিকট হতে “সততা মুচলেকা” আকারে সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত পরিমান অর্থের একটি জামানত দিতে হবে এবং উক্ত মুচেেলকার একটি অনুলিপি রেজিস্ট্রিকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করতে হবে।
সংস্থার গঠনতন্ত্র ও কার্যকরী পরিষদ অনুমোদন :
৩.৯. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোন সংস্থার গঠনতন্ত্র আইনতঃ বৈধ বলে বিবেচিত হবে না। একইভাবে গঠনতন্ত্রের সংশোধনী আনা হলে তা নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কার্যকর হবে না।
৩.১০. কার্যকরী পরিষদের মেয়াদান্তে সংস্থার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন কার্যকরী কমিটি নির্বাচিত হবে।
৩.১১. একজন ব্যাক্তি সর্বোচ্চ ২টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কার্যকরি পরিষদের সদস্য হতে পারবেন;
৩.১২. সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থা নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদটি নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করবে। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোন কার্যকরী পরিষদ উক্ত সংস্থার বৈধ কার্যকরী পরিষদ হিসেবে বিবেচিত হবে না। নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অনুমোদনের জন্য সংশ্লি¬ষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে। সংস্থার বার্ষিক প্রতিবেদন, অডিট রিপোর্ট, নির্বাচন সংক্রান্ত কাগজপত্র সম্পর্কে সকল আপটুডেট তথ্য সন্তোষজনক বিবেচিত হলে এবং সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের আরোপিত শর্ত ভঙ্গ না করলে দাখিলকৃত কার্যকরী পরিষদ অনুমোদন দেয়া যাবে;
অনিয়মের জন্য করণীয় :
৩.১৩. কোন সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কার্যক্রম তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লি¬ষ্ট অধ্যাদেশের ৯(১) ধারা মতে সংস্থাটির কার্যকরী কমিটি সাময়িক বরখাস্ত করতে হবে। এরপর অধ্যাদেশের ৯(২) ধারা মতে প্রশাসক/ অনধিক ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি তত্ত্বাবধায়ক বডি গঠন করতে হবে। পরবর্তীতে একই অধ্যাদেশের ৯(৩) ধারা মতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সরকার কর্তৃক গঠিত পর্ষদ সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কাগজপত্র প্রেরণ করতে হবে;
৩.১৪. কোন সংস্থা গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী অথবা এই অধ্যাদেশের বিধানাবলী বা তদধীন প্রণীত বিধিসমূহের পরিপন্থী, অথবা জনস্বার্থ বিরোধী কোন কাজ করলে এ বিষয়ে শুনানী গ্রহণ করে বিলুপ্তির জন্য অধ্যাদেশের ১০ ধারা মতে প্রস্তাব প্রেরণ করতে হবে।
সংস্থার কার্যএলাকা সম্প্রসারণ :
৩.১৫. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধনের পর একাধিক জেলায় কার্যএলাকা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয়তা কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকের মাধ্যমে ‘পরিশিষ্ট-১০’ অনুযায়ী মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতরের নিকট আবেদন করতে পারবে; তবে জনস্বার্থে কোন সংস্থার কার্যএলাকা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয় প্রতীয়মান হলে মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতর বিশেষ বিবেচনায় উক্ত সংস্থাকে এক বা একাধিক জেলায় কার্যএলাকা সম্প্রসারণের অনুমতি দিতে পারবেন;
৩.১৬. একাধিক জেলায় কার্যক্রম সম্প্রসারণের অনুমতি প্রাপ্ত বা জাতীয়ভাবে স্বীকৃত স্বে”চ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটি অনুমোদন ও গঠনতন্ত্র সংশোধন, ডুপ্লিকেট সনদপত্র প্রদানসহ অন্যান্য বিষয় সংশ্লিষ্ট জেলার উপপরিচালক (যে জেলা হতে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধন প্রাপ্ত) পরীক্ষান্তে মতামতসহ অনুমোদনের জন্য সদর কার্যালয়ে প্রেরণ করবেন;
ডুপ্লি¬কেট সনদপত্র ইস্যু :
৩.১৭. নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নিবন্ধন সনদপত্র হারিয়ে/পুড়ে/নষ্ট হয়ে গেলে নির্ধারিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে (স্থানীয় থানায় জিডি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ও ট্রেজারী চালানসহ সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে) প্রতিরূপ(ডুপ্লি¬কেট) সনদপত্র জারি করতে পারবেন।
৪. গৃহীতব্য পদক্ষেপ ও সময়সীমা :
আবেদন প্রাপ্তির পর উপযুক্ত সংস্থাকে ‘পরিশিষ্ট-১১’ অনুযায়ী নিবন্ধন প্রদানের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াা সম্পন্ন করতে হবে। উক্ত সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য সংশ্লি¬ষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হল।
৫. স্পষ্টীকরণ:
এই পরিপত্রে প্রদত্ত নীতিমালা/ দিক নির্দেশনার কোন বিষয়ে স্পষ্টীকরণ বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে সমাজসেবা অধিদফতরের নিবন্ধন শাখায় যোগাযোগ করা যেতে পারে। নিবন্ধন শাখার ফোন নং ৯১৩ ৮০ ৩৪।
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহের নিবন্ধন প্রদানের ক্ষেত্রে এই পরিপত্রে বর্ণিত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষভাবে অনুরাধ করা হল।
সংস্থার নামের ছাড়পত্রের জন্য আবেদনের নমুনা
প্রস্তাবিত সংস্থার সভাপতির
দুই কপি ছবি
(১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত) প্রস্তাবিত সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের
দুই কপি ছবি (১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত)
বরাবর
উপপরিচালক
জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়
............................. জেলা
বিষয়: স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা/প্রতিষ্ঠান/সংগঠন নিবন্ধনের জন্য নামের ছাড়পত্রের আবেদন।
মহোদয়,
আমরা কতিপয় নাগরিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি অলাভজনক ও অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে সমাজকল্যাণ/জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে ইচ্ছুক। তৎপ্রেক্ষিতে ১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশের আওতায় নিবন্ধনের জন্য আবেদন করছি। উল্লেখ্য যে, প্রস্তাবিত সংস্থাটি অন্য কোন দফতর হতে নিবন্ধিত নয়।
নিম্নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিনটি নাম প্রস্তাব করা হল:
১)
২)
৩)
উল্লি¬খিত তিনটি নামের মধ্যে যে কোন একটি নামে সংস্থা প্রতিষ্ঠার ছাড়পত্র প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি।
সংযুক্ত:
ক) প্রস্তাবিত সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দুই কপি করে সত্যায়িত ছবি।
খ) প্রস্তাবিত সংস্থার নামকরণ সংক্রান্ত সভার সত্যায়িত কার্যবিবরণী।
গ) প্রস্তাবিত সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
(স্বাক্ষর)
সাধারণ সম্পাদক
নাম:....................................................
ঠিকানা:................................................
ফোন/ মোবাইল নম্বর:...............................
জাতীয় পরিচয়পত্র নং-............................
(স্বাক্ষর)
সভাপতি
নাম:.........................................................
ঠিকানা:.....................................................
ফোন/ মোবাইল নম্বর:.....................................
জাতীয় পরিচয়পত্র নং-............................
নামের ছাড়পত্র প্রদানের নমুনাপত্র
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সমাজসেবা অধিদফতর
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়
.................................
বিষয়: স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা/প্রতিষ্ঠান/সংগঠন নিবন্ধনের জন্য নামের ছাড়পত্র।
সূত্র : তাঁর ........................................ খ্রিঃ তারিখের আবেদন।
উপর্যুক্ত বিষয়ে তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, ১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশের আওতায় তফসিলে বর্ণিত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনা সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত শর্ত মোতাবেক নং‘...................................’ নামে আপনার প্রস্তাবিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রতিষ্ঠায় এ কার্যালয়ের কোন আপত্তি নেই।
১) ছাড়পত্র কোন সংস্থার নিবন্ধন নয় বিধায়, নামের ছাড়পত্রের স্মারক নম্বর নিবন্ধন নম্বর হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না;
২) নামের ছাড়পত্র অস্থায়ী হিসেবে বিবেচিত হবে, কোন আপত্তি উত্থাপিত হলে কোন কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে নামের ছাড়পত্র বাতিল করা যাবে;
৩) অনুমোদিত নামে পত্র জারি হবার ৪৫ (পঁয়তালি¬শ) দিনের মধ্যে চেকলিস্ট মোতাবেক কাগজপত্র ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র এ কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে;
৪) সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত অধ্যাদেশের নং তফসিলে বর্ণিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রমের বাইরে কোন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবেনা;
৫) মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির অনুমতি ব্যতীত সঞ্চয় বা ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না;
৬) প্রত্যেক সাধারণ সদস্যের জন্য আলাদা ভর্তি ফরম (পাসপোর্ট আকারের ছবিসহ) সংস্থার কার্যালয়ের নথিতে সংরক্ষণ করতে হবে।
(নাম:..............................)
নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ
ও
উপপরিচালক
জনাব/বেগম ..............................
..............................................
..............................................
অনুলিপি জ্ঞাতার্থে:
০১. মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতর, ঢাকা।
০২. জেলা প্রশাসক, ..........
০৩. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ...................................................।
০৪. উপজেলা/শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা ........................................।
নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চেকলিস্ট
প্রস্তাবিত সংস্থার নামের ছাড়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি ১ কপি
পূরণকৃত ‘বি’ ফরম (ফরম জেলা সমাজসেবা কার্যালয় হতে বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যাবে)-১ কপি
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা, সেগুনবাগিচা, ঢাকা কর্তৃক নিরাপত্তা ছাড়পত্র;
১-২৯৩১-০০০০-১৮৩৬ কোডে জমাকৃত ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকার ট্রেজারী চালান রশিদ-১ কপি
সংস্থার গঠনতন্ত্রের (প্রতি পৃষ্ঠায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সীলসহ স্বাক্ষরযুক্ত) মূল কপি-৩ সেট
কার্যকরী পরিষদ ও গঠনতন্ত্র অনুমোদন সংক্রান্ত সভার কার্যবিররণী (প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত)-১ কপি;
কার্যকরী পরিষদ গঠন ও সদস্যদের নাম, পদবী, পেশা, ঠিকানাসম্বলিত (স্থায়ী ও বর্তমান) ও নিজ স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা-১ কপি
প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ প্রত্যেকের ছবি ১ কপি করে মোট-৩ কপি ছবি;
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক প্রত্যায়িত সাধারণ সদস্যদের নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, স্বামীর নাম (বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে), পেশা, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং নিজ স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা-১ কপি;
সংস্থার কর্মসূচি (কার্যক্রম বাস্তবায়ন পদ্ধতিসহ) আলাদা কাগজে ১ কপি করে মোট-২ কপি।
সংস্থার কার্যালয়ের মূল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি (নিজস্ব জমি থাকলে) অথবা ৩০০ (তিনশত) টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে কার্যালয় ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি (নিজস্ব জমি না থাকলে) জমা দিতে হবে;
বেসরকারি এতিমখানার ক্ষেত্রে ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীভুক্ত পৌরএলাকা/ ইউনিয়ন পর্যায়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫(পাঁচ) শতক জমির দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে;
প্রতিষ্ঠানের/ সংস্থার আসবাবপত্রের তালিকা (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরযুক্ত)-১ কপি;
প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস সম্পর্কিত বিবরণী;
প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের বাজেট (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরযুক্ত)-১ কপি;
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর সুপারিশপত্র-১ কপি;
কার্যকরী পরিষদের সদস্যগণ একই পরিবারের সদস্য নন মর্মে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরযুক্ত প্রত্যয়ন পত্র-১ কপি;
এক্সিকিউটিভ বডির সদস্যগণ সংস্থায় চাকুরী করেন না মর্মে প্রত্যয়ন পত্র।
সংস্থার নমুনা গঠনতন্ত্র
ভূমিকা:
প্রতিষ্ঠানের নাম:
সংস্থার কার্যক্রমের আওতাভুক্ত এলাকা:
.............. জেলাব্যাপী :
প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা (স্থায়ী ও বর্তমান) :
বাড়ি নং: ................ গ্রাম/সড়ক: ........................ পো: ........................ওয়ার্ড নং-................ উপজেলা/থানা:........................ পোস্ট কোড:.................... জেলা:...................................
প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (বিস্তারিতভাবে): অধ্যাদেশের ২(চ) ধারায় বর্ণিত কার্যক্রমসমূহের আলোকে।
সদস্য পদ:
(ক) সদস্য পদের জন্য যোগ্যতা;
(খ) সদস্য পদের শ্রেণী বিভাগ এবং প্রাপ্তির শর্তাদি ও প্রদেয় চাঁদা;
(গ) সদস্য গ্রহণ পদ্ধতি;
(ঘ) বিভিন্ন শ্রেণীর সদস্যদের অধিকার ও সুবিধাদি;
(ঙ) যুক্তি সংগত কারণে সদস্য পদ বাতিল বা সাময়িকভাবে স্থগিতকরণ যেমন- চাঁদা না দেয়া, সভায় উপস্থিত না হওয়া এবং সংস্থার স্বার্থের পরিপন্থী আচরণ করা (১৯৬২এর বিধি অনুসরণ করতে হবে);
(চ) সাময়িকভাবে স্থগিত বা বাতিলকৃত সদস্য পদ পুনর্বহাল বা পুনর্গঠন পদ্ধতি;
শাখা (যদি থাকে): শাখার অধিকার, সুবিধাদি, দায়িত্ব ও অনুমোদন স্থগিত বা প্রত্যাহার পদ্ধতি ;
সাংগঠনিক কাঠামো: প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি যেমন-সাধারণ পরিষদ, কার্যকরী পরিষদ (২ বছরের জন্য নির্বাচিত) ইত্যাদি পদবী উল্লে¬খসহ দায়িত্ব, কর্তব্য ও ক্ষমতা বিস্তারিতভাবে উল্লে¬খ করতে হবে;
সভা: বিভিন্ন ধরনের সভা আহ্বান পদ্ধতি, সভার নোটিশের মেয়াদ, বিভিন্ন সভার জন্য কোরাম; সাধারণ সভা কমপক্ষে ১৫ দিনের নোটিশে, কার্যকরী কমিটির সভা ৭ দিনের নোটিশে, সাধারণ পরিষদের জরুরি সভা ৭ দিনের নোটিশে, কার্যকরী পরিষদের জরুরি সভা ৩ দিনের নোটিশে এবং মুলতবী সভা সর্বোচ্চ ৩ দিনের নোটিশে আহবান করতে হবে। সাধারণ ও কার্যকরী পরিষদের সভা সংখ্যাগরিষ্ঠের উপস্থিতিতে কোরাম হবে;
কার্যকরী কমিটির নির্বাচন পদ্ধতি;
বাজেট ব্যবস্থাপনা:
ড় সরকার অনুমোদিত যে কোন ব্যাংকে সংস্থার নামে চলতি/ সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে; হিসাবটি সংস্থার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ যে কোন ২ জনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে;
ড় কার্যকরী কমিটির অনুমোদন ছাড়া অর্থ ব্যয় করা যাবে না, সাধারণ সভায় পরবর্তীতে ব্যয়ের অনুমোদন নিতে হবে; প্রত্যেক মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায় অনুমোদন করতে হবে। বৎসর শেষে সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ সভায় উপস্থাপন করতে হবে।
ড় সংস্থা হিসাব নিরীক্ষা পদ্ধতি সংশ্লি¬ষ্ট বিধির ৯ ধারা মতে ব্যাখ্যা থাকবে;
সংস্থার জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগবিধি থাকতে হবে এবং লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের অবহিত করার বিধান থাকতে হবে;
নিবন্ধিত সংস্থা অধ্যাদেশের আলোকে স্বেচ্ছায় বিলুপ্তির বিধান থাকতে হবে;
অধ্যাদেশের আলোকে সংস্থার গঠনতন্ত্র সংশোধনের বিধান রাখতে হবে;
গঠনতন্ত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে ১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশ এবং ১৯৬২ সালের বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
এক্সিকিউটিভ বডিতে সংস্থায় চাকুরীরত কোন সদস্য থাকতে পারবেন না ।
নিবন্ধনের পূর্ব তদন্ত প্রতিবেদনের নমুনা
১৯৬২ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধির আলোকে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা নিবন্ধনের জন্য ৫ ধারা মতে সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন:
০১. আবেদনকারী সংস্থার নাম ও ঠিকানা:
০১. পরিদর্শনের তারিখ:
০২. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রতিষ্ঠার তারিখ:
০৩. নামকরণ সংক্রান্ত সভার তারিখ:
০৪. গঠনতন্ত্র অনুমোদনের সভার তারিখ:
০৫. পরিচালনা পরিষদ গঠনের তারিখ:
০৬. সাধারণ সদস্য সংখ্যা:
০৭. কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যা:
ক্রঃনং সদস্যের নাম পিতা/স্বামীর নাম মাতার নাম বয়স শিক্ষাগত যোগ্যতা পেশা সদস্যপদ লাভের
তারিখ বর্তমান/ স্থায়ী
ঠিকানা মন্তব্য
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ ১০
০৮. সাধারণ পরিষদ সর্বশেষ সভার তারিখ ও সংখ্যা:
০৯. কার্যকরী পরিষদের সর্বশেষ সভার তারিখ ও সংখ্যা :
১০. সংস্থাটি অরাজনৈতিক কী না?
১১. সমাজের সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে কী না?
১২. স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর তফসিল এ বর্ণিত কার্যাবলির সাথে সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ সম্যঞ্জস্যপূর্ণ কী না?
১৩. সংস্থার গঠনতন্ত্র বিধি মোতাবেক তৈরী করা হয়েছে কী না?
১৪. অন্য কোন আইনে সংস্থাটির নিবন্ধন আছে কী না?
১৫. সংস্থার কার্যএলাকা:
১৬. সংস্থার স্থাবর/ অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণী:
১৭. সংস্থাটি নিজস্ব জমিতে নাকি ভাড়া বাড়ীতে:
১৮. সংস্থার নামের সাইন বোর্ড আছে কী না?
১৯. সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোন প্রকল্প আছে কী না?
২০. সংস্থার তহবিলের বিবরণ (আয়ের উৎসসহ ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য):
২১. সংস্থার কোন সাধারন সদস্য সংস্থায় কর্মরত কিনা, থাকলে বেতনভূক্ত বা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কী না?
২২. প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের নাম, পিতা/স্বামীর নাম, পেশা, ঠিকানা:
২৩. সংস্থার জনবল:
২৪. বাজেট:
২৫. বিভিন্ন রেকর্ডপত্র, যেমন: সভার কার্যবিবরণী বহি, সভার নোটিশ বহি, চাঁদা/অনুদান গ্রহণের রশিদ বহি/ক্যাশ বহি, সদস্য রেজিস্টার, কার্যক্রম রেজিস্টার, স্টক বহি, ইত্যাদি যথানিয়মে সংরক্ষণ হয় কিনা?
২৬. গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভা অনুষ্ঠান করা হয় কি না?
২৭. গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভার কার্যক্রম পরিচালিত হয় কি না?
২৮. কার্যএলাকায় অন্য কোন নিবন্ধিত সংস্থা আছে কি না? থাকলে উক্ত সংস্থার কার্যক্রমের সাথে সংঘাত/ডুপ্লিকেশন হবে কি না?
২৯. ব্যাংক হিসাব:
৩০. এক্সিকিউটিভ বডি এর কোন সদস্য সংস্থায় চাকুরী করে কি না?
৩১. এক্সিকিউটিভ বডিতে একই পরিবারের একাধিক সদস্য আছে কি না?
৩২. সংস্থায় পরিচালিত কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণসহ(পৃথক কাগজে) উপকৃতের সংখ্যা:
৩৩. এতিমখানার ক্ষেত্রে:
৩৪ (১) প্রতিষ্ঠানের জমির পরিমাণ ও প্রাপ্তির উৎস:
৩৪ (২) এতিম নিবাসী সম্পর্কে নিম্নের ছকে তথ্য প্রদান করতে হবে।
ক্রঃনং এতিমের নাম বয়স পিতা/মাতার নাম স্থায়ী ঠিকানা পিতা/মাতার মৃত্যুর তারিখ এতিমখানায় ভর্তির
তারিখ পরিবেশ সংক্রান্ত
মন্তব্য
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮
৩৪ (৩) এতিমখানার কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিবরণ:
ক্রমিক কর্মকর্তা/কর্মচারীর নাম পদবী শিক্ষাগত যোগ্যতা জন্ম তারিখ বেতন
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬
৩৫. এতিমখানার ক্ষেত্রে নিবাসীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে তথ্য :
৩৬. সংস্থাটির নিবন্ধন প্রদান সংক্রান্ত তদন্ত কর্মকর্তার সুস্পষ্ট মতামত:
নিবন্ধন প্রদান নমুনাপত্র
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
জেলা সমাজসেবা কার্যলয়
.......................
স্মারক নং সসেঅদ/........................................................................ তারিখ:
বিষয়: “১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) ৪৬ নং অধ্যাদেশ” এর অধীনে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন প্রসংগে।
এতদ্বারা জানানো যাচ্ছে যে, আপনার ................. তারিখের আবেদনের প্রেক্ষিতে ‘........................’ সংস্থাকে “১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) ৪৬ নং অধ্যাদেশ” এর অধীনে .................খ্রিষ্টাব্দ তারিখে নিবন্ধন নং .............. সংখ্যা অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে নিবন্ধন সনদ করা হল:
১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) ৪৬ নং অধ্যাদেশ এবং এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধি ও অনুমোদিত গঠনতন্ত্র মেনে চলতে হবে;
নিয়মিত বার্ষিক রিপোর্ট ও হিসাব নিরীক্ষা প্রতিবেদন সংশ্লি¬ষ্ট বিধির ৯ ও ১০ ধারামতে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে;
নিবন্ধন সনদ প্রাপ্তির তারিখ হতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে এবং কাজ শুরুর ১৫(পনর) দিনের মধ্যে তা রেজিষ্ট্রিকরণ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে;
মহাপরিচালক,সমাজসেবা অধিদফতর, ঢাকার অনুমতি ব্যতীত অত্র জেলার বাইরে অত্র সংস্থার কোন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না;
নিবন্ধনের সময় দাখিলকৃত এবং অনুমোদিত কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে ও গঠনতন্ত্রের কোন সংশোধন বা পরিমার্জন হলে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে;
নিবন্ধন সনদ পত্রে যে নামকরণ আছে তা ব্যতীত অন্য কোন ভাবে বা সংক্ষিপ্ত আকারে নাম ব্যবহার করা যাবে না। নামের সাথে অবশ্যই নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করতে হবে এবং ঠিকানা পরিবর্তনের ০৭(সাত) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে উপপরিচালককে অবহিত করতে হবে;
নিবন্ধনের পর ৩০ দিনের মধ্যে সংস্থার নামে ব্যাংক একাউন্ট খুলে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে;
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির অনুমতি ব্যতীত সঞ্চয়/ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না;
নিবন্ধন সনদের অপর পৃষ্ঠায় বর্ণিত নির্দেশাবলী অবশ্যই পালন করতে হবে;
নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে জারিকৃত শর্ত বা ও দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে।
উল্লিখিত কোন শর্ত ভংগকারী সংস্থার বিরুদ্ধে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ যে কোন ব্যবস্থা নিতে পারবে।
(নাম-..........................)
নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ
ও
উপপরিচালক
সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক
................................
অনুলিপি জ্ঞাতার্থে:
০১. মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতর, ঢাকা।
০২. জেলা প্রশাসক, ......................................।
০৩. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা...........................।
০৪. উপজেলা/শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা...........................।
নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার রেজিস্টারের নমুনা
লিপিবদ্ধ করার তারিখ সংস্থার নাম ও ঠিকানা নিবন্ধন নম্বর নিবন্ধনের তারিখ
১ ২ ৩ ৪
সংস্থা স্থাপনের তারিখ সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ সংস্থার কার্যএলাকা যে ব্যাংক বা ব্যাংকসমূহে তহবিল জমা রাখা হয়েছে ব্যাংকের (নাম ও হিসাব নম্বর)
৫ ৬ ৭ ৮
প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের বিস্তারিত বিবরণ
নাম পিতা/স্বামীর নাম পেশা ঠিকানা
৯ ১০ ১১ ১২
কার্যকরী পরিষদের সদস্য (কর্মকর্তাগণের) বিস্তারিত বিবরণ মন্তব্য
নাম পিতা/স্বামীর নাম পদের নাম ঠিকানা
১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদন
জেলা:......................................... মাস: .................................. সন:....................
পূর্ববর্তী মাস পর্যন্ত নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার মোট সংখ্যা: ................................ টি
প্রতিবেদন মাসে নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার মোট সংখ্যা: ................................... টি
সর্বমোট নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার সংখ্যা:.....................................................টি
সর্বমোট নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার মধ্যে বেসরকারি এতিমখানার সংখ্যা:.................টি
ক্রমিক প্রতিবেদন মাসে নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার নাম ও ঠিকানা নিবন্ধন নম্বর নিবন্ধনের তারিখ সাধারণ পরিষদের সদস্য সংখ্যা কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যা
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬
বেতনভুক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারীর সংখ্যা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থার হিসাব পরিচালনাকারী ব্যাংকের নাম সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থার ব্যাংক হিসাবের ধরণ ও নম্বর নিবন্ধনকালীন ব্যাংক স্থিতি (টাকায়)
৭ ৮ ৯ ১০
নন ট্যাক্স রেভিনিউ খাতে জমাকৃত পরিমান (টাকায়) সংস্থার প্রধান কর্মসূচি/ কার্যক্রমের নাম নিবন্ধন রেজিস্ট্রারে সংস্থার নাম বিধি অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে কিনা?
১১ ১২ ১৩
পরিদর্শন প্রতিবেদন নমুনা
১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশের ৭ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ও সংশ্লি¬ষ্ট বিধির ৯ ও ১০ ধারা মতে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা/এতিমখানা পরিদর্শন করতে পারে।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা/এতিমখানা কর্মসূচির পরিদর্শন প্রতিবেদন ছক:
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম:
সংস্থার ঠিকানা, নিবন্ধন নম্বর ও তারিখ:
সংস্থার পরিদর্শন বহি:
পরিদর্শনের তারিখ:
পূর্বপরিদর্শনের তারিখ:
সংস্থার জনবল(কর্মকর্তা ও কর্মচারি বিবরণ):
সংস্থার চলমান কার্যক্রমসমূহ:
সংস্থার আয়ের উৎস ও ব্যয়ের খাত:
সংস্থার বাজেট:
সংস্থার ক্যাশবই, খতিয়ান ও রশিদপত্র:
সংস্থার অডিট সংশ্লি¬ষ্ট বিধি ও গঠনতন্ত্র মতে হয় কী না?
সংস্থার সদস্যদের তথ্য সম্বলিত রেজিস্টার:
সংস্থার রেজুলেশন বহি :
কার্যকরী পরিষদের অনুমোদন:
সাধারণ পরিষদ ও কার্যকরী পরিষদের সর্বশেষ সভার সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন :
সংস্থাটি অরাজনৈতিক কী না?
সংস্থার কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের জনগণ উপকৃত হচ্ছে কী না?
অন্য কোন আইনে সংস্থাটির নিবন্ধন আছে কী না?
সংস্থার কার্যএলাকা:
সংস্থার স্থাবর/ অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণী:
সংস্থাটি নিজস্ব জমিতে নাকি ভাড়া বাড়ীতে:
সংস্থার নামের সাইন বোর্ড আছে কী না?
সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোন প্রকল্প আছে কী না?
সংস্থাটির কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রাপ্ত অর্থের বিস্তারিত বিবরণ:
সংস্থার কোন সদস্য সংস্থায় কর্মরত কী না? থাকলে বেতনভূক্ত বা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কী না?
প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের নাম, পিতা/স্বামীর নাম, পেশা, ঠিকানা:
সংস্থার তহবিল জমা রাখার ব্যাংক/ ব্যাংকসমূহের নাম, হিসাব নম্বর, হিসাবের ধরণ ও
প্রত্যেক হিসাবের বর্তমান ব্যাংক স্থিতি:
এতিমখানার ক্ষেত্রে:
(ক) প্রতিষ্ঠানের জমির পরিমান ও প্রাপ্তির উৎস:
(খ) এতিম নিবাসী (শুধুমাত্র ক্যাপিটেশনগ্রান্ট প্রাপ্ত এতিমদের) তথ্য:
ক্রঃনং এতিমের নাম বয়স পিতা/ মাতার নাম স্থায়ী ঠিকানা এতিমখানায় ভর্তির তারিখ মন্তব্য
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭
(গ) এতিমখানার কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিবরণ:
ক্রমিক কর্মকর্তা/ কর্মচারীর নাম পদবী শিক্ষগত যোগ্যতা জন্ম তারিখ বেতন
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬
এতিমখানার পরিবেশ, স্যানিটেশন, শিক্ষা, খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ এবং গ্রন্থাগার ইত্যাদি সম্পর্কে মন্তব্য :
সংস্থাটির পরিদর্শনকারী কর্মকর্তার মন্তব্য (বিস্তারিত) :
সংস্থার কার্যএলাকা সম্প্রসারণের নিয়মাবলী ও চেকলিস্ট
নিয়মাবলী:
১. কার্যএলাকা সম্প্রসারণের আবেদনপত্র সংশ্লি¬ষ্ট নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে (যে জেলায় প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত) মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতরের বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।
২. এক সাথে ৫টি জেলার বেশি কার্যএলাকা সম্প্রসারণের জন্য আবেদন করা যাবে না;
৩. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত গঠনতন্ত্রে কার্যএলাকা সম্প্রসারণের বিধান থাকতে হবে;
৪. নিবন্ধন লাভের এক বছর পর সংবিধানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য অনুযায়ী সন্তোষজনকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার পর সম্প্রসারণের আবেদন করা যাবে;
াকতে হবে এ বিষয়ে ব্যাংক হিসাব বিবরণী (ব্যাংক ম্যানেজার কর্তৃক প্রদেয়)-০১ কপি দাখিল করতে হবে;
৬. জেলার উপপরিচালক প্রদত্ত সন্তোষজনক কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়ন সন্তোষজনক মর্মে প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
৭. কোন সংস্থা প্রাথমিক সম্প্রসারণের পর দ্বিতীয় দফায় সম্প্রসারণের আবেদন করলে পূর্বের সম্প্রসারিত জেলা/জেলাসমূহের কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকগণের প্রতিবেদন ও সুপারিশ থাকতে হবে।
চেকলিস্ট:
কার্যএলাকা সম্প্রসারণ সংক্রান্ত আবেদন পত্রের সাথে নিম্ন বর্ণিত কাগজ পত্রাদি দাখিল করতে হবে
ক. নিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি- ০১ কপি;
খ. সাধারণ সভার কার্যবিবরণী (সংস্থার কার্যএলাকা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত);
গ. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের সত্যায়িত অনুলিপি-০১ কপি;
ঘ. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত কার্যকরী কমিটির তালিকার সত্যায়িত অনুলিপি -০১ কপি;
ঙ. বর্তমান কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ (উপকৃতের সংখ্যাসহ তালিকা) -০১ কপি;
চ. সাধারণ সদস্যদের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, পেশা, স্বাক্ষরসহ তালিকা -০১ কপি;
ছ. সংস্থার কর্মকর্তা/ কর্মচারীর বিবরণ (নাম, পদবী ও বেতন সম্বলিত) তালিকা -০১ কপি;
জ. এক বছরের সম্ভাব্য বাজেট -০১ কপি(কার্যক্রম ভিত্তিক);
ঝ. তিন বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন- মোট ৩ কপি
ঞ. অডিট ফার্ম দ্বারা সম্পাদিত সর্বশেষ তিন বছরের অডিট রিপোর্ট - মোট ০৩ কপি;
ট. সম্প্রসারিত এলাকায় উপকমিটি গঠন ও কেদ্রীয় কমিটির সাথে যোগাযোগ, তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্পর্কিত তথ্যাদির বিবরণ -০১ কপি।
ঠ. দাতা গোষ্ঠীর প্রতিশ্রুতি পত্র (যদি থাকে) -০১ কপি;
ড. আবেদনকারী সংস্থাটি কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি বা শর্ত ভঙ্গ করে নাই মর্মে অংগীকার নামা।
পরিশিষ্ট-১১
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন সংক্রান্ত কার্যাবলীর সময়সীমা
ক্রমিক গৃহীতব্য পদক্ষেপসমূহ দায়িত্ব সময়সীমা
১. অসম্পূর্ণ নামের ছাড়পত্র আবেদন সংশোধনী/ প্রত্যাখ্যানের পত্র সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে প্রদান উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় আবেদন প্রাপ্তির পর ১০ কর্ম দিবস
২. সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রাপ্তির পর ১৫ কর্ম দিবস
৩. অসম্পূর্ণ নিবন্ধন আবেদন সংশোধনীর জন্য সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে পত্র প্রদান উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় আবেদন প্রাপ্তির পর ১০ কর্ম দিবস
৪. নিবন্ধন সংক্রান্ত আবেদন তদন্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রাপ্তির পর ৭ কর্ম দিবস
৫. তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত পরিচালনা তদন্ত কর্মকর্তা নির্দেশনা প্রাপ্তির পর ১০ কর্মদিবসের মধ্যে
৬. তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত কার্য সম্পাদনের ৭ কর্মদিবসের মধ্যে
৭. নিবন্ধন প্রদান উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রাপ্তির পর ২০ কর্ম দিবস
৮. সংস্থার কার্যকরী কমিটি অনুমোদন আবেদন উপপরিচালকের নিকট প্রেরণ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রাপ্তির পর ৭ কর্ম দিবস
৯. সংস্থার কার্যকরী কমিটি / গঠনতন্ত্র অনুমোদন (স্থানীয়) উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় উপজেলা/ শহর সমাজসেবা কার্যালয় এর মাধ্যমে আবেদন প্রাপ্তির পর ১০ কর্ম দিবস
১০. সংস্থার কার্যকরী কমিটি / গঠনতন্ত্র অনুমোদন (জাতীয়/একাধিক জেলায় কার্যক্রমের অনুমতি প্রাপ্ত) সদর দপ্তর জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এর মাধ্যমে আবেদন প্রাপ্তির পর ২০ কর্ম দিবস
পরিশিষ্ট-১২(ক)
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কমিটি অনুমোদন সংক্রান্ত কাগজপত্রের চেকলিষ্ট:
১) সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত
২) বিগত ২ বছরের অডিট রিপোর্ট;
৩) বিগত ১ বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন
৪) কার্যএলাকা সম্প্রসারণের আদেশের অনুলিপি;
৫) গত অনুমোদিত কমিটির তালিকা/অনুলিপি;
৬) অধিদফতর থেকে নিবন্ধন সনদ অনুলিপি;
৭) এম আর এ সনদ অনুলিপি(যদি থাকে);
৮) ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনা (যদি থাকে) সংক্রান্ত অঙ্গীকারনামা;
৯) সরকারের কোন দপ্তরের সাথে চুক্তিভঙ্গ করেনি মর্মে প্রত্যয়নপত্র;
১০) নির্বাচন সংক্রান্ত সকল ডকুমেন্ট;
১১) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত ফলাফল;
১২) নির্বাচনী বিষয়ে কোন অভিযোগ নেই মর্মে প্রত্যয়নপত্র;
১৩) একই পরিবারভুক্ত বা পরস্পর আত্মীয় সদস্যদের নিয়ে কমিটি গঠন হয়নি মর্মে প্রত্যয়নপত্র।
১৪) কার্যকরী কমিটির সদস্যগণ সংস্থায় চাকুরী করেন না মর্মে প্রত্যয়নপত্র।
১৫) সংস্থার নির্বাচনের সময় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
১৬) একাধিক জেলায় সম্প্রসারিত সংস্থার গঠনতন্ত্র সংশোধন ও কমিটি অনুমোদন সমাজসেবা অধিদফতর হতে গ্রহণ করতে হবে ।
১৭) এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ০৫টি সমাজসেবা কর্র্তৃক নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পদ গ্রহণ করতে পারবে।
পরিশিষ্ট-১২(খ)
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার গঠনতন্ত্র সংশোধনী অনুমোদন সংক্রান্ত কাগজপত্রের চেকলিস্ট:
১) সংস্থার নাম ও ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে;
২) সাধারণ সদস্যদের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে মর্মে সাধারণ সভার রেজুলেশন;
৩) গঠনতন্ত্র সংশোধনের যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করতে হবে;
৪) অধ্যাদেশ ও বিধি সম্মত গঠনতন্ত্র সংশোধন করতে হবে;
ফরম “বি”
নিবন্ধিকরন কর্তৃপক্ষ
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ
সমাজসেবা অধিদফতর
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়
............................।
জনাব,
আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীগণ, ১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (রেজিষ্ট্রিকরণ ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ (১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশ) এর বিধানাবলী মোতাবেক একটি সংস্থা স্থাপনের প্রস্তাব করিতেছি।
প্রস্তাবিত সংস্থার বিবরণ নিম্নে দেওয়া হইল ঃ
০১. সংস্থার নাম..................................................................................................
০২. সংস্থার ঠিকানা-
গ্রাম/মহল¬া ঃ............................................বাড়ী নং-..........................................
রোড নং............................ওয়ার্ড নং............................ডাকঘর..........................
পোঃ কোডঃ ........................থানা...........................উপজেলা.............................
জেলা .........................................।
০৩. সংস্থার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ..................................................................................
(সংস্থা কর্তৃক গৃহীত বর্তমান চালু কার্যক্রমের অথবা ভবিষ্যতের গ্রহণযোগ্য কার্যক্রমের ভিত্তিতে উলে¬খ করতে হবে)।
০৪. সংস্থার কার্যক্রমের সীমানা/পরিধি .......................................................................
...............................................................................................................
(স্থানীয় এলাকা, গ্রাম,ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সংস্থার বিবরণ উলে¬খ করতে হবে)।
০৫ কার্য পরিচালনা প্রকল্প(সংস্থা স্থাপনের জন্য গৃহীতব্য ব্যবস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়া প্রয়োজনবোধে স্থান, যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও সরঞ্জামাদি সম্পর্কে একটি পৃথক পৃষ্ঠা সংযুক্ত করা যাইবে)।
০৬. কি প্রকারে অর্থের সংস্থান করা হবে।
০৭. প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের নাম, পদবী, পেশা ও ঠিকানা ঃ
ক্রমিক নাম পদবী পেশা ঠিকানা
চলমান পাতা/১
০৮. সংস্থার তহবিল জমা রাখিবার জন্য ব্যাংক বা ব্যাংকসমূহের নাম ।
অনুরোধ করা যাইতেছে যে, পূর্ববর্ণিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী সংস্থাটি রেজিস্ট্রি করা হউক। আমরা অঙ্গিকার করিতেছে যে, সংস্থার কর্মকর্তাগণের কোন রদ-বদল হইলে তাহা রদ-বদলের ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে অবহিত করিব।
৫০০০/ টাকার ট্রেজারী চালান ও সংশ্লিষ্ট গঠনতন্ত্রের একটি অনুলিপি ইহার সঙ্গে সংযুক্ত করা হইল।
আমরা এই মর্মে প্রত্যায়ন করিতেছি যে, উপরিউক্ত তথ্য নির্ভুল।
(সকল প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য নিম্নে স্বাক্ষর করিবেন)।
আপনার বিশ্বস্ত,
সাক্ষীগণের নাম(পূর্ণ) ঠিকানা ও স্বাক্ষরসহ
ক্রমিক নাম পদবী পেশা ঠিকানা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সমাজসেবা অধিদফতর
সমাজসেবা ভবন
আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।
পরিপত্র
নং- ৪১.০১.০০০০.০৪৬.২৭.৭৭২.১২. তারিখ:
বিষয়: স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা।
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ১৯৬২ অনুযায়ী সমাজসেবা অধিদফতর স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ করছে। সমাজসেবা অধিদফতরের জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালকগণ জেলা পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহের নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত। জেলার সীমারেখার মধ্যে নিবন্ধনপ্রাপ্ত সংস্থাসমূহের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরিদর্শণ, অডিট, তত্ত্বাবধান ও মূল্যায়ণের বিষয়টি উপপরিচালকগণের উপর ন্যস্ত ।
নিবন্ধনের জন্য সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান, আবেদনপত্র গ্রহণ, নিবন্ধন প্রদান এবং নিবন্ধন পরবর্তী তত্ত্বাবধান ইত্যাদি বিষয়াদি দেশব্যাপী সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সমরূপ হওয়া বাঞ্চনীয়। তাছাড়া সারা দেশে একই প্রক্রিয়ায় সংস্থা নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে একটি নির্দেশিকার প্রয়োজন অনুভূত হওয়ায় এ নির্দেশিকা প্রণয়নপূর্বক জারী করা হলো।
২. নিবন্ধন প্রদান প্রক্রিয়া:
সংস্থার নামের ছাড়পত্রের আবেদন:
২.১. নিবন্ধন গ্রহণে আগ্রহী সংস্থাকে প্রথমে ‘সংস্থার নামের ছাড়পত্র’ এর জন্য ‘পরিশিষ্ট-১’ অনুযায়ী নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে;
২.২. ‘সংস্থার নামের ছাড়পত্রের’ আবেদনের সাথে (১) প্রস্তাবিত সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দুই কপি করে ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ছবি (২) প্রস্তাবিত সংস্থার নামকরণ সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণী(১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত) ১ কপি (৩) প্রস্তাবিত সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর সম্বলিত সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য- ১ কপি এবং (৪) নিবন্ধনকালে সকল সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্রের ছায়ালিপি(১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত) ;
কোন সংস্থা নামের সাথে “জাতীয়” বা “বাংলাদেশ” শব্দ ব্যবহার করতে পারবে না, তবে প্রাথমিকভাবে স্থানীয় পর্যায়ে নিবন্ধনের পর মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতরের নিকট “জাতীয়” বা “বাংলাদেশ” শব্দ সংযুক্ত করার জন্য আবেদন করতে পারবে। মহাপরিচালক প্রয়োজনীয় তদন্ত সাপেক্ষে যথার্থ ও যৌক্তিক বিবেচিত হলে “জাতীয়” বা “বাংলাদেশ” শব্দ যুক্ত করার অনুমতি দিতে পারবেন;
এ অধ্যাদেশে বিদেশী কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন প্রদান করা যাবে না;
আবেদনকারীগণ বাংলাদেশের নাগরিক হবেন, রক্ত সম্পর্কীয় একই পরিবারের ২ জনের বেশী সদস্য কার্যকরি সদস্য পদে থাকতে পারবে না। এছাড়া স্থানীয় জনগণের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
সংস্থার নামের সাথে অন্য কোন দেশের নাম যুক্ত করা হলে সংশ্লি¬ষ্ট হাইকমিশন/এ্যাম্ব্যাসী/ মিশনের অনাপত্তিপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে;
সরকারি বা বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারি কল্যাণ সমিতির নামকরণের ক্ষেত্রে সংশ্লি¬ষ্ট দপ্তর/সংস্থা প্রধানের অনাপত্তিপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে;
মাল্টিপারপাস বা বহুমুখী/ফ্ল্যাট/বাড়ী/দোকান/বাস/রিক্সা/পরিবহণ/মালিক/বণিক/শ্রমিক/ভাড়াটিয়া কল্যাণ সমিতি/ইউনিয়ন বিদ্যমান অধ্যাদেশের ২(চ) ধারায় বর্ণিত কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এসকল সমিতি সমবায় আইনে নিবন্ধন গ্রহণ সমীচীন। তবে এধরণের সমিতি নিবন্ধিত হয়ে থাকলে তাদের কার্যক্রম যাচাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;
জাতীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব, লেখক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবী কোন ব্যাক্তির নামে সংস্থার নামকরণের ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির নিজ অথবা তার পক্ষে পরিবারের কোন ব্যক্তির অনাপত্তিপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে; সাধারণ ব্যক্তির নামে সংস্থা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সংস্থার নামে অনুদান হিসেবে ন্যূনতম ৫.০০ লক্ষ টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়া হয়েছে মর্মে প্রমাণপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে;
মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করা যাবে না, এ ধরণের প্রতিষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল হতে নিবন্ধন গ্রহণ করতে পারে;
সরকারি কোন প্রকল্প/কর্মসূচি/কার্যক্রম/নির্দেশনা বাস্তবায়নার্থে কোন সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লি¬ষ্ট দপ্তরের নির্দেশিত নামে ছাড়পত্র প্রদান করতে হবে, এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে উক্ত নির্দেশনাপত্র আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে;
এতিমখানা/শিশু সদন/পরিবার নিবন্ধনের পূর্বে ১৯৪৪ সালের এতিমখানা এবং বিধবা সদন আইনের ৫ ধারামতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনুজ্ঞাপত্র গ্রহণ করতে হবে এবং কোন ক্রমেই মাদ্রাসা নিবন্ধন করা যাবে না;
রোগী কল্যাণ ও পুনর্বাসন সমিতি ব্যতিত মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র, ক্লিনিক, হাসপাতাল বা কেবল মাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে এ ধরণের কোন সংস্থাকে নিবন্ধন প্রদান করা যাবে না;
একাডেমী, নিকেতন, স্কুল, কলেজ, টেকনিক্যাল কলেজ বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ইত্যাদি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানের নামে কোন সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান ও নিবন্ধন করা যাবে না।
সংস্থার নামের ছাড়পত্রের আবেদন যাচাই:
২.৩. ‘সংস্থার নামের ছাড়পত্র’ প্রদানের পূর্বে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ নিম্নবর্ণিত বিষয়াদি যাচাই করবে:
‘সংস্থার নামের ছাড়পত্র’ এর আবেদন অত্র পরিপত্রে বর্ণিত নিয়মে করা হয়েছে কিনা?
ইতোপূর্বে একই নামে কোন সংস্থা নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে কিনা?
কোন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অন্য আইনে নিবন্ধিত হলে যৌক্তিক কারণ ব্যতিত নামের ছাড়পত্র দেয়া যাবে না এবং নিবন্ধন দেয়া যাবে না। ট্রাস্ট এর জন্য পৃথক আইন থাকায় অত্র অধ্যাদেশের আওতায় কোন ট্রাস্ট নিবন্ধন করা যাবে না।
সংস্থার নাম স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা?
প্রাক নিবন্ধন ছক মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রতিবেদন পাওয়া গিয়াছে কিনা?
সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ‘জাতীয় সমাজকল্যাণ নীতি’ ও স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ১৯৬২ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা?
সংস্থার নামের ছাড়পত্রের আবেদন সংশোধনের সুযোগ:
২.৪. স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ১৯৬২ বা অত্র পরিপত্রে বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী আবেদনকারী সংস্থাকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান সম্ভব না হলে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লে¬খ করে সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে লিখিতভাবে অবহিত করে নাম সংশোধনের জন্য সুযোগ প্রদান করতে হবে।
সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান:
২.৫. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ‘নামের ছাড়পত্র’ আবেদন যথাযথভাবে যাচাইপূর্বক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে ‘পরিশিষ্ট-২’ অনুযায়ী সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে ‘নামের ছাড়পত্র’ প্রদান করবেন।
নিবন্ধন প্রাপ্তির আবেদন:
২.৬. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘নামের ছাড়পত্র’ প্রাপ্তির ৪৫ (পঁয়তাল্লি¬শ) দিনের মধ্যে নিবন্ধন প্রাপ্তির জন্য নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বরাবর স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী আবেদন করতে হবে;
২.৭. কোন সংস্থার কর্মকর্তাগণ ‘নামের ছাড়পত্র’ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে, মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করতে পারবে। নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত আবেদন যুক্তিসঙ্গত মনে করলে নিবন্ধনের আবেদন জমা দেয়ার মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারবে; ২য় বারেও ‘নামের ছাড়পত্র’ এর মেয়াদ শেষ হলে সংশি¬ষ্ট সংস্থাকে নতুনভাবে নামের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে;
২.৮. নিবন্ধন আবেদনের সাথে প্রত্যেক সংস্থাকে ‘পরিশিষ্ট-৩’ এ বর্ণিত চেকলিস্ট অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র/ রেকর্ডপত্র জমা দিতে হবে;
২.৯. নিবন্ধনকালে আবেদনের সাথে দাখিলকৃত রেকর্ডপত্র/কাগজপত্রের সাথে অধ্যাদেশের তফশীল বহির্ভূত কোন কার্যক্রম বিশেষ করে ক্ষুদ্রঋণ ও সঞ্চয় কার্যক্রম করবে না মর্মে অঙ্গীকারপত্র জমা দিতে হবে;
২.১০. নিবন্ধন লাভে আগ্রহী সংস্থার গঠনতন্ত্র ‘পরিশিষ্ট-৪’ অনুযায়ী হতে হবে;
২.১১. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কার্যকরী কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫,৭, ৯, ১১, ১৩ বা তদূর্ধ বিজোড় সংখ্যার সমপরিমাণ হবে। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় যে, কার্যকরী পরিষদের ন্যূনতম সদস্য ৭ (সাত) জন হবে এবং কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যার ন্যূনতম ৩ গুণ সাধারণ সদস্য থাকতে হবে, উল্লেখ্য যে, কার্যকরী পরিষদের এক পঞ্চমাংশ মহিলা সদস্য থাকতে হবে;
২.১২. গত ৩০/০৪/১৯৮৯ খ্রিঃ তারিখে জারিকৃত সরকারি প্রজ্ঞাপন মূলে মহিলা স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানসমূহের নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ মহিলা বিষয়ক অধিদফতর। এ ধরণের প্রতিষ্ঠান জেলা পর্যায়ে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের কার্যালয় হতে নিবন্ধন প্রদান করা হয় বিধায় সমাজসেবা অধিদফতরে এ ধরণের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নিবন্ধন আবেদন গ্রহণ করা যাবে না।
নিবন্ধন পূর্ব যাচাই:
২.১৩. নামের ছাড়পত্রে বর্ণিত শর্তাবলি পালন করেছে কি না ?
২.১৪. ‘পরিশিষ্ট-৩’ এ বর্ণিত চেকলিস্ট অনুযায়ী সকল কাগজপত্র জমা হয়েছে কি না ?
২.১৫. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির গঠনতন্ত্র ‘পরিশিষ্ট-৪’ এ বর্ণিত নির্দেশিকামতে প্রণয়ন করা হয়েছে কি না ?
২.১৬. নিবন্ধনের জন্য জমাদানকৃত সকল কাগজপত্র সঠিক আছে কি না ?
২.১৭. স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধি, ১৯৬২ বা অত্র পরিপত্র অনুযায়ী আবেদনকারী সংস্থার আবেদনে ভুলভ্রান্তি থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লে¬খ করে সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় উল্লেখপূর্বক তা সংশোধনের জন্য সুযোগ প্রদান করতে হবে।
নিবন্ধন পূর্ব তদন্ত পরিচালনা:
২.১৮. আবেদন গ্রহণের পর স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন পূর্ব তদন্ত পরিচালনা করতে হবে। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ হিসেবে উপপরিচালক স্বয়ং অথবা তাঁর মনোনীত কোন কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ইউসিডি সমাজসেবা কর্মকর্তা তদন্তকার্য সম্পন্ন করবেন এবং ‘পরিশিষ্ট-৫’ এ বর্ণিত ছক অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বরাবর দাখিল করবেন;
নিবন্ধন প্রদান:
২.১৯. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধনের পর সনদ প্রদানের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত কতিপয় শর্ত সম্বলিত একটি অবগতিপত্র নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থাকে প্রদান করবেন ‘পরিশিষ্ট-৬’।
২.২০. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-সকম/প্রষ্ঠিান/বিবিধ-৮/৯৯(অংশ-১)-৯৬ তারিখ: ০১-৪-১৯৯৯ খ্রিঃ মূলে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অধ্যাদেশের ২(ঙ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে জেলা সীমা রেখার মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক;
২.২১. যে সকল জেলায় উপপরিচালক নেই সে সকল জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত/অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক বা সমাজসেবা অফিসারগণ অধ্যাদেশ মোতাবেক নিবন্ধন প্রদানসহ নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কার্যকরী কমিটি ও গঠনতন্ত্রও অনুমোদন করবে(পরিশিষ্ট-১২);
২.২২. নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ কোন সংস্থার নিবন্ধনের আবেদন প্রত্যাখান করলে সেক্ষেত্রে সংস্থা কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লি¬ষ্ট অধ্যাদেশের ৬ ধারা মোতাবেক সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বরাবরে আপীল করতে পারবে। সচিব,সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আদেশই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
৩. নিবন্ধন পরবর্তী সময়ে করণীয়:
৩.১. নিবন্ধন প্রদানের পর নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ অবশ্যই ‘পরিশিষ্ট-৭’ মোতাবেক সংস্থাসমূহের তথ্য সংরক্ষণ করবেন এবং ইতোমধ্যে যে সকল সংস্থা নিবন্ধিত হয়েছে তার রেকর্ডও একই পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
৩.২. প্রতিটি নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার জন্য আলাদা আলাদা নথি সংরক্ষণ করতে হবে;
৩.৩. প্রতি মাসের ০৭ (সাত) তারিখের মধ্যে সকল জেলার উপপরিচালকগণ সদর কার্যালয়ে ‘পরিশিষ্ট-৮’ মোতাবেক নন্ট্যাক্স রেভিনিউ হিসাবসহ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধনের প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন;
৩.৪. মাঠ পর্যায়ে উপপরিচালক, সহকারি পরিচালক, সমাজসেবা অফিসার(রেজিঃ), শহর সমাজসেবা অফিসার এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসারগণ প্রত্যেকে ১২-৪-১৯৯৮ তারিখে জারিকৃত পরিপত্র অনুযায়ী তাঁর আওতাভুক্ত এলাকার মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা/এতিমখানার কার্যক্রম পরিদর্শন করে নিয়মিত সদর দফতরে ‘পরিশিষ্ট-৯’ অনুযায়ী প্রতিবেদন পাঠাবেন। এ ছাড়া প্রতি মাসে সদর কার্যালয়ের পরিচালক(কার্যক্রম) ১টি, অতিরিক্ত পরিচালক(কার্যক্রম-১) ২টি এবং উপপরিচালক (নিবন্ধন) ৩টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (জাতীয়/স্থানীয়) পরিদর্শন করবেন;
৩.৫. নিবন্ধন গ্রহণের পর জেলা সদরে অবস্থিত সংস্থাসমূহকে নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে ‘সমন্বয় পরিষদের’ তালিকাভুক্ত(অভভরষরধঃবফ) হতে হবে এবং তালিকাভুক্তির পর প্রতিটি সংগঠনের ০২ দুই জন প্রতিনিধি উক্ত সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সদস্য হতে হবে।
৩.৬. “আর্থিক বৎসর ” বলিতে ১৮৯৭ সালের সাধারণ দফাসমূহ আইনে(১৮৯৭ সালের ১০নং আইন) প্রদত্ত একই অর্থ বুঝাইবে ;
৩.৭. সংশ্লিষ্ট বিধির ৯(গ) ধারা মতে আয়-ব্যয়ের হিসাব-যা প্রত্যেক আর্থিক বৎসরের শেষে প্রস্তুুত করতে হবে এবং রেজিষ্ট্রিকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত কোন সনদপ্রাপ্ত হিসাব পরীক্ষক বা হিসাব নিরীক্ষক বা হিসাব নিরীক্ষকগণ কর্তৃক নিরীক্ষিত হবে এবং আর্থিক বৎসর শেষ হওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে তা উক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে;
৩.৮. সংশ্লিষ্ট বিধির ৯(২) ধারা মতে সংস্থার নগদ টাকা বা ভান্ডার তত্ত্বাবধান বা পরিচালনার জন্য দায়িত্ব সম্পন্ন প্রত্যেক কর্মচারীকে উপযুক্ত আর্থিক সংগতি সম্পন্ন কোন বীমা কোম্পানীর নিকট হতে “সততা মুচলেকা” আকারে সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত পরিমান অর্থের একটি জামানত দিতে হবে এবং উক্ত মুচেেলকার একটি অনুলিপি রেজিস্ট্রিকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করতে হবে।
সংস্থার গঠনতন্ত্র ও কার্যকরী পরিষদ অনুমোদন :
৩.৯. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোন সংস্থার গঠনতন্ত্র আইনতঃ বৈধ বলে বিবেচিত হবে না। একইভাবে গঠনতন্ত্রের সংশোধনী আনা হলে তা নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কার্যকর হবে না।
৩.১০. কার্যকরী পরিষদের মেয়াদান্তে সংস্থার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন কার্যকরী কমিটি নির্বাচিত হবে।
৩.১১. একজন ব্যাক্তি সর্বোচ্চ ২টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কার্যকরি পরিষদের সদস্য হতে পারবেন;
৩.১২. সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থা নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদটি নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করবে। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোন কার্যকরী পরিষদ উক্ত সংস্থার বৈধ কার্যকরী পরিষদ হিসেবে বিবেচিত হবে না। নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অনুমোদনের জন্য সংশ্লি¬ষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে। সংস্থার বার্ষিক প্রতিবেদন, অডিট রিপোর্ট, নির্বাচন সংক্রান্ত কাগজপত্র সম্পর্কে সকল আপটুডেট তথ্য সন্তোষজনক বিবেচিত হলে এবং সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের আরোপিত শর্ত ভঙ্গ না করলে দাখিলকৃত কার্যকরী পরিষদ অনুমোদন দেয়া যাবে;
অনিয়মের জন্য করণীয় :
৩.১৩. কোন সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী কার্যক্রম তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লি¬ষ্ট অধ্যাদেশের ৯(১) ধারা মতে সংস্থাটির কার্যকরী কমিটি সাময়িক বরখাস্ত করতে হবে। এরপর অধ্যাদেশের ৯(২) ধারা মতে প্রশাসক/ অনধিক ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি তত্ত্বাবধায়ক বডি গঠন করতে হবে। পরবর্তীতে একই অধ্যাদেশের ৯(৩) ধারা মতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সরকার কর্তৃক গঠিত পর্ষদ সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কাগজপত্র প্রেরণ করতে হবে;
৩.১৪. কোন সংস্থা গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী অথবা এই অধ্যাদেশের বিধানাবলী বা তদধীন প্রণীত বিধিসমূহের পরিপন্থী, অথবা জনস্বার্থ বিরোধী কোন কাজ করলে এ বিষয়ে শুনানী গ্রহণ করে বিলুপ্তির জন্য অধ্যাদেশের ১০ ধারা মতে প্রস্তাব প্রেরণ করতে হবে।
সংস্থার কার্যএলাকা সম্প্রসারণ :
৩.১৫. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধনের পর একাধিক জেলায় কার্যএলাকা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয়তা কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকের মাধ্যমে ‘পরিশিষ্ট-১০’ অনুযায়ী মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতরের নিকট আবেদন করতে পারবে; তবে জনস্বার্থে কোন সংস্থার কার্যএলাকা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয় প্রতীয়মান হলে মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতর বিশেষ বিবেচনায় উক্ত সংস্থাকে এক বা একাধিক জেলায় কার্যএলাকা সম্প্রসারণের অনুমতি দিতে পারবেন;
৩.১৬. একাধিক জেলায় কার্যক্রম সম্প্রসারণের অনুমতি প্রাপ্ত বা জাতীয়ভাবে স্বীকৃত স্বে”চ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটি অনুমোদন ও গঠনতন্ত্র সংশোধন, ডুপ্লিকেট সনদপত্র প্রদানসহ অন্যান্য বিষয় সংশ্লিষ্ট জেলার উপপরিচালক (যে জেলা হতে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধন প্রাপ্ত) পরীক্ষান্তে মতামতসহ অনুমোদনের জন্য সদর কার্যালয়ে প্রেরণ করবেন;
ডুপ্লি¬কেট সনদপত্র ইস্যু :
৩.১৭. নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নিবন্ধন সনদপত্র হারিয়ে/পুড়ে/নষ্ট হয়ে গেলে নির্ধারিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে (স্থানীয় থানায় জিডি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ও ট্রেজারী চালানসহ সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে) প্রতিরূপ(ডুপ্লি¬কেট) সনদপত্র জারি করতে পারবেন।
৪. গৃহীতব্য পদক্ষেপ ও সময়সীমা :
আবেদন প্রাপ্তির পর উপযুক্ত সংস্থাকে ‘পরিশিষ্ট-১১’ অনুযায়ী নিবন্ধন প্রদানের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াা সম্পন্ন করতে হবে। উক্ত সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য সংশ্লি¬ষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হল।
৫. স্পষ্টীকরণ:
এই পরিপত্রে প্রদত্ত নীতিমালা/ দিক নির্দেশনার কোন বিষয়ে স্পষ্টীকরণ বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে সমাজসেবা অধিদফতরের নিবন্ধন শাখায় যোগাযোগ করা যেতে পারে। নিবন্ধন শাখার ফোন নং ৯১৩ ৮০ ৩৪।
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহের নিবন্ধন প্রদানের ক্ষেত্রে এই পরিপত্রে বর্ণিত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষভাবে অনুরাধ করা হল।
সংস্থার নামের ছাড়পত্রের জন্য আবেদনের নমুনা
প্রস্তাবিত সংস্থার সভাপতির
দুই কপি ছবি
(১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত) প্রস্তাবিত সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের
দুই কপি ছবি (১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত)
বরাবর
উপপরিচালক
জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়
............................. জেলা
বিষয়: স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা/প্রতিষ্ঠান/সংগঠন নিবন্ধনের জন্য নামের ছাড়পত্রের আবেদন।
মহোদয়,
আমরা কতিপয় নাগরিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি অলাভজনক ও অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে সমাজকল্যাণ/জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে ইচ্ছুক। তৎপ্রেক্ষিতে ১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশের আওতায় নিবন্ধনের জন্য আবেদন করছি। উল্লেখ্য যে, প্রস্তাবিত সংস্থাটি অন্য কোন দফতর হতে নিবন্ধিত নয়।
নিম্নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিনটি নাম প্রস্তাব করা হল:
১)
২)
৩)
উল্লি¬খিত তিনটি নামের মধ্যে যে কোন একটি নামে সংস্থা প্রতিষ্ঠার ছাড়পত্র প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি।
সংযুক্ত:
ক) প্রস্তাবিত সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দুই কপি করে সত্যায়িত ছবি।
খ) প্রস্তাবিত সংস্থার নামকরণ সংক্রান্ত সভার সত্যায়িত কার্যবিবরণী।
গ) প্রস্তাবিত সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
(স্বাক্ষর)
সাধারণ সম্পাদক
নাম:....................................................
ঠিকানা:................................................
ফোন/ মোবাইল নম্বর:...............................
জাতীয় পরিচয়পত্র নং-............................
(স্বাক্ষর)
সভাপতি
নাম:.........................................................
ঠিকানা:.....................................................
ফোন/ মোবাইল নম্বর:.....................................
জাতীয় পরিচয়পত্র নং-............................
নামের ছাড়পত্র প্রদানের নমুনাপত্র
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সমাজসেবা অধিদফতর
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়
.................................
বিষয়: স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা/প্রতিষ্ঠান/সংগঠন নিবন্ধনের জন্য নামের ছাড়পত্র।
সূত্র : তাঁর ........................................ খ্রিঃ তারিখের আবেদন।
উপর্যুক্ত বিষয়ে তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, ১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশের আওতায় তফসিলে বর্ণিত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনা সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত শর্ত মোতাবেক নং‘...................................’ নামে আপনার প্রস্তাবিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রতিষ্ঠায় এ কার্যালয়ের কোন আপত্তি নেই।
১) ছাড়পত্র কোন সংস্থার নিবন্ধন নয় বিধায়, নামের ছাড়পত্রের স্মারক নম্বর নিবন্ধন নম্বর হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না;
২) নামের ছাড়পত্র অস্থায়ী হিসেবে বিবেচিত হবে, কোন আপত্তি উত্থাপিত হলে কোন কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে নামের ছাড়পত্র বাতিল করা যাবে;
৩) অনুমোদিত নামে পত্র জারি হবার ৪৫ (পঁয়তালি¬শ) দিনের মধ্যে চেকলিস্ট মোতাবেক কাগজপত্র ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র এ কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে;
৪) সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত অধ্যাদেশের নং তফসিলে বর্ণিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রমের বাইরে কোন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবেনা;
৫) মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির অনুমতি ব্যতীত সঞ্চয় বা ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না;
৬) প্রত্যেক সাধারণ সদস্যের জন্য আলাদা ভর্তি ফরম (পাসপোর্ট আকারের ছবিসহ) সংস্থার কার্যালয়ের নথিতে সংরক্ষণ করতে হবে।
(নাম:..............................)
নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ
ও
উপপরিচালক
জনাব/বেগম ..............................
..............................................
..............................................
অনুলিপি জ্ঞাতার্থে:
০১. মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতর, ঢাকা।
০২. জেলা প্রশাসক, ..........
০৩. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ...................................................।
০৪. উপজেলা/শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা ........................................।
নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চেকলিস্ট
প্রস্তাবিত সংস্থার নামের ছাড়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি ১ কপি
পূরণকৃত ‘বি’ ফরম (ফরম জেলা সমাজসেবা কার্যালয় হতে বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যাবে)-১ কপি
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা, সেগুনবাগিচা, ঢাকা কর্তৃক নিরাপত্তা ছাড়পত্র;
১-২৯৩১-০০০০-১৮৩৬ কোডে জমাকৃত ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকার ট্রেজারী চালান রশিদ-১ কপি
সংস্থার গঠনতন্ত্রের (প্রতি পৃষ্ঠায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সীলসহ স্বাক্ষরযুক্ত) মূল কপি-৩ সেট
কার্যকরী পরিষদ ও গঠনতন্ত্র অনুমোদন সংক্রান্ত সভার কার্যবিররণী (প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত)-১ কপি;
কার্যকরী পরিষদ গঠন ও সদস্যদের নাম, পদবী, পেশা, ঠিকানাসম্বলিত (স্থায়ী ও বর্তমান) ও নিজ স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা-১ কপি
প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ প্রত্যেকের ছবি ১ কপি করে মোট-৩ কপি ছবি;
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক প্রত্যায়িত সাধারণ সদস্যদের নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, স্বামীর নাম (বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে), পেশা, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং নিজ স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা-১ কপি;
সংস্থার কর্মসূচি (কার্যক্রম বাস্তবায়ন পদ্ধতিসহ) আলাদা কাগজে ১ কপি করে মোট-২ কপি।
সংস্থার কার্যালয়ের মূল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি (নিজস্ব জমি থাকলে) অথবা ৩০০ (তিনশত) টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে কার্যালয় ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি (নিজস্ব জমি না থাকলে) জমা দিতে হবে;
বেসরকারি এতিমখানার ক্ষেত্রে ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীভুক্ত পৌরএলাকা/ ইউনিয়ন পর্যায়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫(পাঁচ) শতক জমির দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে;
প্রতিষ্ঠানের/ সংস্থার আসবাবপত্রের তালিকা (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরযুক্ত)-১ কপি;
প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস সম্পর্কিত বিবরণী;
প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের বাজেট (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরযুক্ত)-১ কপি;
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর সুপারিশপত্র-১ কপি;
কার্যকরী পরিষদের সদস্যগণ একই পরিবারের সদস্য নন মর্মে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরযুক্ত প্রত্যয়ন পত্র-১ কপি;
এক্সিকিউটিভ বডির সদস্যগণ সংস্থায় চাকুরী করেন না মর্মে প্রত্যয়ন পত্র।
সংস্থার নমুনা গঠনতন্ত্র
ভূমিকা:
প্রতিষ্ঠানের নাম:
সংস্থার কার্যক্রমের আওতাভুক্ত এলাকা:
.............. জেলাব্যাপী :
প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা (স্থায়ী ও বর্তমান) :
বাড়ি নং: ................ গ্রাম/সড়ক: ........................ পো: ........................ওয়ার্ড নং-................ উপজেলা/থানা:........................ পোস্ট কোড:.................... জেলা:...................................
প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (বিস্তারিতভাবে): অধ্যাদেশের ২(চ) ধারায় বর্ণিত কার্যক্রমসমূহের আলোকে।
সদস্য পদ:
(ক) সদস্য পদের জন্য যোগ্যতা;
(খ) সদস্য পদের শ্রেণী বিভাগ এবং প্রাপ্তির শর্তাদি ও প্রদেয় চাঁদা;
(গ) সদস্য গ্রহণ পদ্ধতি;
(ঘ) বিভিন্ন শ্রেণীর সদস্যদের অধিকার ও সুবিধাদি;
(ঙ) যুক্তি সংগত কারণে সদস্য পদ বাতিল বা সাময়িকভাবে স্থগিতকরণ যেমন- চাঁদা না দেয়া, সভায় উপস্থিত না হওয়া এবং সংস্থার স্বার্থের পরিপন্থী আচরণ করা (১৯৬২এর বিধি অনুসরণ করতে হবে);
(চ) সাময়িকভাবে স্থগিত বা বাতিলকৃত সদস্য পদ পুনর্বহাল বা পুনর্গঠন পদ্ধতি;
শাখা (যদি থাকে): শাখার অধিকার, সুবিধাদি, দায়িত্ব ও অনুমোদন স্থগিত বা প্রত্যাহার পদ্ধতি ;
সাংগঠনিক কাঠামো: প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি যেমন-সাধারণ পরিষদ, কার্যকরী পরিষদ (২ বছরের জন্য নির্বাচিত) ইত্যাদি পদবী উল্লে¬খসহ দায়িত্ব, কর্তব্য ও ক্ষমতা বিস্তারিতভাবে উল্লে¬খ করতে হবে;
সভা: বিভিন্ন ধরনের সভা আহ্বান পদ্ধতি, সভার নোটিশের মেয়াদ, বিভিন্ন সভার জন্য কোরাম; সাধারণ সভা কমপক্ষে ১৫ দিনের নোটিশে, কার্যকরী কমিটির সভা ৭ দিনের নোটিশে, সাধারণ পরিষদের জরুরি সভা ৭ দিনের নোটিশে, কার্যকরী পরিষদের জরুরি সভা ৩ দিনের নোটিশে এবং মুলতবী সভা সর্বোচ্চ ৩ দিনের নোটিশে আহবান করতে হবে। সাধারণ ও কার্যকরী পরিষদের সভা সংখ্যাগরিষ্ঠের উপস্থিতিতে কোরাম হবে;
কার্যকরী কমিটির নির্বাচন পদ্ধতি;
বাজেট ব্যবস্থাপনা:
ড় সরকার অনুমোদিত যে কোন ব্যাংকে সংস্থার নামে চলতি/ সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে; হিসাবটি সংস্থার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ যে কোন ২ জনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে;
ড় কার্যকরী কমিটির অনুমোদন ছাড়া অর্থ ব্যয় করা যাবে না, সাধারণ সভায় পরবর্তীতে ব্যয়ের অনুমোদন নিতে হবে; প্রত্যেক মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায় অনুমোদন করতে হবে। বৎসর শেষে সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ সভায় উপস্থাপন করতে হবে।
ড় সংস্থা হিসাব নিরীক্ষা পদ্ধতি সংশ্লি¬ষ্ট বিধির ৯ ধারা মতে ব্যাখ্যা থাকবে;
সংস্থার জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগবিধি থাকতে হবে এবং লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের অবহিত করার বিধান থাকতে হবে;
নিবন্ধিত সংস্থা অধ্যাদেশের আলোকে স্বেচ্ছায় বিলুপ্তির বিধান থাকতে হবে;
অধ্যাদেশের আলোকে সংস্থার গঠনতন্ত্র সংশোধনের বিধান রাখতে হবে;
গঠনতন্ত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রে ১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশ এবং ১৯৬২ সালের বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
এক্সিকিউটিভ বডিতে সংস্থায় চাকুরীরত কোন সদস্য থাকতে পারবেন না ।
নিবন্ধনের পূর্ব তদন্ত প্রতিবেদনের নমুনা
১৯৬২ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) বিধির আলোকে স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা নিবন্ধনের জন্য ৫ ধারা মতে সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন:
০১. আবেদনকারী সংস্থার নাম ও ঠিকানা:
০১. পরিদর্শনের তারিখ:
০২. স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রতিষ্ঠার তারিখ:
০৩. নামকরণ সংক্রান্ত সভার তারিখ:
০৪. গঠনতন্ত্র অনুমোদনের সভার তারিখ:
০৫. পরিচালনা পরিষদ গঠনের তারিখ:
০৬. সাধারণ সদস্য সংখ্যা:
০৭. কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যা:
ক্রঃনং সদস্যের নাম পিতা/স্বামীর নাম মাতার নাম বয়স শিক্ষাগত যোগ্যতা পেশা সদস্যপদ লাভের
তারিখ বর্তমান/ স্থায়ী
ঠিকানা মন্তব্য
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ ১০
০৮. সাধারণ পরিষদ সর্বশেষ সভার তারিখ ও সংখ্যা:
০৯. কার্যকরী পরিষদের সর্বশেষ সভার তারিখ ও সংখ্যা :
১০. সংস্থাটি অরাজনৈতিক কী না?
১১. সমাজের সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে কী না?
১২. স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর তফসিল এ বর্ণিত কার্যাবলির সাথে সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ সম্যঞ্জস্যপূর্ণ কী না?
১৩. সংস্থার গঠনতন্ত্র বিধি মোতাবেক তৈরী করা হয়েছে কী না?
১৪. অন্য কোন আইনে সংস্থাটির নিবন্ধন আছে কী না?
১৫. সংস্থার কার্যএলাকা:
১৬. সংস্থার স্থাবর/ অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণী:
১৭. সংস্থাটি নিজস্ব জমিতে নাকি ভাড়া বাড়ীতে:
১৮. সংস্থার নামের সাইন বোর্ড আছে কী না?
১৯. সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোন প্রকল্প আছে কী না?
২০. সংস্থার তহবিলের বিবরণ (আয়ের উৎসসহ ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য):
২১. সংস্থার কোন সাধারন সদস্য সংস্থায় কর্মরত কিনা, থাকলে বেতনভূক্ত বা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কী না?
২২. প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের নাম, পিতা/স্বামীর নাম, পেশা, ঠিকানা:
২৩. সংস্থার জনবল:
২৪. বাজেট:
২৫. বিভিন্ন রেকর্ডপত্র, যেমন: সভার কার্যবিবরণী বহি, সভার নোটিশ বহি, চাঁদা/অনুদান গ্রহণের রশিদ বহি/ক্যাশ বহি, সদস্য রেজিস্টার, কার্যক্রম রেজিস্টার, স্টক বহি, ইত্যাদি যথানিয়মে সংরক্ষণ হয় কিনা?
২৬. গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভা অনুষ্ঠান করা হয় কি না?
২৭. গঠনতন্ত্র মোতাবেক সভার কার্যক্রম পরিচালিত হয় কি না?
২৮. কার্যএলাকায় অন্য কোন নিবন্ধিত সংস্থা আছে কি না? থাকলে উক্ত সংস্থার কার্যক্রমের সাথে সংঘাত/ডুপ্লিকেশন হবে কি না?
২৯. ব্যাংক হিসাব:
৩০. এক্সিকিউটিভ বডি এর কোন সদস্য সংস্থায় চাকুরী করে কি না?
৩১. এক্সিকিউটিভ বডিতে একই পরিবারের একাধিক সদস্য আছে কি না?
৩২. সংস্থায় পরিচালিত কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণসহ(পৃথক কাগজে) উপকৃতের সংখ্যা:
৩৩. এতিমখানার ক্ষেত্রে:
৩৪ (১) প্রতিষ্ঠানের জমির পরিমাণ ও প্রাপ্তির উৎস:
৩৪ (২) এতিম নিবাসী সম্পর্কে নিম্নের ছকে তথ্য প্রদান করতে হবে।
ক্রঃনং এতিমের নাম বয়স পিতা/মাতার নাম স্থায়ী ঠিকানা পিতা/মাতার মৃত্যুর তারিখ এতিমখানায় ভর্তির
তারিখ পরিবেশ সংক্রান্ত
মন্তব্য
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮
৩৪ (৩) এতিমখানার কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিবরণ:
ক্রমিক কর্মকর্তা/কর্মচারীর নাম পদবী শিক্ষাগত যোগ্যতা জন্ম তারিখ বেতন
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬
৩৫. এতিমখানার ক্ষেত্রে নিবাসীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে তথ্য :
৩৬. সংস্থাটির নিবন্ধন প্রদান সংক্রান্ত তদন্ত কর্মকর্তার সুস্পষ্ট মতামত:
নিবন্ধন প্রদান নমুনাপত্র
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
জেলা সমাজসেবা কার্যলয়
.......................
স্মারক নং সসেঅদ/........................................................................ তারিখ:
বিষয়: “১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) ৪৬ নং অধ্যাদেশ” এর অধীনে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন প্রসংগে।
এতদ্বারা জানানো যাচ্ছে যে, আপনার ................. তারিখের আবেদনের প্রেক্ষিতে ‘........................’ সংস্থাকে “১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) ৪৬ নং অধ্যাদেশ” এর অধীনে .................খ্রিষ্টাব্দ তারিখে নিবন্ধন নং .............. সংখ্যা অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে নিবন্ধন সনদ করা হল:
১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) ৪৬ নং অধ্যাদেশ এবং এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধি ও অনুমোদিত গঠনতন্ত্র মেনে চলতে হবে;
নিয়মিত বার্ষিক রিপোর্ট ও হিসাব নিরীক্ষা প্রতিবেদন সংশ্লি¬ষ্ট বিধির ৯ ও ১০ ধারামতে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে;
নিবন্ধন সনদ প্রাপ্তির তারিখ হতে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে এবং কাজ শুরুর ১৫(পনর) দিনের মধ্যে তা রেজিষ্ট্রিকরণ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে;
মহাপরিচালক,সমাজসেবা অধিদফতর, ঢাকার অনুমতি ব্যতীত অত্র জেলার বাইরে অত্র সংস্থার কোন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না;
নিবন্ধনের সময় দাখিলকৃত এবং অনুমোদিত কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে ও গঠনতন্ত্রের কোন সংশোধন বা পরিমার্জন হলে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে;
নিবন্ধন সনদ পত্রে যে নামকরণ আছে তা ব্যতীত অন্য কোন ভাবে বা সংক্ষিপ্ত আকারে নাম ব্যবহার করা যাবে না। নামের সাথে অবশ্যই নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করতে হবে এবং ঠিকানা পরিবর্তনের ০৭(সাত) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে উপপরিচালককে অবহিত করতে হবে;
নিবন্ধনের পর ৩০ দিনের মধ্যে সংস্থার নামে ব্যাংক একাউন্ট খুলে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে;
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির অনুমতি ব্যতীত সঞ্চয়/ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না;
নিবন্ধন সনদের অপর পৃষ্ঠায় বর্ণিত নির্দেশাবলী অবশ্যই পালন করতে হবে;
নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে জারিকৃত শর্ত বা ও দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে।
উল্লিখিত কোন শর্ত ভংগকারী সংস্থার বিরুদ্ধে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ যে কোন ব্যবস্থা নিতে পারবে।
(নাম-..........................)
নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ
ও
উপপরিচালক
সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক
................................
অনুলিপি জ্ঞাতার্থে:
০১. মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতর, ঢাকা।
০২. জেলা প্রশাসক, ......................................।
০৩. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা...........................।
০৪. উপজেলা/শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা...........................।
নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার রেজিস্টারের নমুনা
লিপিবদ্ধ করার তারিখ সংস্থার নাম ও ঠিকানা নিবন্ধন নম্বর নিবন্ধনের তারিখ
১ ২ ৩ ৪
সংস্থা স্থাপনের তারিখ সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ সংস্থার কার্যএলাকা যে ব্যাংক বা ব্যাংকসমূহে তহবিল জমা রাখা হয়েছে ব্যাংকের (নাম ও হিসাব নম্বর)
৫ ৬ ৭ ৮
প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের বিস্তারিত বিবরণ
নাম পিতা/স্বামীর নাম পেশা ঠিকানা
৯ ১০ ১১ ১২
কার্যকরী পরিষদের সদস্য (কর্মকর্তাগণের) বিস্তারিত বিবরণ মন্তব্য
নাম পিতা/স্বামীর নাম পদের নাম ঠিকানা
১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ১৭
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদন
জেলা:......................................... মাস: .................................. সন:....................
পূর্ববর্তী মাস পর্যন্ত নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার মোট সংখ্যা: ................................ টি
প্রতিবেদন মাসে নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার মোট সংখ্যা: ................................... টি
সর্বমোট নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার সংখ্যা:.....................................................টি
সর্বমোট নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার মধ্যে বেসরকারি এতিমখানার সংখ্যা:.................টি
ক্রমিক প্রতিবেদন মাসে নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থার নাম ও ঠিকানা নিবন্ধন নম্বর নিবন্ধনের তারিখ সাধারণ পরিষদের সদস্য সংখ্যা কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যা
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬
বেতনভুক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারীর সংখ্যা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থার হিসাব পরিচালনাকারী ব্যাংকের নাম সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থার ব্যাংক হিসাবের ধরণ ও নম্বর নিবন্ধনকালীন ব্যাংক স্থিতি (টাকায়)
৭ ৮ ৯ ১০
নন ট্যাক্স রেভিনিউ খাতে জমাকৃত পরিমান (টাকায়) সংস্থার প্রধান কর্মসূচি/ কার্যক্রমের নাম নিবন্ধন রেজিস্ট্রারে সংস্থার নাম বিধি অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে কিনা?
১১ ১২ ১৩
পরিদর্শন প্রতিবেদন নমুনা
১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশের ৭ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ও সংশ্লি¬ষ্ট বিধির ৯ ও ১০ ধারা মতে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা/এতিমখানা পরিদর্শন করতে পারে।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা/এতিমখানা কর্মসূচির পরিদর্শন প্রতিবেদন ছক:
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম:
সংস্থার ঠিকানা, নিবন্ধন নম্বর ও তারিখ:
সংস্থার পরিদর্শন বহি:
পরিদর্শনের তারিখ:
পূর্বপরিদর্শনের তারিখ:
সংস্থার জনবল(কর্মকর্তা ও কর্মচারি বিবরণ):
সংস্থার চলমান কার্যক্রমসমূহ:
সংস্থার আয়ের উৎস ও ব্যয়ের খাত:
সংস্থার বাজেট:
সংস্থার ক্যাশবই, খতিয়ান ও রশিদপত্র:
সংস্থার অডিট সংশ্লি¬ষ্ট বিধি ও গঠনতন্ত্র মতে হয় কী না?
সংস্থার সদস্যদের তথ্য সম্বলিত রেজিস্টার:
সংস্থার রেজুলেশন বহি :
কার্যকরী পরিষদের অনুমোদন:
সাধারণ পরিষদ ও কার্যকরী পরিষদের সর্বশেষ সভার সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন :
সংস্থাটি অরাজনৈতিক কী না?
সংস্থার কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের জনগণ উপকৃত হচ্ছে কী না?
অন্য কোন আইনে সংস্থাটির নিবন্ধন আছে কী না?
সংস্থার কার্যএলাকা:
সংস্থার স্থাবর/ অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণী:
সংস্থাটি নিজস্ব জমিতে নাকি ভাড়া বাড়ীতে:
সংস্থার নামের সাইন বোর্ড আছে কী না?
সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোন প্রকল্প আছে কী না?
সংস্থাটির কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রাপ্ত অর্থের বিস্তারিত বিবরণ:
সংস্থার কোন সদস্য সংস্থায় কর্মরত কী না? থাকলে বেতনভূক্ত বা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কী না?
প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের নাম, পিতা/স্বামীর নাম, পেশা, ঠিকানা:
সংস্থার তহবিল জমা রাখার ব্যাংক/ ব্যাংকসমূহের নাম, হিসাব নম্বর, হিসাবের ধরণ ও
প্রত্যেক হিসাবের বর্তমান ব্যাংক স্থিতি:
এতিমখানার ক্ষেত্রে:
(ক) প্রতিষ্ঠানের জমির পরিমান ও প্রাপ্তির উৎস:
(খ) এতিম নিবাসী (শুধুমাত্র ক্যাপিটেশনগ্রান্ট প্রাপ্ত এতিমদের) তথ্য:
ক্রঃনং এতিমের নাম বয়স পিতা/ মাতার নাম স্থায়ী ঠিকানা এতিমখানায় ভর্তির তারিখ মন্তব্য
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭
(গ) এতিমখানার কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিবরণ:
ক্রমিক কর্মকর্তা/ কর্মচারীর নাম পদবী শিক্ষগত যোগ্যতা জন্ম তারিখ বেতন
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬
এতিমখানার পরিবেশ, স্যানিটেশন, শিক্ষা, খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ এবং গ্রন্থাগার ইত্যাদি সম্পর্কে মন্তব্য :
সংস্থাটির পরিদর্শনকারী কর্মকর্তার মন্তব্য (বিস্তারিত) :
সংস্থার কার্যএলাকা সম্প্রসারণের নিয়মাবলী ও চেকলিস্ট
নিয়মাবলী:
১. কার্যএলাকা সম্প্রসারণের আবেদনপত্র সংশ্লি¬ষ্ট নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে (যে জেলায় প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত) মহাপরিচালক, সমাজসেবা অধিদফতরের বরাবরে প্রেরণ করতে হবে।
২. এক সাথে ৫টি জেলার বেশি কার্যএলাকা সম্প্রসারণের জন্য আবেদন করা যাবে না;
৩. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত গঠনতন্ত্রে কার্যএলাকা সম্প্রসারণের বিধান থাকতে হবে;
৪. নিবন্ধন লাভের এক বছর পর সংবিধানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য অনুযায়ী সন্তোষজনকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার পর সম্প্রসারণের আবেদন করা যাবে;
াকতে হবে এ বিষয়ে ব্যাংক হিসাব বিবরণী (ব্যাংক ম্যানেজার কর্তৃক প্রদেয়)-০১ কপি দাখিল করতে হবে;
৬. জেলার উপপরিচালক প্রদত্ত সন্তোষজনক কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়ন সন্তোষজনক মর্মে প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
৭. কোন সংস্থা প্রাথমিক সম্প্রসারণের পর দ্বিতীয় দফায় সম্প্রসারণের আবেদন করলে পূর্বের সম্প্রসারিত জেলা/জেলাসমূহের কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালকগণের প্রতিবেদন ও সুপারিশ থাকতে হবে।
চেকলিস্ট:
কার্যএলাকা সম্প্রসারণ সংক্রান্ত আবেদন পত্রের সাথে নিম্ন বর্ণিত কাগজ পত্রাদি দাখিল করতে হবে
ক. নিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি- ০১ কপি;
খ. সাধারণ সভার কার্যবিবরণী (সংস্থার কার্যএলাকা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত);
গ. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের সত্যায়িত অনুলিপি-০১ কপি;
ঘ. নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত কার্যকরী কমিটির তালিকার সত্যায়িত অনুলিপি -০১ কপি;
ঙ. বর্তমান কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ (উপকৃতের সংখ্যাসহ তালিকা) -০১ কপি;
চ. সাধারণ সদস্যদের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, পেশা, স্বাক্ষরসহ তালিকা -০১ কপি;
ছ. সংস্থার কর্মকর্তা/ কর্মচারীর বিবরণ (নাম, পদবী ও বেতন সম্বলিত) তালিকা -০১ কপি;
জ. এক বছরের সম্ভাব্য বাজেট -০১ কপি(কার্যক্রম ভিত্তিক);
ঝ. তিন বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন- মোট ৩ কপি
ঞ. অডিট ফার্ম দ্বারা সম্পাদিত সর্বশেষ তিন বছরের অডিট রিপোর্ট - মোট ০৩ কপি;
ট. সম্প্রসারিত এলাকায় উপকমিটি গঠন ও কেদ্রীয় কমিটির সাথে যোগাযোগ, তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্পর্কিত তথ্যাদির বিবরণ -০১ কপি।
ঠ. দাতা গোষ্ঠীর প্রতিশ্রুতি পত্র (যদি থাকে) -০১ কপি;
ড. আবেদনকারী সংস্থাটি কোন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি বা শর্ত ভঙ্গ করে নাই মর্মে অংগীকার নামা।
পরিশিষ্ট-১১
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধন সংক্রান্ত কার্যাবলীর সময়সীমা
ক্রমিক গৃহীতব্য পদক্ষেপসমূহ দায়িত্ব সময়সীমা
১. অসম্পূর্ণ নামের ছাড়পত্র আবেদন সংশোধনী/ প্রত্যাখ্যানের পত্র সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে প্রদান উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় আবেদন প্রাপ্তির পর ১০ কর্ম দিবস
২. সংস্থার নামের ছাড়পত্র প্রদান উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রাপ্তির পর ১৫ কর্ম দিবস
৩. অসম্পূর্ণ নিবন্ধন আবেদন সংশোধনীর জন্য সংশ্লি¬ষ্ট সংস্থাকে পত্র প্রদান উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় আবেদন প্রাপ্তির পর ১০ কর্ম দিবস
৪. নিবন্ধন সংক্রান্ত আবেদন তদন্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রাপ্তির পর ৭ কর্ম দিবস
৫. তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত পরিচালনা তদন্ত কর্মকর্তা নির্দেশনা প্রাপ্তির পর ১০ কর্মদিবসের মধ্যে
৬. তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত কার্য সম্পাদনের ৭ কর্মদিবসের মধ্যে
৭. নিবন্ধন প্রদান উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রাপ্তির পর ২০ কর্ম দিবস
৮. সংস্থার কার্যকরী কমিটি অনুমোদন আবেদন উপপরিচালকের নিকট প্রেরণ উপজেলা সমাজসেবা অফিসার পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রাপ্তির পর ৭ কর্ম দিবস
৯. সংস্থার কার্যকরী কমিটি / গঠনতন্ত্র অনুমোদন (স্থানীয়) উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় উপজেলা/ শহর সমাজসেবা কার্যালয় এর মাধ্যমে আবেদন প্রাপ্তির পর ১০ কর্ম দিবস
১০. সংস্থার কার্যকরী কমিটি / গঠনতন্ত্র অনুমোদন (জাতীয়/একাধিক জেলায় কার্যক্রমের অনুমতি প্রাপ্ত) সদর দপ্তর জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এর মাধ্যমে আবেদন প্রাপ্তির পর ২০ কর্ম দিবস
পরিশিষ্ট-১২(ক)
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কমিটি অনুমোদন সংক্রান্ত কাগজপত্রের চেকলিষ্ট:
১) সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত
২) বিগত ২ বছরের অডিট রিপোর্ট;
৩) বিগত ১ বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন
৪) কার্যএলাকা সম্প্রসারণের আদেশের অনুলিপি;
৫) গত অনুমোদিত কমিটির তালিকা/অনুলিপি;
৬) অধিদফতর থেকে নিবন্ধন সনদ অনুলিপি;
৭) এম আর এ সনদ অনুলিপি(যদি থাকে);
৮) ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনা (যদি থাকে) সংক্রান্ত অঙ্গীকারনামা;
৯) সরকারের কোন দপ্তরের সাথে চুক্তিভঙ্গ করেনি মর্মে প্রত্যয়নপত্র;
১০) নির্বাচন সংক্রান্ত সকল ডকুমেন্ট;
১১) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত ফলাফল;
১২) নির্বাচনী বিষয়ে কোন অভিযোগ নেই মর্মে প্রত্যয়নপত্র;
১৩) একই পরিবারভুক্ত বা পরস্পর আত্মীয় সদস্যদের নিয়ে কমিটি গঠন হয়নি মর্মে প্রত্যয়নপত্র।
১৪) কার্যকরী কমিটির সদস্যগণ সংস্থায় চাকুরী করেন না মর্মে প্রত্যয়নপত্র।
১৫) সংস্থার নির্বাচনের সময় নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
১৬) একাধিক জেলায় সম্প্রসারিত সংস্থার গঠনতন্ত্র সংশোধন ও কমিটি অনুমোদন সমাজসেবা অধিদফতর হতে গ্রহণ করতে হবে ।
১৭) এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ০৫টি সমাজসেবা কর্র্তৃক নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পদ গ্রহণ করতে পারবে।
পরিশিষ্ট-১২(খ)
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার গঠনতন্ত্র সংশোধনী অনুমোদন সংক্রান্ত কাগজপত্রের চেকলিস্ট:
১) সংস্থার নাম ও ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে;
২) সাধারণ সদস্যদের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে মর্মে সাধারণ সভার রেজুলেশন;
৩) গঠনতন্ত্র সংশোধনের যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করতে হবে;
৪) অধ্যাদেশ ও বিধি সম্মত গঠনতন্ত্র সংশোধন করতে হবে;
ফরম “বি”
নিবন্ধিকরন কর্তৃপক্ষ
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ
সমাজসেবা অধিদফতর
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়
............................।
জনাব,
আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীগণ, ১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (রেজিষ্ট্রিকরণ ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ (১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশ) এর বিধানাবলী মোতাবেক একটি সংস্থা স্থাপনের প্রস্তাব করিতেছি।
প্রস্তাবিত সংস্থার বিবরণ নিম্নে দেওয়া হইল ঃ
০১. সংস্থার নাম..................................................................................................
০২. সংস্থার ঠিকানা-
গ্রাম/মহল¬া ঃ............................................বাড়ী নং-..........................................
রোড নং............................ওয়ার্ড নং............................ডাকঘর..........................
পোঃ কোডঃ ........................থানা...........................উপজেলা.............................
জেলা .........................................।
০৩. সংস্থার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ..................................................................................
(সংস্থা কর্তৃক গৃহীত বর্তমান চালু কার্যক্রমের অথবা ভবিষ্যতের গ্রহণযোগ্য কার্যক্রমের ভিত্তিতে উলে¬খ করতে হবে)।
০৪. সংস্থার কার্যক্রমের সীমানা/পরিধি .......................................................................
...............................................................................................................
(স্থানীয় এলাকা, গ্রাম,ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সংস্থার বিবরণ উলে¬খ করতে হবে)।
০৫ কার্য পরিচালনা প্রকল্প(সংস্থা স্থাপনের জন্য গৃহীতব্য ব্যবস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়া প্রয়োজনবোধে স্থান, যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও সরঞ্জামাদি সম্পর্কে একটি পৃথক পৃষ্ঠা সংযুক্ত করা যাইবে)।
০৬. কি প্রকারে অর্থের সংস্থান করা হবে।
০৭. প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের নাম, পদবী, পেশা ও ঠিকানা ঃ
ক্রমিক নাম পদবী পেশা ঠিকানা
চলমান পাতা/১
০৮. সংস্থার তহবিল জমা রাখিবার জন্য ব্যাংক বা ব্যাংকসমূহের নাম ।
অনুরোধ করা যাইতেছে যে, পূর্ববর্ণিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী সংস্থাটি রেজিস্ট্রি করা হউক। আমরা অঙ্গিকার করিতেছে যে, সংস্থার কর্মকর্তাগণের কোন রদ-বদল হইলে তাহা রদ-বদলের ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে অবহিত করিব।
৫০০০/ টাকার ট্রেজারী চালান ও সংশ্লিষ্ট গঠনতন্ত্রের একটি অনুলিপি ইহার সঙ্গে সংযুক্ত করা হইল।
আমরা এই মর্মে প্রত্যায়ন করিতেছি যে, উপরিউক্ত তথ্য নির্ভুল।
(সকল প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য নিম্নে স্বাক্ষর করিবেন)।
আপনার বিশ্বস্ত,
সাক্ষীগণের নাম(পূর্ণ) ঠিকানা ও স্বাক্ষরসহ
ক্রমিক নাম পদবী পেশা ঠিকানা
খবর বিভাগঃ
নিবন্ধন সংক্রান্ত