ভুমিহীন,ছিন্নমূল, হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অবহেলিত, মানুষের কল্যানে
এগিয়ে চলাঃ বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি দারিদ্র পিরীত দেশ। এদেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোক
দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। বাংলাদেশ স্বাধীন, স্বার্বভৌম, গণতান্ত্রিক, উন্নয়নশীল
একটি দেশ। এদেশের অধিকাংশ লোকের স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো জায়গা জমি
নেই আর বাড়ীঘর থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না কারন তাদের রেল লাইন, রাস্তার ধারে বিভিন্ন
স্থানে কুকুর, বিড়ালের সাথে ঘুমোতে হয়। তারা এমনই দরিদ্র যে সকালে কী খাবে, তাদের সন্তাানদের
কী খাওয়াবো এই চিন্তায় আর দু’চোখে ঘুম থাকেনা।
বিভিন্ন রোগ, অভাব তাদের নিত্য সঙ্গী। আবার কত প্রকারের প্রতিবন্ধী আছে যে, কেউ চির
অন্ধ, কারো পা নেই, কারো হাত নেই,কারো হাত,পা উভয়ই নেই, কেউ চোখে দেখেনা, কেউ শুনতে
পারেনা আবার কেউবলতেও পারেনা। আবার এমনও দেখা যায় যে কতো ভাই বোনেরা কত সুন্দর পোশাক,
গাড়ী ইত্যাদি নিয়ে বিলাসবহুল ভাবে দিনাতিপাত করছে আর তারা খেয়ে যা ফেলে দেয় কুকুরের
সাথে যুদ্ধ করে সেই সকল অসহায় গরীব লেকেরা সংগ্রহ করে জীবন যাপন করছে খেয়ে বা না খেয়ে?
প্রতিদিন রেডিও, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ই-মেইল ইত্যাদি বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির মাধ্যমে
দেখি বিশ্বের ইতিহাস। যে পৃথিবী আধুনিক ও উন্নত সেই পৃথিবীতে মানুষ আল্লাহর শ্রেষ্ঠ
বান্দা হওয়া সত্বেও কেন এতো অবহেলিত, আমাদের বোধ্যগম্যতায় তা আসেনা। গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ সরকার দেশকে ডিজিটাল ও দরিদ্রমুক্ত করার লক্ষ্যে যেভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সরকারের পক্ষে একা এই সমস্যা দুর করা সম্ভব নয় উপোরক্ত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে
তা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের লক্ষ ভুমিহীন,ছিন্নমূল, হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অবহেলিত,
মানুষের কল্যানে এগিয়ে চলা। আর তাই ভুমিহীন,ছিন্নমূল, হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অবহেলিত,
মানুষদের আমাদের নিকট লিখিত আবেদন করতে হবে, আবেদনের সাথে সদ্যতোলা ৪ কপি পাসপোর্ট
সাইজের ছবি(প্রথম (১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত-১ কপি), জাতীয় পরিচয়
পত্রের ফটোকপি (১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত-১ কপি), স্থানীয় ওয়ার্ড
কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর সুপারিশপত্র- ১ কপি; ভুমিহীনদের ক্ষেত্রে স্থানীয়
ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর প্রত্যয়নপত্র- ১ কপি। উল্লেখিত আবেদনের
পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ভুমিহীন,ছিন্নমূল, হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অবহেলিত মানুষের কল্যানে
কাজ করা। ভুমিহীনদের ক্ষেত্রে ভুমিমন্ত্রনালয়ে আবেদন করে সরকারী খাস জমি বন্দোবস্ত
পাইয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা।
দারিদ্রতা বিমোচন, দুস্থদের সহায়তা, নিন্মবৃত্তদের আর্থিক উন্নয়ন,
সুদমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠাঃ আমরা চাই সমাজে একটি লোকও দরিদ্র থাকবে না। প্রতিটি মানুষের
আর্থিক নিরাপত্তা থাকবে। আর তাই আমরা মানুষকে এককালীন অফেরতযোগ্য বা বিনা সুধে আর্থিক
সহায়তা প্রদান করব। আবার সমাজে এমন কিছু দুস্থ মানুষ আছে যারা দুবেলা দুমুঠো খেতেও
পায় না। তাদের পরিবারে কর্মক্ষম কোনো লোক নেই আবার তারা কারো কাছে হাতও পাততে পারে
না। যেমন : নিঃসন্তান বিধবা , নিঃসন্তান বৃদ্ধ। এমন কিছু লোক যাদের উপার্জন করার কোনো
পথ নেই। আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই, তাদের জীবন ধারণের নুন্যতম চাহিদাটুকু মিটাতে
চাই। নিন্মবৃত্তদের আর্থিক উন্নয়নঃ সমাজের কিছু মানুষ আছে যারা দরিদ্র বা অসহায় নয়
আবার অনেক সচ্ছলও নয়, আমরা তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে চাই। আমরা তাদেরকে নিন্মবৃত্ত
থেকে মধ্যবৃত্ত শ্রেণীতে নিয়ে আসতে চাই। সুদমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠাঃ সুদ সমাজের জন্য একটি মারাত্মক ব্যধি। চড়া সুদের
ঋণের বোঝা গ্রামের গরিব মানুষদের নি:শ্ব করে দেয়। যদিও বাংলাদেশ একটি সুদমুক্ত অর্থনৈতিক
দেশ নয়। এদেশের ব্যাংকগুলো সুদের উপর নির্ভরশীল।
আমরা সেগুলো নিয়ে এখনি ভাবছি না। সমাজের গরিব শ্রেনীর অনেক মানুষ কিছু সুদ কারবারী
মহাজন এবং তথাকথিত মাইক্রো-ক্রেডিট সিস্টেম এর ঋণ এর বোঝায় বন্দী। গরিব মানুষকে যাতে
আর কোনো সুদ কারবারী বা মাইক্রো-ক্রেডিট সিস্টেম এর করাল থাবায় বন্দী না হতে হয় তার
জন্য আমরা সুদমুক্ত বিকল্প ব্যবস্থা করা। উপরে উল্লেখিত সেবা পাওয়ার জন্য আমাদের নিকট
লিখিত আবেদন করতে হবে, আবেদনের সাথে সদ্যতোলা ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি(প্রথম (১ম
শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত-১ কপি), জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি (১ম
শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত-১ কপি), স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন
পরিষদ চেয়ারম্যান এর সুপারিশপত্র- ১ কপি; আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন
করার পর আমাদের সমার্থ মতে সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।
শিক্ষার মান উন্নয়ন, সাস্থ সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা
নিশ্চিতকরণঃ সাধারণত গ্রামের এক সাধাররণ ঘরের ছেলে স্কুলে গেলেও তারা অনেক মেধাবী হয়
না, শহরের ছাত্রদের তুলনায় গ্রামের ছাত্ররা অনেক সুযোগ সুবিধা কম পায়। অনেকে প্রাথমিক
বিদ্যালয় পার হয়ে হাই স্কুলে গেলেও দারিদ্রতা ও অভিভাবকদের অসচেতনতার জন্য পড়াশুনা
ছেড়ে দেয়। অনেকে আবার পড়াশুনা চালিয়ে গেলেও তাদের মাঝে উচ্চশিক্ষিত হবার সম্ভবনা খুব
কম দেখা যায়। কিছু মেধাবী ছাত্রছাত্রী দারিদ্রতার কারণে তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে
পারে না। আমরা গ্রামীন জনশক্তিকে মেধাবী ও উচ্চশিক্ষিত করতে চাই। আমাদের মধ্যে অনেকেই
আছে যাদের কাজের চাপে স্বাস্থের প্রতি খেয়াল করার মত সময় হয়ে উঠে না আবার কেউ টাকার
অভাবে ডাক্তার এর কাছে যেতে পারে না এবং ঔষধ কেনার মত টাকা পর্যন্ত তাদের কাছে থাকে
না তাদের কল্যানে প্রতিমাসে একবার আমাদের সংগঠনে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসবেন এবং বিনামূল্যে
চিকিৎসা সেবা পৌছে দেয়া হবে। আবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবার পরিকল্পনা,স্বাস্থ বিষয়ক কর্মশালা
তৈরী করে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরন। উপওে উল্লেখিত সেবা সমূহ পাওয়ার জন্য কোন
লিখিত আবেদন করতে হবে না শুধু আমাদেরকে অবহিত করলেই হবে। তবে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য
লিখিত আবেদন করতে হবে।
অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণঃ গ্রামের রাস্তাা-ঘাট
মেরামত , গ্রামে ও শহরের মতো রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা করা , রাস্তার দুপাশে বৃক্ষ রোপন,
মসজিদ , মন্দির ইত্যাদির উন্নয়নকরণ এই প্রকল্পের কাজ করা এবং তাতে অংশগ্রহন করতে চাই।
এই প্রকল্পের জন্য কোন লিখিত আবেদন করতে হবেনা তবে আমরা কাজ করার পরে স্থানীয় ওয়ার্ড
কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।
কৃষি উন্নয়ন, ক্রীড়া উন্নয়ন ও খেলার মাঠ তৈরীঃ বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ , কিন্তু এদেশের
বেশিরভাগ কৃষকই উন্নত কৃষি ব্যবস্থা সম্পর্কে জানেনা। গ্রামীন জনগোষ্ঠী কে উন্নত কৃষি
ব্যবস্থা , মাছ চাষ , হাস মুরগির ও গরুর খামারকরণ ইত্যাদি বিষয় প্রশিক্ষিত করে তোলাই
এই প্রকল্পের কাজ। এবং বর্তমানে স্কুল পড়োয়া ছেলে মেয়েদের মেধা বিকাশের জন্য খেলাধুলার
প্রয়োজন কিন্তু খেলার মাঠের অভাবে তারা খেলাধুলা করতে পারেনা আর তাই আমাদের কাজ হবে
ক্রীড়া উন্নয়নে ও খেলার মাঠ তৈরী করা ব্যবস্থা করা। এই প্রকল্পের জন্য কোন লিখিত আবেদন
করতে হবেনা তবে আমরা কাজ করার পরে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান
এর প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।
গ্রামীন জনগোষ্ঠির কাছে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা পৌছে দেওয়াঃ বর্তমান
সরকার দেশকে ডিজিটাল করা লক্ষে একসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন কিন্তু সাধারন
মানুষ এখনও জানেনা যে এই একসেস টু ইনফরমেশন এর কাজ কি বা কিভাবে এই সেবা মানুষের দৌড়গোড়ায়
পৌছাবে এবং মানুষ কিভাবে এর দ্বারা উপকৃত হবে। আর তাই আমদের কাজ হবে গ্রামীন জনগোষ্ঠির
কাছে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা পৌছে দেওয়া। এই প্রকল্পের জন্য আমাদের অফিসে একটি স্থায় তথ্য
সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন সরকারী ফরম,পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল,
অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, অনলাইনে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন, অনলাইনে যাবতীয় ফরম পূরণ
ইত্যাদি কাজ করা হবে।
মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা ও কারামুক্ত কয়েদীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনঃ
বাংলাদেশের যুব সমাজ বর্তমানে মাদক নামের মরন ছোবলে আক্রান্ত এর থেকে বিরত করার কোন
প্রযুক্তি বা কোন ঔষধ নেই যে এই মরন ছোবল থেকে মানুষ পরিত্রান পেতে পারে এর একমাত্র
ঔষধ হচ্ছে মাদকের বিষক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝানো এবং তার পরিবারের চেষ্টা আর
আমরা মাদক আক্রান্ত লোক এবং মাদক আক্রান্ত লোকদের পরিবারকে বিস্তারিত বুঝানোর চেষ্টা
করব। আবার এমনও অনেক লোক আছে যারা কারাবন্দী ছিল তাদের সামাজিক কোন মর্যাদা মানুষ দেয়না
এবং তারা আমাদের মত স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করতে পারেনা কারন মানুষ তাদের থেকে দুরে
থাকে, ধিক্কার দেয়,তিরষ্কার করে যা অমানবিক আর তাই আমরা কারামুক্ত কয়েদীদের পাশে দাড়ানোর
চেষ্টা করা এবং তাদের পুর্নবাসনের ব্যবস্থা করা। উপরে উল্লেখিত প্রকল্পের জন্য কোন
আবেদনের দরকার নেই তবে আমাদেরকে শুধু মৌখিক ভাবে জানালেই হবে।
মানবতাবোধ ও সামজিক বন্ধন বৃদ্ধিকরণ ও নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত
করার উদ্দেশ্যে সামাজিক শিক্ষা, বয়স্কদের শিক্ষা ব্যবস্থাঃ মানুষ এর ভিতরে বর্তমানে
কোন মানবতাবোধ নাই তার কারন কেউ কারো পাশে দাড়াতে চায়না এবং কেউ না খেয়ে থাকলেও ঘুড়ে
দাড়ায়না বা জিজ্ঞাসা পর্যন্ত করেনা যে সে কি খেয়ে বা না খেয়ে দিনাতিপাত করছে অথচ প্রতিটি
মানুষের নাগরিক দায়িত্ব তার বাড়ীর পাশের লোক কিভাবে দিনাতিপাত করছে এবং পাশে দাড়ানো
ও তাকে সাহায্য করা। কিন্তু তা করেনা তার কারন সামাজিক শিক্ষা আর তাই আমরা মানুষের
সামাজিক বন্ধন বৃদ্ধিকরন ও নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার উদ্দেশ্যে সামাজিক শিক্ষা
এবং বয়স্কশিক্ষার ব্যবস্থা করব।
ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থানঃ
বর্তমানে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত কারন তাদের দারিদ্রতা। আবার
কেউ কাজ করার সামর্থ থাকা স্বত্বেও ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। আবার অধিকাংশ
মানুষ বিভিন্ন অযুহাত যেমন মেয়ের বিয়ে, স্বামী স্ত্রী , সন্তান অসুস্থ বা মৃত, নদী
ভাঙ্গা পরিবার ইত্যাদি অযুহাত দেখিয়ে সাহায়্যেও হাত বাড়ায়। আর যদি তাদের জন্য বিকল্প
কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায় তাহলে হয়তো ভিক্ষার হার কিছুটা হলেও কমবে এই প্রতিপাদ্যকে
সামনে রেখে বাংলাদেশের মানুষের যেন আর কোন প্রকার সাহায্যের জন্য ভিক্ষাবৃত্তি করতে
না হয় তার ব্যবস্থা করা। শীর্ষক কর্মসূচি ও সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ হইতে জনগণকে বিরত
রাখার উদ্দেশ্যে চিত্তবিনোদন কর্মসূচী এর ব্যবস্থা করা।
নারী, শিশু ও যুব কল্যাণ ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালাঃ বাংলাদেশের
নারীদের অধিকাংশ কোন কাজ করে না বলে স্বামীর কথা শুনতে হয়। আর তারা যদি বাড়ীতে বসে
হস্তশিল্প,কারীগরীশিল্প,হাঁস-মুরগী পালন বা গবাদী পশু পালন করে আর্থিকভাবে সফল হতেন
তাহলে আর তাদের স্বামীর গালিগালাজ শুনতে হতো না। আবার বাংলাদেশের অধিকাংশ শিশু লেখাপড়া
না করে কাজ করে বা বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে, আবার অধিকাংশ যুবক আছে
বেকার অথচ তাদের কর্মের ব্যবস্থা করতে পারলে দেশের আর্থিক উন্নতি হতো। আবার কেউবা পরিবার
পরিকল্পনা বিষয়ক জ্ঞান না থাকার দরুন অসময়ে সন্তান জন্ম দিচ্ছে এবং তাদের সুষ্ঠ লালন
পালন করতে পারছে না। বরং দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি করছে এবং বেকার সমস্যা তৈরী করছে। এর
উত্তরনের জন্য আমাদের সংগঠন জন সাধারনের উন্নতির জন্য হস্তশিল্প, কারীগরী শিল্প, কুটির
শিল্প, হাঁস মুরগী পালন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষন ও সহযোগিতা করা, ছিন্নমূল শিশু কিশোরদের শিক্ষার ব্যবস্থা
করা, মৎস্য চাষ, গবাদি পশু পালনে আর্থিক সহযোগিতা করা, শিক্ষা, চিকিৎসা, স্বাস্থ্য,
সেলাই এমব্রয়ডারী ইত্যাদি বিষয়ে সহযোগিতা করা এবং পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা
পরিচালনা করা। উপওে উল্লেখিত প্রকল্পের জন্য কোন লিখিত আবেদন করতে হবে না তবে আর্থিক
সহযোগিতার জন্য আমাদের নিকট লিখিত আবেদন করতে হবে, আবেদনের সাথে সদ্যতোলা ৪ কপি পাসপোর্ট
সাইজের ছবি(প্রথম (১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত-১ কপি), জাতীয় পরিচয়
পত্রের ফটোকপি (১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত-১ কপি), স্থানীয় ওয়ার্ড
কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর সুপারিশপত্র- ১ কপি; ভুমিহীনদের ক্ষেত্রে স্থানীয়
ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর প্রত্যয়নপত্র- ১ কপি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে
আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করার পর আমাদের সমার্থ মতে সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।
ভিক্ষুক ও দুঃস্থ ও সামাজিক অসমথ, বৃদ্ধ ও দৈহিক অসমর্থ ও শারীরিক
ও মানসিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণঃ বাংলাদেশে অনেক রকম হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক
ও দুঃস্থ ও সামাজিক অসমথ, বৃদ্ধ ও দৈহিক অসমর্থ ও শারীরিক ও মানসিক অসমর্থ মানুষ রয়েছে
যাদের পাশে দাড়ানোর মতো কেউ নাই, কেউ বা নিঃসন্তান বৃদ্ধ তাদের কল্যানে কাজ করার মতো
কেউ নাই বা তাদের দেখাশুনা বা সেবা করার মতো কেউ নেই। এরকম লোকদের কল্যানে কাজ করার
আকাঙ্খা নিয়েই আমাদের এই সংগঠন।
উপরে উল্লেখিত সেবা ছাড়া অন্য যে কোন সেবা পেতে কোন আবেদন করা
লাগবে না শুধু আমাদের হেল্পলাইনে আমাদেরকে অবহিত করলেই হবে।
