কথায় আছে, ‘হাকিম নড়ে তো, হুকুম নড়ে না।’ এখন দেখি, হাকিম আর হুকুম সবই নড়ে। প্রয়োজনে হাকিমও ওকালতি করে। সম্প্রতি বাংলাদেশে এ নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রধান হাকিম জনাব এস. কে. সিনহা খোদ এটর্নি জেনারেলের চেয়ে একটু বেশী পরিমাণে সরকারের ওকালতি শুরু করেছেন। তিনি এজলাসে বসে আসামী পক্ষের আইনজীবীদের সামনে সরকার পক্ষের আইনজীবী ও তাদের সহকারীদের বকাঝকা করেছেন। তাদের উপস্থাপিত তথ্য বিবরণী সংশোধন করেছেন, যাতে আসামীর চুড়ান্ত শাস্তি নিশ্চিত হয়। এসময় আসামী পক্ষের আইনজীবীগণ একেবারে অথর্ব হয়ে পড়েন। তাদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়। তারা শত চেষ্টা করেও সেদিন অশ্রু ধরে রাখতে পারেনি।
হাকিমের বকাঝকার বিষয়টি এটর্নি জেনারেলের সম্মানে লাগে। তিনি হাকিমের ওকালতির জন্য নিজের স্বার্থ ছাড় দিতে রাজি নন। তাই এ নিয়ে তাদের মাঝে কথা কাটাকাটিও হয়। তা পরবর্তীতে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়ে। দুজন পুর্ণ মন্ত্রী মহোদয় তাদের অবৈধ কর্মকা-ের সমালোচনা করেন। এখন উক্ত মন্ত্রীদ্বয় অন্যায়ভাবে আইনের জালে ফেসে গেছেন। আর চোরে চোরে মাস্তুত ভাইয়ের মতো হাকিম ও এটর্নি জেনারেলের মধ্যে সম্পর্ক হয়েছে। তারা ইচ্ছেমতো নিজেদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তারা নিজেদের ওকালতির সুফল ভোগ করছেন।
এতোক্ষণে হাকিমের অপসারণ শুধু নয়, অবৈধ ওকালতির জন্য সাজাও হয়ে যেতো; যদি বাংলাদেশে স্বাধীন গণতন্ত্র থাকতো।
এমন সুদক্ষ হাকিমের ওকালতির জন্য লেখক দুটি অনিস্পন্ন বিষয় রেখেছেন। তাহলো, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা এবং প্রাণদানকারী ত্রিশ লাখ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নাকি রাজাকার? দ্বিতীয়তঃ বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা মাত্র দুই লাখ কেন? শুধু তারাই কি দেশ স্বাধীন করেছেন? এব্যাপারে হাকিমের ওকালতির রায় কী দাঁড়ায়, তা দেখার বিষয়।
এ্যাডভোকেট, ঢাকা। সিরাজী এম আর মোস্তাক
বাংলাদেশের প্রধান হাকিম জনাব এস. কে. সিনহা খোদ এটর্নি জেনারেলের চেয়ে একটু বেশী পরিমাণে সরকারের ওকালতি শুরু করেছেন। তিনি এজলাসে বসে আসামী পক্ষের আইনজীবীদের সামনে সরকার পক্ষের আইনজীবী ও তাদের সহকারীদের বকাঝকা করেছেন। তাদের উপস্থাপিত তথ্য বিবরণী সংশোধন করেছেন, যাতে আসামীর চুড়ান্ত শাস্তি নিশ্চিত হয়। এসময় আসামী পক্ষের আইনজীবীগণ একেবারে অথর্ব হয়ে পড়েন। তাদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়। তারা শত চেষ্টা করেও সেদিন অশ্রু ধরে রাখতে পারেনি।
হাকিমের বকাঝকার বিষয়টি এটর্নি জেনারেলের সম্মানে লাগে। তিনি হাকিমের ওকালতির জন্য নিজের স্বার্থ ছাড় দিতে রাজি নন। তাই এ নিয়ে তাদের মাঝে কথা কাটাকাটিও হয়। তা পরবর্তীতে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়ে। দুজন পুর্ণ মন্ত্রী মহোদয় তাদের অবৈধ কর্মকা-ের সমালোচনা করেন। এখন উক্ত মন্ত্রীদ্বয় অন্যায়ভাবে আইনের জালে ফেসে গেছেন। আর চোরে চোরে মাস্তুত ভাইয়ের মতো হাকিম ও এটর্নি জেনারেলের মধ্যে সম্পর্ক হয়েছে। তারা ইচ্ছেমতো নিজেদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তারা নিজেদের ওকালতির সুফল ভোগ করছেন।
এতোক্ষণে হাকিমের অপসারণ শুধু নয়, অবৈধ ওকালতির জন্য সাজাও হয়ে যেতো; যদি বাংলাদেশে স্বাধীন গণতন্ত্র থাকতো।
এমন সুদক্ষ হাকিমের ওকালতির জন্য লেখক দুটি অনিস্পন্ন বিষয় রেখেছেন। তাহলো, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা এবং প্রাণদানকারী ত্রিশ লাখ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নাকি রাজাকার? দ্বিতীয়তঃ বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা মাত্র দুই লাখ কেন? শুধু তারাই কি দেশ স্বাধীন করেছেন? এব্যাপারে হাকিমের ওকালতির রায় কী দাঁড়ায়, তা দেখার বিষয়।
এ্যাডভোকেট, ঢাকা। সিরাজী এম আর মোস্তাক
খবর বিভাগঃ
সম্পাদকীয়
সিরাজী এম.আর মোস্তাক এর লেখা
