আসসালামু আলাইকুম আসলেই কি কখন ও ভেবে দেখেছি? একটু ভাবুন ওদের কথা যারা আমাদের সমাজে অবহেলিত।
আপনি আপনার পিরের দরবারে কিছু দিচ্ছেন? দিতে পারেন। আপত্তি নেই।
কিন্তু আমার প্রশ্ন কেন পির কে টাকা বা গরু ছাগল হাস মুরগি দিতে হবে?
কেন ওনার খাওয়ার অভাব? আর যদি তার খাওয়ার অভাব থেকে থাকে তাহলে উনি উপার্জন করছেন না কেন?
উপার্জন করবে কেন। কারন সেতো আপনার আর আমার থেকে পাইতেছে। একবার ভেবে দেখুন আপনার পির আপনার থেকে অনেক ধনী। আর এই ধনী পীর গরিবের টাকা দিয়ে চলছে।
আপনি যখন আপনার পীরকে কিছু দিলেন।
বলতে পারবেন কোন দিন জিজ্ঞাস করছেকিনা, বাবারে তুমি যে এগুলা আমার এখানে দিলে তোমার বারিতে সবাই খেয়ে আছে বা কি কর তুমি? তোমার উপার্জনের রাস্তা কি?
আপনি ত চুরিও করে নিতে পারেন। কিন্তু আমি শুনি নাই কারো থেকে যে কখন ও এমন কাউকে জিজ্ঞাস করা হইছে।
অথচ আমি দেখেছি যারা খেতে খুব কষ্ট পায়, তারাই বেশি করে নিয়ে যাচ্ছে পীরের বারি।
আর সেই পীর কতোজনের ঘরের খবর রাখে জানিনা।
আমি দেখেছি যারা পীরের সাথে দেখা করতে যায় তারা খালি হাতে যায় না। মুঠে করে টাকা দেয় মুসাফা করার সময়।
আর অনেকেই মনে করে যদি কিছু না দেই তাহলে খারাপ দেখা যায়।
মাজারে টাকা দিতে দিতে মানুষ ফুল করে দেয় মাজার। এর পর মাজারের লোকেরা তা বস্তায় বরে নিয়ে যায়। কোথায় যায় এই টাকা আর কেন দিচ্ছে মানুষ?
আর যারা মাজারে বা পীরকে এগুলা দিচ্ছেন তাদের বলব এই খানে না দিয়ে আপনার আশেপাশে তাকান। দেখতে পাবেন কতো অনাথ না খেয়ে আছে। ছেড়া জামাকাপড় পরে আছে। খেতে পাচ্ছে না। মাথা গোজার ঠাই নেই।
ওদের কথা একটু ভাবুন। একটুকরো রুটি ওদের মুখে তুলে দিন। আমার বিশ্বাস পৃথিবীতে আপনি আর যা কিছুই করেন না কেন এর চেয়ে আল্লাহ আর বেশি খুশি অন্য কইইছুতে হবে।
আপনার পির ওনার মাথা গোজার জন্য বিশাল অট্রালিকা আছে। ভাল ভাল খাবারের অভাব নেই। সুন্দর সুন্দর জামাকাপড় অভাব নেই। এদের দান করলে কত টুকু খুশি হবেন? আর ওনারা ত গরিব না। আনাদের অনেক টাকা পয়সার মালিক আপনারা বানিয়ে দিয়েছেন।
আর মাজারের কথা কি বলা জায়। ওখানে দেয়ার কি মানে আছে আপনার নিজের বিভেক কেই প্রশ্ন করুন। আসা করি আপনি উত্তর পেয়ে যাবেন।
তাই বল আপনার যখন দান করার ইচ্ছা তখন একটু তাকিয়ে দেখুন যারা আপনার চার পাশে আছে। না খেয়ে, ছেড়া পোশাক, ঘরবাড়ি নেই। এই মানুষ গুলা অনেক খুশি হবে।
আল্লাহ কোথায় ও পীরের বাড়ি মাজারে দান করার কথা বলেনি।
আল্লাহর ঘড় নির্মানের কথা আছে। আর এই গরিব মানুষ কে সাহায্য করার ও কথা আছে।
তাই বলব অসহায় মানুষের মুখের দিকে তাকাবেন।
এর উত্তরে একজন বলেন রফিকুল ইসলাম কাজল অামরা যখন বিপদে পরি তখন পির বা মাজার মানত করি তখন ঐ অলির ওছিলাই অাল্লাহ অামাদেকে দয়া করেন কেননা উছিলা বেতিত অাল্লহ কিছু দেননা তাই হযরত অাদম (অাঃ) কে অামার দয়াল নবির উছিলায় অাল্লাহর কাছে খমা চাইতে হয়েছে তাই পিরের কাছে জাওয়ার কারন হচ্চে নিযের অামলকে ঠিক রাখা অামরা পিরকে টাকা দেয় অাল্লাহ যেন পিরের উছিলা দয়া করে এক জন কামেল পিরের মুরিদ কখন চুরি করেনা ঢাকাতি করেনা মিথ্যা বলেনা তাই সব পির এক সমান হয়না তাই অাপনার পির সমনদে যে দারনা ঠিকনা অাপনি এক জন হক কানি পিরের কাছে জাইয়া দেখেন যে পির তার মুরিদের হাড়ির খবর রাকতে পারেনা তার জন্য পির মুরিদি করা জায়েজ নাই
আপনি আপনার পিরের দরবারে কিছু দিচ্ছেন? দিতে পারেন। আপত্তি নেই।
কিন্তু আমার প্রশ্ন কেন পির কে টাকা বা গরু ছাগল হাস মুরগি দিতে হবে?
কেন ওনার খাওয়ার অভাব? আর যদি তার খাওয়ার অভাব থেকে থাকে তাহলে উনি উপার্জন করছেন না কেন?
উপার্জন করবে কেন। কারন সেতো আপনার আর আমার থেকে পাইতেছে। একবার ভেবে দেখুন আপনার পির আপনার থেকে অনেক ধনী। আর এই ধনী পীর গরিবের টাকা দিয়ে চলছে।
আপনি যখন আপনার পীরকে কিছু দিলেন।
বলতে পারবেন কোন দিন জিজ্ঞাস করছেকিনা, বাবারে তুমি যে এগুলা আমার এখানে দিলে তোমার বারিতে সবাই খেয়ে আছে বা কি কর তুমি? তোমার উপার্জনের রাস্তা কি?
আপনি ত চুরিও করে নিতে পারেন। কিন্তু আমি শুনি নাই কারো থেকে যে কখন ও এমন কাউকে জিজ্ঞাস করা হইছে।
অথচ আমি দেখেছি যারা খেতে খুব কষ্ট পায়, তারাই বেশি করে নিয়ে যাচ্ছে পীরের বারি।
আর সেই পীর কতোজনের ঘরের খবর রাখে জানিনা।
আমি দেখেছি যারা পীরের সাথে দেখা করতে যায় তারা খালি হাতে যায় না। মুঠে করে টাকা দেয় মুসাফা করার সময়।
আর অনেকেই মনে করে যদি কিছু না দেই তাহলে খারাপ দেখা যায়।
মাজারে টাকা দিতে দিতে মানুষ ফুল করে দেয় মাজার। এর পর মাজারের লোকেরা তা বস্তায় বরে নিয়ে যায়। কোথায় যায় এই টাকা আর কেন দিচ্ছে মানুষ?
আর যারা মাজারে বা পীরকে এগুলা দিচ্ছেন তাদের বলব এই খানে না দিয়ে আপনার আশেপাশে তাকান। দেখতে পাবেন কতো অনাথ না খেয়ে আছে। ছেড়া জামাকাপড় পরে আছে। খেতে পাচ্ছে না। মাথা গোজার ঠাই নেই।
ওদের কথা একটু ভাবুন। একটুকরো রুটি ওদের মুখে তুলে দিন। আমার বিশ্বাস পৃথিবীতে আপনি আর যা কিছুই করেন না কেন এর চেয়ে আল্লাহ আর বেশি খুশি অন্য কইইছুতে হবে।
আপনার পির ওনার মাথা গোজার জন্য বিশাল অট্রালিকা আছে। ভাল ভাল খাবারের অভাব নেই। সুন্দর সুন্দর জামাকাপড় অভাব নেই। এদের দান করলে কত টুকু খুশি হবেন? আর ওনারা ত গরিব না। আনাদের অনেক টাকা পয়সার মালিক আপনারা বানিয়ে দিয়েছেন।
আর মাজারের কথা কি বলা জায়। ওখানে দেয়ার কি মানে আছে আপনার নিজের বিভেক কেই প্রশ্ন করুন। আসা করি আপনি উত্তর পেয়ে যাবেন।
তাই বল আপনার যখন দান করার ইচ্ছা তখন একটু তাকিয়ে দেখুন যারা আপনার চার পাশে আছে। না খেয়ে, ছেড়া পোশাক, ঘরবাড়ি নেই। এই মানুষ গুলা অনেক খুশি হবে।
আল্লাহ কোথায় ও পীরের বাড়ি মাজারে দান করার কথা বলেনি।
আল্লাহর ঘড় নির্মানের কথা আছে। আর এই গরিব মানুষ কে সাহায্য করার ও কথা আছে।
তাই বলব অসহায় মানুষের মুখের দিকে তাকাবেন।
এর উত্তরে একজন বলেন রফিকুল ইসলাম কাজল অামরা যখন বিপদে পরি তখন পির বা মাজার মানত করি তখন ঐ অলির ওছিলাই অাল্লাহ অামাদেকে দয়া করেন কেননা উছিলা বেতিত অাল্লহ কিছু দেননা তাই হযরত অাদম (অাঃ) কে অামার দয়াল নবির উছিলায় অাল্লাহর কাছে খমা চাইতে হয়েছে তাই পিরের কাছে জাওয়ার কারন হচ্চে নিযের অামলকে ঠিক রাখা অামরা পিরকে টাকা দেয় অাল্লাহ যেন পিরের উছিলা দয়া করে এক জন কামেল পিরের মুরিদ কখন চুরি করেনা ঢাকাতি করেনা মিথ্যা বলেনা তাই সব পির এক সমান হয়না তাই অাপনার পির সমনদে যে দারনা ঠিকনা অাপনি এক জন হক কানি পিরের কাছে জাইয়া দেখেন যে পির তার মুরিদের হাড়ির খবর রাকতে পারেনা তার জন্য পির মুরিদি করা জায়েজ নাই
খবর বিভাগঃ
প্রবন্ধ
