সোমবার, মে ৩০, ২০১৬

ভারতে ক্ষুধার কারণে গ্রামের নারীরা দেহ ব্যবসায়

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক : ভারতে অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর নামে একটি গ্রামের প্রায় সব নারীই এখন দেহ ব্যবসায় জড়িত। অতিরিক্ত দরিদ্রতাই এর প্রধান কারণ। ভারতের জি-নিউজের খবরে বলা হয়, অনন্তপুরে বছরের পর বছর ধরেই খরার কারণে খাবারের তীব্র সংকট। কাঠফাটা রোদে মাটিতে কোনো ফসল জন্মায় না। সংসারের ভার বইতে না পেরে অনেকের স্বামী ছেড়ে চলে গেছে। কখনো কখনো হয়তোবা ৩০-৪০ রুপি রোজগার হয়। কিন্তু তাতে সংসার চালানো মুশকিল। পেটের জ্বালায় তাই বেছে নিতে হয়েছে দেহ ব্যবসাকে।গ্রামের এক বাসিন্দা রমা দেবী জি-নিউজকে বলেন, ‘প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হতো। কিন্তু ছেলেটা যখন ক্ষুধার কারণে মরাকান্না করত, তখন বড় অসহায় লাগত। এখন আর কিছু মনে হয় না। অবস্থাও কিছুটা ফিরেছে। মাস গেলে এখন ৩০০০ টাকা রোজগার হয়।’ তিনি বলেন, লোকে খারাপ বললে বলুক। কিন্তু পেটের ক্ষুধাতো মিটল। দুটো খেতে পেয়ে বাচ্চা দুটো রাতের বেলা একটু ঘুমোতে পারল তো। তবে মাঝে মাঝে 'খদ্দেরদের' অত্যাচারের মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। অনন্তপুরের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, ‘হুঁশ ফেরে না সরকারের। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির বন্যা ছোটে। কিন্তু, ভোট মিটতেই কেউ আর খোঁজ রাখে না তাদের। তাই বাধ্য হয়ে নেমে পড়েন এ কালো জগতে।’ (দ্য রিপোর্ট/এআরই/এএসটি/এম/মে ২৬,

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক : ভারতে অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর নামে একটি গ্রামের প্রায় সব নারীই এখন দেহ ব্যবসায় জড়িত। অতিরিক্ত দরিদ্রতাই এর প্রধান কারণ।
ভারতের জি-নিউজের খবরে বলা হয়, অনন্তপুরে বছরের পর বছর ধরেই খরার কারণে খাবারের তীব্র সংকট। কাঠফাটা রোদে মাটিতে কোনো ফসল জন্মায় না। সংসারের ভার বইতে না পেরে অনেকের স্বামী ছেড়ে চলে গেছে।
কখনো কখনো হয়তোবা ৩০-৪০ রুপি রোজগার হয়। কিন্তু তাতে সংসার চালানো মুশকিল। পেটের জ্বালায় তাই বেছে নিতে হয়েছে দেহ ব্যবসাকে।
গ্রামের এক বাসিন্দা রমা দেবী জি-নিউজকে বলেন, ‘প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হতো। কিন্তু ছেলেটা যখন ক্ষুধার কারণে মরাকান্না করত, তখন বড় অসহায় লাগত। এখন আর কিছু মনে হয় না। অবস্থাও কিছুটা ফিরেছে। মাস গেলে এখন ৩০০০ টাকা রোজগার হয়।’
তিনি বলেন, লোকে খারাপ বললে বলুক। কিন্তু পেটের ক্ষুধাতো মিটল। দুটো খেতে পেয়ে বাচ্চা দুটো রাতের বেলা একটু ঘুমোতে পারল তো।
তবে মাঝে মাঝে 'খদ্দেরদের' অত্যাচারের মাত্রা ছাড়িয়ে যায়।
অনন্তপুরের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, ‘হুঁশ ফেরে না সরকারের। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির বন্যা ছোটে। কিন্তু, ভোট মিটতেই কেউ আর খোঁজ রাখে না তাদের। তাই বাধ্য হয়ে নেমে পড়েন এ কালো জগতে।’
(দ্য রিপোর্ট/এআরই/এএসটি/এম/মে ২৬, ২০১৬)
- See more at: http://bangla.thereport24.com/article/157491/index.html#sthash.uaLsM82P.P5fyJAgm.dpuf

শেয়ার করুন