বুধবার, জুন ১৫, ২০১৬

পহলোবশৈাখ: ইতহিাসওবধি-িবধিান

এপ্রলি মাসে আমরা বাংলাদশেীরাএকটি উৎসব করে থাক,ি তা হলো ১৪ই এপ্রলি। র্অথাৎ পহলো বশৈাখে বাংলা নবর্বষ পালন করা। আমাদরে দশেে প্রচলতি বঙ্গাব্দ বা বাংলা সন মূলতঃ ইসলামী হজিরী সনরেই একটি রূপ। ভারতে ইসলামী শাসনামলে হজিরী পঞ্জকিা অনুসারইে সকল কাজর্কম পরচিালতি হতো। মূল হজিরী পঞ্জকিা চন্দ্র মাসরে ওপর নর্ভিরশীল। চন্দ্র বৎসর সৌর বৎসরর চয়েে ১১/১২ দনি কম হয়। কারণ, সৌর বৎসর ৩৬৫ দনি, আর চন্দ্র বৎসর ৩৫৪ দনি। একারণে চন্দ্র বৎসরে ঋতুগুলো ঠকি থাকে না। আর চাষাবাদ ও এজাতীয় অনকে কাজ ঋতুনর্ভির। এজন্য ভারতরে মোগল সম্রাট আকবাররে সময়ে প্রচলতি হজিরী চন্দ্র পঞ্জকিাকে সৌর পঞ্জকিায় রূপান্তরতি করার সদ্ধিান্ত নওেয়া হয়।
সম্রাট আকবার তার দরবাররে বশিষ্টি বজ্ঞিানী ও জ্যােতর্বিদি আমরি ফতুল্লাহ শরিাজীকে হজিরী চন্দ্র র্বষপঞ্জীকে সৌর র্বষপঞ্জীতে রূপান্তরতি করার দায়ত্বি প্রদান করনে। ৯৯২ হজিরী মোতাবকে ১৫৮৪ খৃস্টাব্দে সম্রাট আকবার এ হজিরী সৌর র্বষপঞ্জীর প্রচলন করনে। তবে তনিি ঊনত্রশি বছর র্পূবে তার সংিহাসন আরোহনরে বছর থকেে এ পঞ্জকিা প্রচলনরে নর্দিশে দনে। এজন্য ৯৬৩ হজিরী সাল থকেে বঙ্গাব্দ গণনা শুরু হয়। ইতোর্পূবে বঙ্গে প্রচলতি শকাব্দ বা শক র্বষপঞ্চরি প্রথম মাস ছলি চত্রৈ মাস। কন্তিু ৯৬৩ হজিরী সালরে মুহাররাম মাস ছলি বাংলা বশৈাখ মাস, এজন্য বশৈাখ মাসকইে বঙ্গাব্দ বা বাংলা র্বষপঞ্জরি প্রথম মাস এবং ১লা বশৈাখকে নবর্বষ ধরা হয়।
তাহলে বাংলা সন মূলতঃ হজিরী সন। রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামরে হজিরত থকেইে এ পঞ্জকিার শুরু। ১৪১৫ বঙ্গাব্দ র্অথ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামরে হজিরতরে পর ১৪১৫ বৎসর। ৯৬২ চন্দ্র বৎসর ও পরর্বতী ৪৫৩ বৎসর সৌর বৎসর। সৌর বৎসর চন্দ্র বৎসররে চয়েে ১১/১২ দনি বশেি এবং প্রতি ৩০ বৎসরে চন্দ্র বৎসর এক বৎসর বড়েে যায়। এজন্য ১৪৩৩ হজিরী সাল মোতাবকে বাংলা ১৩১৮-১৯ সাল হয়।
মোগল সময় থকেইে পহলো বশৈাখে বাংলা নবর্বষ উপলক্ষে কছিু অনুষ্ঠান করা হতো। প্রজারা চত্রৈমাসরে শষে র্পযন্ত খাজনা পরশিোধ করতনে এবং পহলো বশৈাখে জমদিারগণ প্রজাদরে মষ্টিমিুখ করাতনে এবং কছিু আনন্দ উৎসব করা হতো। এছাড়া বাংলার সকল ব্যবসায়ী ও দোকানদার পহলো বশৈাখে ‘হালখাতা’ করতনে। পহলো বশৈাখ এসব র্কমকাণ্ডরে মধ্যইে সীমাবদ্ধ ছলি। এটি মূলতঃ রাষ্ট্রয়ি, সামাজকি, র্অথনতৈকি বভিন্নি নয়িম-কানূনকে সুন্দরভাবে সাজয়িে কাজ-র্কম পরচিালনার জন্য নর্ধিারতি ছলি। এ ধরনরে কছিু সংঘটতি হওয়া মূলতঃ ইসলামে নষিদ্ধি বলার কোনো যৌক্তকি কারণ নইে।
কন্তিু র্বতমানে পহলো বশৈাখ উপলক্ষ্যে এমন কছিু র্কমকাণ্ড করা হচ্ছে যা কখনোই র্পূবর্বতী সময়ে বাঙালীরা করনে ন;ি বরং এর অধকিাংশই বাংলাদশেরে সংখ্যাগরষ্ঠি মুসলমি জনগোষ্ঠীর র্ধমীয় মূল্যবোধরে সাথে প্রচণ্ডভাবে সাংর্ঘষকি। পহলো বশৈাখরে নামে বা নবর্বষ উদযাপনরে নামে যুবক-যুবতী, কশিোর-কশিোরীদরেকে অশ্লীলতা ও বহোয়াপনার প্রশক্ষিণ দওেয়া হচ্ছ।ে আজ থকেে কয়কে বছর আগওে এদশেরে মানুষরো যা জানত না এখন নবর্বষরে নামে তা আমাদরে সংস্কৃতরি অংশ বানানো হচ্ছ।ে
বাংলার প্রাচীন মানুষরো ছলিনে দ্রাবড়ি বা সম্মানতি রাসূল নূহ আলাইহসি সালামরে বড় ছলেে সামরে বংশধর। খৃস্টর্পূব ১৫০০ সালরে দকিে ইয়াফসিরে সন্তানদরে একটি গ্রুপ র্আয নামে ভারতে আগমন কর।ে ক্রমান্বয়ে তারা ভারত দখল করে ও র্আয র্ধম ও কৃষ্টইি পরর্বতীতে ‘‘হন্দিু’’ র্ধম নামে প্রসদ্ধিি লাভ কর।ে ভারতরে দ্রাবড়ি ও র্অনায র্ধম ও সভ্যতাকে র্সবদা হাইজ্যাক করছেে র্আযগণ। এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো ‘‘বাঙালী’’ সংস্কৃতি ও কৃষ্টকিে হাইজ্যাক করা। র্আযগণ বাংলাভাষা ও বাঙালীদরে ঘৃণা করতনে। বদেে ও পুরাণে বাংলাভাষাকে পক্ষীর ভাষা ও বাঙালীদরেকে দস্যু, দাসরে ভাষা ইত্যাদি বলা হয়ছে।ে মুসলমি সুলতানগণরে আগমনরে পরে তারা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতরি প্রতি গুরুত্ব আরোপ করনে। বাঙালী সংস্কৃতি বলতে বাংলার প্রাচীন লোকজ সংস্কৃতি ও মুসলমি সংস্কৃতরি সংমশ্রিণ বুঝানো হতো। কন্তিু ক্রমান্বয়ে র্আযগণ ‘‘বাঙালীত্ব’’ বলতে হন্দিুত্ব বলে মনে করনে ও দাবি করনে। ভারতরে হন্দিু জাতীয়তাবাদগিণ ঐরহফঁঃাধ র্অথাৎ ভারতীয়ত্ব বা ‘‘হন্দিুত্ব’’ হন্দিু র্ধমত্ব বলে দাবি করনে এবং ভারতরে সকল র্ধমরে মানুষদরে হন্দিু র্ধমরে কৃষ্টি ও সভ্যতা গ্রহণ বাধ্যতামূলক বলে দাবি করনে। তমেনভিাবে বাংলায় র্আয পণ্ডতিগণ বাঙালীত্ব বলতে হন্দিুত্ব ও বাঙালী জাতীয়তাবাদ বলতে হন্দিু জাতীয়তাবাদ এবং বাঙালী সংস্কৃতি বলতে হন্দিু সংস্কৃতি বলে মনে করনে। এজন্যই তারা মুসলমিদরে বাঙালী বলে স্বীকার করনে না। শরৎচন্দ্ররে শ্রীকান্ত গল্পে আমরা দখেছেি যে বাঙালী বলতে শুধু বাঙালী হন্দিুদরে বুঝানো হয়ছেে এবং মুসলমিদরেকে তাদরে বপিরীতে দখোনো হয়ছে।ে এ মানসকিতা এখনো একইভাবে বদ্যিমান। পশ্চমিবঙ্গে মুসলমিদরেকে ‘‘বাঙালী’’ পরচিয় দলিে বা জাততিে ‘‘বাঙালী’’ লখিলে ঘোর আপত্তি করা হয়। এ মানসকিতার ভত্তিতিইে ‘‘পহলো বশৈাখ’ে’ বাঙালী সংস্কৃতরি নামে পৌত্তলকি বা অশ্লীল কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমাদরে মধ্যে প্রচার করা হচ্ছ।ে
এক সময় বাংলা র্বষপঞ্জি এদশেরে মানুষরে জীবনরে অংশ ছলি। তাদরে ব্যবসা-বাণজ্যি কৃষি ও র্কম এ পঞ্জকিা অনুসারইে চলত। এজন্য পহলো বশৈাখ হালখাতা বা অনুরূপ কছিু অনুষ্ঠান ছলি স্বাভাবকি; কন্তিু র্বতমানে আমাদরে জীবনরে কোথাও বঙ্গাব্দরে কোনো প্রভাব নইে। কাগজে কলমে যাই লখো হোক, প্রকৃতপক্ষে আমরা নর্ভির করছি খৃস্টীয় পঞ্জকিার উপর। যে বাংলা র্বষপঞ্জি আমরা বছররে ৩৬৪ দনি ভুলে থাক,ি সে র্বষপঞ্জরি প্রথম দনিে আমরা সবাই ‘‘বাঙালী’’ সাজার চষ্টো করে এ নয়িে ব্যাপক হইচই কর।ি আর এ সুযোগে দশেীয় ও বদিশেী বনেয়িাগণ ও আধপিত্যবাদীগণ তাদরে ব্যবসা বা আধপিত্য প্রসাররে জন্য এ দনিটকিে কন্দ্রে করে বহোয়াপনা, অশ্লীলতা ও অনতৈকিতার প্রচার কর।ে
পাশ্চাত্য সভ্যতার অনকে ভাল দকি আছ।ে র্কমস্পৃহা, মানবাধকিার, আইনরে শাসন ইত্যাদি অনকে গুণ তাদরে মধ্যে বদ্যিমান। পাশাপাশি তাদরে কছিু দোষ আছে যা তাদরে সভ্যতার ভালো দকিগুলো ধ্বংস করে দচ্ছি।ে এ দোষগুলরি অন্যতম হলো মাদকতা ও অশ্লীলতা। আমরা বাংলাদশেরে মানুষরে পাশ্চাত্যরে কোনো ভালগুণ আমাদরে সমাজে প্রসার করতে পারি নি বা চাই ন।ি তবে তাদরে অশ্লীলতা, বহোয়াপনা ও মাদকতার ধ্বংসাত্মক দকিগুলি আমরা খুব আগ্রহরে সাথে গ্রহণ করতে ও প্রসার করতে চাচ্ছ।ি এজন্য খৃস্টীয় ক্যালন্ডোররে শষে দনিে ও প্রথম দনিে র্থাটফর্িাস্ট নাইট ও নউি-ইয়ারস ডে বা নবর্বষ উপলক্ষ্যে আমাদরে বহোয়পনার শষে থাকে না।
পক্ষান্তর,ে আমাদরে দশেজ সংস্কৃতরি অনকে ভাল দকি আছ।ে সামাজকি শষ্টিাচার, সৌর্হাদ্য, জনকল্যাণ, মানবপ্রমে ইত্যাদি সকল মূল্যবোধ আমরা সমাজ থকেে তুলে দচ্ছি।ি পক্ষান্তরে দশেীয় সংস্কৃতরি নামে অশ্লীলতার প্রসার ঘটানো হচ্ছ।ে
বর্পেদা, বহোয়াপনা, অশ্লীলতা, মাদকতা ও অপরাধ একসূত্রে বাধা। যুবক-যুবতীদরেকে অবাধ মলোমশো ও বহোয়াপনার সুযোগ দবিনে, অথচ তারা অশ্লীলতা, ব্যভচিার, এইডস, মাদকতা ও অপরাধরে মধ্যে যাবে না, এরূপ চন্তিা করার কোনো সুযোগ নইে। অন্যান্য অপরাধরে সাথে অশ্লীতার র্পাথক্য হলো কোনো একটি উপলক্ষ্যে একবার এর মধ্যে নপিততি হলে সাধারণভাবে কশিোর-কশিোরী ও যুবক-যুবতীরা আর এ থকেে বরেোতে পারে না। বরং ক্রমান্বয়ে আরো বশেি পাপ ও অপরাধরে মধ্যে নপিততি হতে থাক।ে কাজইে নজিে এবং নজিরে সন্তান ও পরজিনকে সকল অশ্লীলতা থকেে রক্ষা করুন। আল্লাহ বলছেনে:
﴿يَٰٓأَيُّهَاٱلَّذِينَءَامَنُواْقُوٓاْأَنفُسَكُمۡوَأَهۡلِيكُمۡنَارٗاوَقُودُهَاٱلنَّاسُوَٱلۡحِجَارَةُعَلَيۡهَامَلَٰٓئِكَةٌغِلَاظٞشِدَادٞلَّايَعۡصُونَٱللَّهَمَآأَمَرَهُمۡوَيَفۡعَلُونَمَايُؤۡمَرُونَ٦﴾ [التحريم: ٦] 
‘‘তোমরা নজিরো জাহান্নাম থকেে আত্মরক্ষা কর এবং তোমাদরে পরবিার-পরজিনকে জাহান্নাম থকেে রক্ষা কর। যার ইন্দন হবে মানুষ ও পাথর; যার ওপর নয়িোজতি রয়ছেনে কঠোর হৃদয় সম্পন্ন ফরিশিতাগণ, তারা আল্লাহ যা নর্দিশে করনে তা বাস্তবায়নে অবাধ্য হোন না, আর তাদরে যা নর্দিশে প্রদান করা হয়, তা-ই তামলি কর’ে’। [সূরা আত-তাহরীম, আয়াত: ৬]
রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনে,
্রكُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، الإِمَامُ رَاعٍ وَمَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَالرَّجُلُ رَاعٍ فِي أَهْلِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَالمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ فِي بَيْتِ زَوْجِهَا وَمَسْئُولَةٌ عَنْ رَعِيَّتِهَا، وَالخَادِمُ رَاعٍ فِي مَالِ سَيِّدِهِ وَمَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِগ্ধ
‘‘তোমাদরে প্রত্যকেইে দায়ত্বিপ্রাপ্ত এবং তোমাদরে প্রত্যকেকইে তার দায়ত্বিাধীনদরে সর্ম্পকে জজ্ঞিাসা করা হব,ে রাষ্ট্রনতো তার প্রজাদরে সর্ম্পকে দায়ত্বিশীল আর তাকে তাদরে পরচিালনার ব্যাপারে জজ্ঞিাসাবাদ করা হব।ে একজন পুরুষ লোক তার পরবিাররে ব্যাপারে দায়ত্বিশীল, তাকে তাদরে পরচিালনার ব্যাপারে জজ্ঞিাসাবাদ করা হব।ে একজন মহলিা তার স্বামীর ঘররে র্সাবকি ব্যাপারে দায়ত্বিশীলা, তাকে সটোর পরচিালনার ব্যাপারে জজ্ঞিাসাবাদ করা হব।ে একজন পরচিারক তার মালকিরে সম্পদরে সংরক্ষক, আর তাকে সটোর ব্যাপারে জজ্ঞিাসাবাদ করা হব।ে”
প্রয়ি পাঠক! পহলো বশৈাখ বা অন্য কোনো উপলক্ষ্যে ছলেমেয়েদেরেকে বর্পেদা ও বহোয়পনার সুযোগ দবিনে না। তাদরেকে বুঝান ও নয়িন্ত্রণ করুন। আপনি মসজদিে সালাত আদায় করছনে আর আপনার ছলেমেয়েে পহলো বশৈাখরে নামে বহোয়াভাবে মছিলি বা উৎসব করে বড়োচ্ছ।ে আপনার ছলেমেয়েরে পাপরে জন্য আপনার আমলনামায় গোনাহ জমা হচ্ছ।ে শুধু তাই নয়। অন্য পাপ আর অশ্লীলতার র্পাথক্য হলো, যে ব্যক্তি তার স্ত্রী-সন্তানদরে বহোয়াপনা ও অশ্লীলতার সুযোগ দয়ে তাকে ‘‘দাইউস’’ বলা হয় এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারংবার বলছেনে য,ে
গ্ধثلاثة قد حرم الله عليهم الجنة مدمن الخمر والعاق والديوث الذي يقر في أهله الخبث্র
“তনি ব্যক্তি আল্লাহ তাদরে জন্য জান্নাত হারাম করছেনে, মাদকাসক্ত, পতিা-মাতার অবাধ্য এবং দাইউস, যে তার পরবিাররে মধ্যে ব্যভচিারকে প্রশ্রয় দয়ে”।
নজিকেে এবং নজিরে পরবিার-পরজিনকে রক্ষা করার পাশাপাশি মুমনিরে দায়ত্বি হলো সমাজরে মানুষদরেকে সাধ্যমত ন্যায়রে পথে ও অন্যায়রে র্বজনে উদ্বুদ্ধ করতে হব।ে কাজইে পহলো বশৈাখ ও অন্য যে কোনো উপলক্ষ্যে ছলেমেয়েদেরে অবাধ মলোমশো ও বহোয়াপনার ক্ষত,ি অন্যায় ও পাপরে বষিয়ে সবাইকে সাধ্যমত সচতেন করুন। যদি আপনি তা করনে তবে কউে আপনার কথা শুনুক অথবা না শুনুক আপনি আল্লাহর কাছে অফুরন্ত সাওয়াব লাভ করবনে। আর যদি আপনি তা না করনে তবে এ পাপরে গযব আপনাকওে র্স্পশ করব।ে কুরআন ও হাদীসে বষিয়টি বারংবার বলা হয়ছে।ে
ব্যবসায়কি, প্রশাসনকি, রাজনতৈকি বা সামাজকি কোনো র্স্বাথে অনকে মুসলমি পহলো বশৈাখ উপলক্ষ্যে ছলেমেয়েদেরে অবাধ মলোমশো ও বহোয়াপনার পথ খুলে দওেয়ার জন্য মছিলি, মলো ইত্যাদরি পক্ষে অবস্থান ননে। আপনার দুনয়িা ও আখরিাতরে জন্য এরচয়েে ভয়ঙ্কর আর কছিুই হতে পারে না। অশ্লীলতা প্রসাররে ভয়ঙ্কর পাপ ছাড়াও ভয়ঙ্কর শাস্তরি কথা শুনুন:
﴿إِنَّٱلَّذِينَيُحِبُّونَأَنتَشِيعَٱلۡفَٰحِشَةُفِيٱلَّذِينَءَامَنُواْلَهُمۡعَذَابٌأَلِيمٞفِيٱلدُّنۡيَاوَٱلۡأٓخِرَةِۚوَٱللَّهُيَعۡلَمُوَأَنتُمۡلَاتَعۡلَمُونَ١٩﴾ [النور: ١٩] 
‘‘যারা চায় য,ে মুমনিদরে মধ্যে অশ্লীলতার প্রচার ঘটুক তাদরে জন্য দুনয়িা ও আখরিাতে রয়ছেে যন্ত্রণাদায়ক শাস্ত।ি আর আল্লাহ জাননে, তোমরা জান না।’’ [সূরা আন-নূর, আয়াত: ১৯]
সাবধান হোন! সর্তক হোন! আপনি কি আল্লাহর সাথে পাল্লা দবিনে? আল্লাহর বরিুদ্ধে যুদ্ধে নমেে আপনি কি জয়ী হবনে? কখন কীভাবে আপনার ও আপনার পরবিাররে জীবনে ‘‘যন্ত্রণাদায়ক শাস্ত’ি’ নমেে আসবে তা আপনি বুঝতওে পারবনে না। আপনার রাজনতৈকি, সামাজকি, ব্যবসায়কি বা অন্য কোনো র্স্বাথ উদ্ধাররে জন্য অন্য পথ দখেুন। অন্য বকিল্প চন্তিা করুন। তবে কখনোই অশ্লীলতা প্রসার ঘটে এরূপ কোনো বষিয়কে আপনার র্স্বাথ উদ্ধাররে বাহন বানাবনে না।
মহান আল্লাহ আমাদরেকে হফিাযত করুন। আমীন!!

শেয়ার করুন