মঙ্গলবার, জুলাই ১২, ২০১৬

চালকের লাইসেন্স ও সক্ষমতা আছে কিনা তা যাচাইয়ের অনুরোধ – ডিআইজি

পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এস এম মাহফুজুল হক নূরুজ্জামান চালকের লাইসেন্স ও সক্ষমতা আছে কি-না তা যাচাই করে গাড়ী চালাতে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। মানুষ যেন সাচ্ছন্দে বাড়ি যেতে পারে সে জন্য যা যা করা প্রয়োজন তা করা হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গত বছরের তুলনায় এ বছর মহাসড়কে আমাদের লোকসংখ্যা বেশি থাকবে। এদের মধ্যে কাজ করবে ছাত্র সংগঠন (রোবার স্কাউট), পরিবহন শ্রমিক-মালিক পক্ষের লোকজন সহ কমিউনিটি পুলিশ। তারা সর্বক্ষণিক যানজট নিরসনে কাজ করবে।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় পুলিশ কন্ট্রোল রুম উদ্বোধন ও মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এসে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সকল অফিসার ফোর্স কাউকে ছুটি দেওয়া হয়নি। মহাসড়কে যেন কোন চাঁদাবাজি, দূর্নীতি, ছিনতাই, রাহাজানি শিকার না হয় এবং অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি খপ্পরে না পড়ে এবং দুর্বৃত্তের হাতে পড়ে জীবন সংকট না হয় সে জন্য পুলিশ সহ কমিউনিটি পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক, রোবারস্কাউট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। তিনি আরো বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশ যদি ভাল থাকে তবে অন্য যে কোন বারের তুলনায় মানুষ এবার সুন্দরভাবে যাতায়াত করতে পারবে। ঢাকা রেঞ্জে ২০ হাজারের কাছাকাছি ফোর্স আছে। আমি ডিআইজি থেকে শুরু করে বাবুর্চি পর্যন্ত সবাই এই কর্মযজ্ঞের মধ্যে থাকবো। মানুষের যাওয়া-আসার এ কয়দিন আমরা রাস্তায় থাকবো।
এছাড়া নৌপথ, রেলপথ সেটাও আমাদের দেখতে হয়। এ সময় নৌপথে যাওয়ার আগে আকাশের অবস্থা বা আবহাওয়া জেনে যাত্রীদের উঠার আহব্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মল্লিক ফখরুল ইসলাম, এডিশনাল ডিআইজি মাহাবুব রহমান, হাইওয়ে এডিশনাল ডিআইজি আবুল কামাল, গাজীপুরের এসপি মোহাম্মদ হারুন-অর রশীদ, টাঙ্গাইলের এসপি সালেহ তানভীর, কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মোতালেব মিয়া, সালনা হাইওয়ে থানার ওসি আবু দাউদ মিয়া সহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা বৃন্দ।
এর আগে তিনি কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে যাত্রী, পরিবহন শ্রমিকদের সচেনতামূলক লিফলেট বিলি করা হয়।

শেয়ার করুন