বাংলাদেশে মুসলিম দের কোন জায়গা নেই,এটা ইন্ডিয়ার একটি অংগ রাজ্য।এটা
একসময় ইহুদিদের জান বাচিয়ে আশ্রয় দেয়া ফিলিস্তিন এর মত। দুধ কলা দিয়ে
সাপ পোষে , সেই সাপেরই এখন দংশনের শিকার।এখন সেটা একটি মুসলিম নিধন
কেন্দ্র। রাস্তায় নেমে তো আর কিছু বলা যাচ্ছে না... আর বাক স্বাধীনতা ই বা
কই, তাহলেই তো নাই হয়ে যেতে হয়। তবুও যারা একটু facebook এও share না
দিয়ে চুপ মেরে facebook সেলিব্রেটি,ভাব নিয়ে বসে আছেন।আপেক্ষা করেন
...সেই দিনটি দেখার জন্য ইরাক- গাজা-ফিলিস্তিন-আফগানিস্তান এর ই মত
বাংলাদেশ।
৮ মিনিট+ ভিডিও কি ঘটেছিলো ঢাকার গেন্ডারিয়ার মসজিদে ? মুসল্লীদের মুখেই শুনুন...
আল্লাহর ওয়াস্তে সবাই প্রতিবাদে নামুন.. লেখাটা পড়ুন.. ভিডিওটা দেখুন.. প্রচার করুন।
... ... ...
প্রতিবাদ
চাই সকল ইসলামী দলের.. প্রতিবাদ চাই মাদরাসা ওয়ালাদের.. তিনলক্ষের অধিক
মসজিদ ওয়ালাদের.. দেড় কোটির বেশি তাবলীগ ওয়ালাদের.. ঐক্যবদ্ধভাবে না
পারলে আলাদা আলাদা কর্মসূচি চাই.. ইনশাআল্লাহ যারাই যখন ডাকবে এই ইস্যূতে
হাজির হতে.. বুকের রক্ত দিতে প্রস্তুত আছি...
... ... ...
দুপুর
থেকেই গেন্ডারিয়া মসজিদের বুক কাঁপানো খবরটা ঘোরাঘুরি করছিলো হোমপেজে..
কিন্তু সবগুলো খবরই অবস্তুনিষ্ঠ পোর্টালের.. বারবার চুন খেয়ে মুখ পোড়াতে
দই দেখেও ভয় পাওয়ার মত অবস্থায় কিচ্ছু বলছিলাম না। চাচ্ছিলাম ব্যাপারটা
গুজব হোক। কিন্তু অনেক খুঁজে পেয়ে গেলাম একটা ভিডিও.. ভিডিওটা দেখে মাথাটা
ঝিম ধরে গেলো।
'
একজন পুলিশ অফিসার যার নামটা মুসলিম নাম সেই
কুলাঙ্গারটা হাতে পিস্তল নিয়ে মুসুল্লিদেরকে কুকুড়ের মত করে ধাক্কা দিয়ে
দিয়ে মসজিদ থেকে বের করে দিচ্ছিলো আর বলছিলো,
'সব বাইর হ! সবাই বাইর হ!! যারাই এখানে নামাজ পড়তে আসবি সবাইরে গ্রেফতার করা হবে'
'
বারবার
দেখছিলাম, এটা কি বাংলাদেশে?? কোনভাবেই বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না নিজেকে!
মিজান নামের একটা মুসলিম পুলিশ এই কাজটা করছে?? একটা কুলাঙ্গার তার ভয়ংকর
চেহারাটা প্রকাশ করছে??
ভুলে গেছে ঐ মিজান যে তার জন্মের পর এই
মসজিদেরই কোন এক নামাজী তার কানে মসজিদ থেকে বের হওয়া পাঁচ ওয়াক্তের
আজানটা দিয়েছিলো। তখনই তো তোকে বলে দিয়েছিলো এই আজান ভুলে যাসনে. এটা তোর
প্রভূর ডাক. শুনবি প্রতিদিন পাঁচবার.. মসজিদ থেকেই.. সেই মসজিদ বন্ধ করতে
আসিস তুই??
থুথু ফেলতেও ঘৃণা হয় তোর দিকে।
.
হিন্দু বৌদ্ধ
খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ নামের এই সংগঠনটাকে নিয়ে আসলে কিচ্ছু বলার নাই কারন এই
সংগঠনটাকে আশকারা দিয়ে দিয়ে এদেশটাকে ধ্বংশের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে
যাওয়া হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতির এই প্রিয় স্বদেশটাকে খুবলে
খাওয়ার সব পথ ক্লিয়ার করা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক উসকানী দিয়েই! তারা তাদের
কাজ ঠিকঠাক করেই যাচ্ছে কিন্তু আমরা?? করছিটা কি??
.
হারামজাদা একটা গোষ্টি তাদের নিয়ে ভয়ংকর একটা নীল নকশা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে এটা এখন দিনের আলোর ন্যায় পরিস্কার কথা।
'
এদেশে
মসজিদ রক্ষায় রক্ত দেয়ার ইতিহাস আরো আছে.. মালিবাগ শহীদ মসজিদ রক্ষায়
বিএনপি আমলেই বুকের তাঁজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলো একঝাঁক তরুণ যুবক। কিন্তু
সেবারের ঘটনাটা রাজনৈতিক ছিলো যার রাজনৈতিক সুরাহা হবার পথ খোলা ছিলো.. যেই
পথের বাকে বাকে কিছু ক্ষমতালিপ্সু ইসলামের ঠিকাদারদের চিনতে পেরেছিলাম
আমরা.. তবে শেষ পর্যন্ত সেটা মসজিদই ছিলো। বুকের তাঁজা রক্তের দামে মসজিদ
আমরা পেয়েছিলাম।
'
কিন্তু এবার??
হিন্দুরা বাধা দিচ্ছে মসজিদে নামাজ আদায় করতে.. তাও বাংলাদেশে??
'
কি হবে ইসলামী রাজনীতি দিয়ে? কি করবেন সেই রাজনীতিতে??
.
কি হবে মাদরাসায় দরস দিয়ে? কোথায় পাঠাবেন সেই দরস নিয়ে বের হওয়া মসজিদ ওয়ালাদের??
.
কি হবে মসজিদে মসজিদে বিছানা বেডিং নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে? যদি মসজিদটাই না থাকে??
.
কি হবে আপনার লাখো স্বাক্ষরের ফতোয়া দিয়ে? যদি একটা মসজিদকে বাঁচাতে লাখো কন্ঠের আওয়াজ না তুলতে পারেন!
.
.
আমার
মসজিদ নিয়ে যাচ্ছে..! কান্না পাচ্ছে প্রচুর.. মসজিদ থেকে ঘাড়ধাক্কা
দিয়ে মুসুল্লীদের বের করে দেয়া হচ্ছে.. চিত্কার করতে ইচ্ছে করছে..
.
ছাড়
দেয়ার মানসিকতা অনেক দেখিয়েছি কিন্তু হৃদয় খুবলে নিতে চাইলে সেই কালো
হাতটা ধরে মুচড়ে দেয়ার অধিকার তো আমার আছে.. একজন মুসলমান হিসেবে মসজিদ
আমার জান.. আমার প্রান.. ধুকধুক করা আমার হৃদয় আমার মসজিদ.. যেখানে আমার
প্রশান্তি.. সেই মসজিদ তোরা নিয়ে যাবি?? সেখানে নামাজ আদায় করতে দিবি
না?? পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দিবি নামাজ পড়তে এলে গ্রেফতার করবি??
কোন সাহসে করছিস এটা??
কাদের স্বার্থে করছিস এটা??
.
বিচার চাই কুলাঙ্গার মিজানের.. বিচার চাই ঐ একদল হিন্দু জারজদের..
.
মসজিদ
যায়গা বৈধ অবৈধ সেটা আইন আদালত ভূমি অফিস বা রেজিষ্ট্রি অফিস বুঝবে..
অবৈধ হলে সেটার সুরাহা হবে.. সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজায় থাকবে..
কিন্তু
কোন অধিকারে হিন্দুরা এসে মসজিদে নামাজ আদায়ে বাঁধা দেয়? কোন সাহসে আগুন
নিয়ে খেলা করার এই দুঃসাহস দেখায় তারা?? কোন বলে বলিয়ান হয়ে একটা
মিজান এসে হিন্দুদের পক্ষ নিয়ে এখানে মুসুল্লীদের তাড়িয়ে দেয়??
.
এটার বিচার চাই.. কঠোর বিচার।
.
এই হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের একের পর ইসলামকে খুবলে খেতে চাওয়ার নীল নকশার অবসান চাই।
.
নয়ত জনতা ফুঁসে উঠে কোন কিছু করে ফেললে তার দায়ভার কেউ নেবে না..
মনে রাখবেন, হৃদয় খুবলে নিতে চাইলে সেই কালোহাত ভেঙ্গে দেয়া হবে সযত্নে!!
.
প্রতিবাদ
চাই সকল ইসলামী দলের.. প্রতিবাদ চাই মাদরাসা ওয়ালাদের.. তিনলক্ষের অধিক
মসজিদ ওয়ালাদের.. দেড় কোটির বেশি তাবলীগ ওয়ালাদের.. ঐক্যবদ্ধভাবে না
পারলে আলাদা আলাদা কর্মসূচি চাই.. ইনশাআল্লাহ যারাই যখন ডাকবে এই ইস্যূতে
হাজির হতে.. বুকের রক্ত দিতে প্রস্তুত আছি..
Writter Mahiuddin Abdullah
একসময় ইহুদিদের জান বাচিয়ে আশ্রয় দেয়া ফিলিস্তিন এর মত। দুধ কলা দিয়ে
সাপ পোষে , সেই সাপেরই এখন দংশনের শিকার।এখন সেটা একটি মুসলিম নিধন
কেন্দ্র। রাস্তায় নেমে তো আর কিছু বলা যাচ্ছে না... আর বাক স্বাধীনতা ই বা
কই, তাহলেই তো নাই হয়ে যেতে হয়। তবুও যারা একটু facebook এও share না
দিয়ে চুপ মেরে facebook সেলিব্রেটি,ভাব নিয়ে বসে আছেন।আপেক্ষা করেন
...সেই দিনটি দেখার জন্য ইরাক- গাজা-ফিলিস্তিন-আফগানিস্তান এর ই মত
বাংলাদেশ।
৮ মিনিট+ ভিডিও কি ঘটেছিলো ঢাকার গেন্ডারিয়ার মসজিদে ? মুসল্লীদের মুখেই শুনুন...
আল্লাহর ওয়াস্তে সবাই প্রতিবাদে নামুন.. লেখাটা পড়ুন.. ভিডিওটা দেখুন.. প্রচার করুন।
... ... ...
প্রতিবাদ
চাই সকল ইসলামী দলের.. প্রতিবাদ চাই মাদরাসা ওয়ালাদের.. তিনলক্ষের অধিক
মসজিদ ওয়ালাদের.. দেড় কোটির বেশি তাবলীগ ওয়ালাদের.. ঐক্যবদ্ধভাবে না
পারলে আলাদা আলাদা কর্মসূচি চাই.. ইনশাআল্লাহ যারাই যখন ডাকবে এই ইস্যূতে
হাজির হতে.. বুকের রক্ত দিতে প্রস্তুত আছি...
... ... ...
দুপুর
থেকেই গেন্ডারিয়া মসজিদের বুক কাঁপানো খবরটা ঘোরাঘুরি করছিলো হোমপেজে..
কিন্তু সবগুলো খবরই অবস্তুনিষ্ঠ পোর্টালের.. বারবার চুন খেয়ে মুখ পোড়াতে
দই দেখেও ভয় পাওয়ার মত অবস্থায় কিচ্ছু বলছিলাম না। চাচ্ছিলাম ব্যাপারটা
গুজব হোক। কিন্তু অনেক খুঁজে পেয়ে গেলাম একটা ভিডিও.. ভিডিওটা দেখে মাথাটা
ঝিম ধরে গেলো।
'
একজন পুলিশ অফিসার যার নামটা মুসলিম নাম সেই
কুলাঙ্গারটা হাতে পিস্তল নিয়ে মুসুল্লিদেরকে কুকুড়ের মত করে ধাক্কা দিয়ে
দিয়ে মসজিদ থেকে বের করে দিচ্ছিলো আর বলছিলো,
'সব বাইর হ! সবাই বাইর হ!! যারাই এখানে নামাজ পড়তে আসবি সবাইরে গ্রেফতার করা হবে'
'
বারবার
দেখছিলাম, এটা কি বাংলাদেশে?? কোনভাবেই বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না নিজেকে!
মিজান নামের একটা মুসলিম পুলিশ এই কাজটা করছে?? একটা কুলাঙ্গার তার ভয়ংকর
চেহারাটা প্রকাশ করছে??
ভুলে গেছে ঐ মিজান যে তার জন্মের পর এই
মসজিদেরই কোন এক নামাজী তার কানে মসজিদ থেকে বের হওয়া পাঁচ ওয়াক্তের
আজানটা দিয়েছিলো। তখনই তো তোকে বলে দিয়েছিলো এই আজান ভুলে যাসনে. এটা তোর
প্রভূর ডাক. শুনবি প্রতিদিন পাঁচবার.. মসজিদ থেকেই.. সেই মসজিদ বন্ধ করতে
আসিস তুই??
থুথু ফেলতেও ঘৃণা হয় তোর দিকে।
.
হিন্দু বৌদ্ধ
খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ নামের এই সংগঠনটাকে নিয়ে আসলে কিচ্ছু বলার নাই কারন এই
সংগঠনটাকে আশকারা দিয়ে দিয়ে এদেশটাকে ধ্বংশের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে
যাওয়া হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতির এই প্রিয় স্বদেশটাকে খুবলে
খাওয়ার সব পথ ক্লিয়ার করা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক উসকানী দিয়েই! তারা তাদের
কাজ ঠিকঠাক করেই যাচ্ছে কিন্তু আমরা?? করছিটা কি??
.
হারামজাদা একটা গোষ্টি তাদের নিয়ে ভয়ংকর একটা নীল নকশা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে এটা এখন দিনের আলোর ন্যায় পরিস্কার কথা।
'
এদেশে
মসজিদ রক্ষায় রক্ত দেয়ার ইতিহাস আরো আছে.. মালিবাগ শহীদ মসজিদ রক্ষায়
বিএনপি আমলেই বুকের তাঁজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলো একঝাঁক তরুণ যুবক। কিন্তু
সেবারের ঘটনাটা রাজনৈতিক ছিলো যার রাজনৈতিক সুরাহা হবার পথ খোলা ছিলো.. যেই
পথের বাকে বাকে কিছু ক্ষমতালিপ্সু ইসলামের ঠিকাদারদের চিনতে পেরেছিলাম
আমরা.. তবে শেষ পর্যন্ত সেটা মসজিদই ছিলো। বুকের তাঁজা রক্তের দামে মসজিদ
আমরা পেয়েছিলাম।
'
কিন্তু এবার??
হিন্দুরা বাধা দিচ্ছে মসজিদে নামাজ আদায় করতে.. তাও বাংলাদেশে??
'
কি হবে ইসলামী রাজনীতি দিয়ে? কি করবেন সেই রাজনীতিতে??
.
কি হবে মাদরাসায় দরস দিয়ে? কোথায় পাঠাবেন সেই দরস নিয়ে বের হওয়া মসজিদ ওয়ালাদের??
.
কি হবে মসজিদে মসজিদে বিছানা বেডিং নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে? যদি মসজিদটাই না থাকে??
.
কি হবে আপনার লাখো স্বাক্ষরের ফতোয়া দিয়ে? যদি একটা মসজিদকে বাঁচাতে লাখো কন্ঠের আওয়াজ না তুলতে পারেন!
.
.
আমার
মসজিদ নিয়ে যাচ্ছে..! কান্না পাচ্ছে প্রচুর.. মসজিদ থেকে ঘাড়ধাক্কা
দিয়ে মুসুল্লীদের বের করে দেয়া হচ্ছে.. চিত্কার করতে ইচ্ছে করছে..
.
ছাড়
দেয়ার মানসিকতা অনেক দেখিয়েছি কিন্তু হৃদয় খুবলে নিতে চাইলে সেই কালো
হাতটা ধরে মুচড়ে দেয়ার অধিকার তো আমার আছে.. একজন মুসলমান হিসেবে মসজিদ
আমার জান.. আমার প্রান.. ধুকধুক করা আমার হৃদয় আমার মসজিদ.. যেখানে আমার
প্রশান্তি.. সেই মসজিদ তোরা নিয়ে যাবি?? সেখানে নামাজ আদায় করতে দিবি
না?? পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দিবি নামাজ পড়তে এলে গ্রেফতার করবি??
কোন সাহসে করছিস এটা??
কাদের স্বার্থে করছিস এটা??
.
বিচার চাই কুলাঙ্গার মিজানের.. বিচার চাই ঐ একদল হিন্দু জারজদের..
.
মসজিদ
যায়গা বৈধ অবৈধ সেটা আইন আদালত ভূমি অফিস বা রেজিষ্ট্রি অফিস বুঝবে..
অবৈধ হলে সেটার সুরাহা হবে.. সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজায় থাকবে..
কিন্তু
কোন অধিকারে হিন্দুরা এসে মসজিদে নামাজ আদায়ে বাঁধা দেয়? কোন সাহসে আগুন
নিয়ে খেলা করার এই দুঃসাহস দেখায় তারা?? কোন বলে বলিয়ান হয়ে একটা
মিজান এসে হিন্দুদের পক্ষ নিয়ে এখানে মুসুল্লীদের তাড়িয়ে দেয়??
.
এটার বিচার চাই.. কঠোর বিচার।
.
এই হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের একের পর ইসলামকে খুবলে খেতে চাওয়ার নীল নকশার অবসান চাই।
.
নয়ত জনতা ফুঁসে উঠে কোন কিছু করে ফেললে তার দায়ভার কেউ নেবে না..
মনে রাখবেন, হৃদয় খুবলে নিতে চাইলে সেই কালোহাত ভেঙ্গে দেয়া হবে সযত্নে!!
.
প্রতিবাদ
চাই সকল ইসলামী দলের.. প্রতিবাদ চাই মাদরাসা ওয়ালাদের.. তিনলক্ষের অধিক
মসজিদ ওয়ালাদের.. দেড় কোটির বেশি তাবলীগ ওয়ালাদের.. ঐক্যবদ্ধভাবে না
পারলে আলাদা আলাদা কর্মসূচি চাই.. ইনশাআল্লাহ যারাই যখন ডাকবে এই ইস্যূতে
হাজির হতে.. বুকের রক্ত দিতে প্রস্তুত আছি..
Writter Mahiuddin Abdullah
খবর বিভাগঃ
মুক্তচিন্তা