বর্তমান সময়ে অনেক ছেলেরাই বিভিন্ন স্টাইলে
চুল কাটান। মাথার কিছু অংশের চুল মুড়িয়ে বা ছোট করে অবশিষ্ট কিছু অংশের
চুল রেখে দেয়া হয়। এভাবে চুলের কাটিং করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
একটি
হাদিসে এসেছে, হযরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এভাবে চুল কাটাকে ‘কাযাআ’
শব্দ দ্বারা ব্যক্ত করেছেন। ‘কাযাআ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ, আকাশের
বিক্ষিপ্ত মেঘমালা। আকাশের কিছু স্থানে মেঘ থাকে আবার কিছু স্থানে মেঘ থাকে
না। এভাবে মেঘ সদৃশ্য স্টাইলে মাথার কোথাও বা কোনো অংশে চুল রাখা এবং কোনো
অংশের চুল ছাঁটা ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে নিষেধ ও বর্জনীয়।
হযরত
উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ‘কাযাআ’ করতে অর্থাত মাথার কিছু অংশের
চুল মুড়িয়ে অবশিষ্ট অংশের চুল রাখতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)
ইমাম
বুখারি (রা.) তার বুখারি শরিফের পোশাক অধ্যায়ে এই নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত একটি
পরিচ্ছেদ বিন্যস্ত করেছেন। মুসলিম শরীফের এক হাদিসে আছে, প্রিয় নবী (সা.)
একটি শিশুর চুল এভাবে দেখে এরূপ চুল কাটতে নিষেধ করে বলেন, হয়তো সব চুল
মু-িয়ে ফেল অথবা সব চুল রেখে দাও। (মেশকাত শরিফ ৩২৪)
আরেক
বর্ণনায় পাওয়া যায়- হাজ্জাজ ইবনে হাসান বলেন, আমরা একবার হজরত আনাস (রা.)
এর ঘরে গেলাম। তিনি তখন আমাকে বলনে, আমার বোন আমাকে বলেছেন, একবার নবিজী
(সা.) আমাদের ঘরে এলেন। তুমি তখন ছোট। তোমার মাথার চাঁদির দুই অংশে কেবল
কিছু চুল ছিলো। তিনি তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন এবং তোমার জন্য বরকতের
দোয়া করলেন। আর অন্যদের উদ্দেশ্যে বললেন, তার মাথার ওই দুই অংশের চুলগুলিও
মু-িয়ে দাও। কেননা তা ইহুদিদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি। (সুনান আবী দাউদ: ৪১৯৭)
খবর বিভাগঃ
ইসলাম
