নিজের জন্য নয়, দেশীয় চলচিত্রকে নতুন রূপে এগিয়ে নিতে মিলার কঠোর পরিশ্রম। সিনেমার কাহিনী লিখে যাচ্ছেন একের পর এক। ইতিমধ্যে কয়েকটা নাটকের কাহিনী লিখেছেন এই তরুণী লেখিকা এবং শুটিং শেষ করাও হয়েছে। প্রকাশ হয়েছে বেশ কয়েকটি বই।সৃজনশীল গল্প আর বাংলাদেশের প্রকৃতি, জীবন যাত্রা, মানুষের দু:খ নাড়া দেয় তার মনে হাতিয়ার হিসেবে ধরে নিয়েছেন তার কলম।তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-
ছোট বেলা থেকেই লেখালেখি করতাম। আস্তে আস্তে লেখাটা নেশায় পরিনত হয়।কোন কারন ছাড়াই লেখা শুরু করলাম গান,ছোট গল্প,নাটক।খুব ভাল লাগে লিখতে তাই লিখি শুধু মাত্র নিজের জন্য কারন এতেই আমার সর্বোচ্চ শান্তি।চারিদিকে যখন সবাই বাংলা সিনেমা নিয়ে খারাপ কথা বলত তুলনা করত বাইরের সিনেমা গুলোর সাথে তখন খুব খারাপ লাগতো।ভাল হোক খারাপ হোক আমার দেশ আমার দেশের সংস্কৃতি তা যতই খারাপ হোকনা কেন এটাই আমার গর্ব।তখন থেকে শপথ নিলাম এমন গল্প লিখব যা আমার দেশের মানুষের অন্তর ছুয়ে যাবে। তারা অন্যদেশীয় চলচিত্র দেখে না বাংলা চলচিত্র দেখেই হাত তালি দিবে । আমাদের নিজেদের গল্প দিয়ে আমরা নিজেরাই সিনেমা তৈরি করব বাইরের কোন দেশের সাহায্য ছাড়াই।অন্য কোন দেশের হাতে নিজের সংস্কৃতি কে তুলে দেয়া মানে হল নিজের দেশের সম্মানে আঘাত করা। অন্যে দেশীয় সংস্কৃতি অনুকরণ করা নয় নিজের দেশীয় সংস্কৃতিতে যা আছে তাই অনুকরণ করেই নতুনত্ব সৃষ্টি করাই আমার আমার লক্ষ ও উদ্দেশ্য। তাই কোন স্বার্থ ছাড়াই একের পর এক লিখে যাচ্ছি সিনেমার কাহিনী। যা আমাদের দেশীয় চলচিত্রে নতুন রপ দেবে।স্বপ্ন একটাই আমার দেশীয় চলচিত্রের উন্নয়ন।শুধু দেশেই নয় আমাদের সিনেমা একদিন বহিরবিশ্বে আলোড়োন সৃষ্টি করবে এটা আমার স্বপ্ন ও অঙ্গিকার।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন