প্রভাবশালী
নেতা ও মৌচাক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি আঃ মালেক খান এর নামে ৪ নং মৌচাক
ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান হোসেন সাহেবের নিকট অর্থ আত্নসাৎ এর অভিযোগ
দায়ের করিয়া সুবিচার প্রার্থনা করেছেন শেখ শহীদুল ইসলাম স্বপন শেখ শহীদুল
ইসলাম স্বপন তিনি তার অভিযোগ পত্রে বলেন যে, বিবাদী মোঃ আব্দুল মালেক খান,
পিতাঃ আলী মোহাম্মদ খান সাং-পূর্ব মৌচাক, পোঃ মৌচাক, থানাঃ কালিয়াকৈর,
জেলাঃ গাজীপুর বিগত ১১/০৫/২০১৪ ইং তারিখে নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে আমাকে
একটি অঙ্গীকার নামা দলিল করিয়া দিয়া আমার নিকট হইতে নগদ ৩,০০,০০০/= (তিন লক্ষ) টাকা হাওলাদ গ্রহন করেন। এবং উক্ত অঙ্গীকারনামা
দলিল অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে উল্লেখিত টাকা ফেরত দেওয়ার শর্ত থাকলেও
নানা রকম তালবাহানা করিয়া সময় ক্ষেপন করিতে থাকে। যাহার কারনে আমি উক্ত
অঙ্গীকারনামা দলিলে উল্লেখিত পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন লোকের
নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ দিতে অব্যাহত থাকার একপর্যায়ে আমাকে আমার হাওলাদী
পাওনা ৩,০০,০০০/= (তিন লক্ষ) টাকা ফেরত দিতে অপারগতা প্রকাশ করিয়া বিবাদী
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন মাঝুখান মৌজাস্থিত এস এস ৯১ নং, আর এস ৯১
নং খতিয়ানের এস এস ৭৮৬, আর এস ১৪৬১ দাগের ০৪ শতাংশ জমি বিগত ২৮/০৭/২০১৫ ইং
তারিখে আমার সহিত পুনরায় নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে বায়না চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।
কিন্তু খুজ নিয়া জানা যায় উক্ত বায়নায় উল্লেখিত সম্পত্তির মালিকানা বিবাদী
রেজিষ্ট্রিী দলিলের মাধ্যমে অর্জন করিতে পারে নাই। সেই কারনে আমার বায়না
চুক্তি কার্যকর করিতে পারে নাই। তারপর আমি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ৪নং মৌচাক
ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান এর নিকট লিখিত ভাবে বিগত ০৩/০১/২০১৬ ইং সনে
অভিযোগ দায়ের করি । এবং অভিযোগ দায়ের এর ৬ মাস পর জুলাই ২০১৬ তে পঞ্চাশ
হাজার এবং সেপ্টেম্বর ২০১৬ তে পঞ্চাশ হাজার মোট একলক্ষ টাকা ফেরত দিলেও
বাকী টাকা ফেরত দিচ্ছেনা। মূলত বিবাদী নানা রকম প্রতারনার আশ্রয় গ্রহন
করিয়া আমার পাওনা টাকা আত্নসাৎ এর প্রচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। এবং আমার সরল
বিশ্বাস ভঙ্গ করিয়া উল্লেখিত পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার তালবাহানা শুরু
করিয়া দেই দিচ্ছি বলিয়া কাল ক্ষেপন করিতেছে । এমতাবস্থায় বিবাদী কালিয়াকৈর
উপজেলার প্রভাবশালী কালিয়াকৈর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি হিরু মিয়ার ছোট ভাই ও
উপজেলা যুবলীগের সদস্য এবং মৌচাক ইউনিয়ন যুবরীগের সহ-সভাপতি এছাড়া বিবাদী
স্থানীয় প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় থাকায় আমার পক্ষে
কোনভাবেই টাকা আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না এবং আমাকে বিভিন্ন সময় হুমকি প্রদান
করিতেছে যে তুই আমার কিচ্ছু করতে পারবিনা আর যদি বেশি বাড়াবাড়ি করিস তাহলে
বিভিন্ন মামলায় ফাসাইয়া দিব তাই বাধ্য ও নিরুপায় হইয়া তিনি আপনার
চেয়ারম্যানের স্মরনাপন্ন হন। বিগত ০৩ রা জানুয়ারী ২০১৬ ইং তারিখে মচাক
ইউনিয়ন পরিষদে হাজির হইয়্যা লিখিত ভাবে মৌচাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
লোকমান হোসেন এর নিকট অর্থ আত্নসাৎ এর অভিযোগ দায়ের করিয়া সুবিচার
প্রার্থনা করেন। কিন্তু অভিযোগ করার দেড় বছর অতিবাহিত হলেও পাওনা টাকা
আদায়ের কোন তোড়জোড় নেই। তোরজোড় না থাকায় তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক
মাননীয় মন্ত্রীর নিকট লিখিত আবেদন করলে তিনি চেয়ারম্যান বরাবর সুপারিশ করেন
উল্লেখিত বিষয় দ্রুত সমাধান করার জন্য।
খবর বিভাগঃ
অপরাধ ফিচার

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন