মায়ানমারের মগজান্তার মানবতাবিরোধী আচরনে লাখ লাখ রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশের জন্য কঠিন বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। এটি আর মায়ানমারের নিজস্ব বিষয় নয়, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে স্পষ্ট আঘাত। তাদের এ অমানবিক আচরনে বিশ্ববিবেক জাগ্রত হয়েছে। বিশ্ববাসী ঘাতক মগজান্তাকে ধিক্কার জানাচ্ছে। কিন্তু কতিপয় অশুভ পরাশক্তি জুজুর ভয়ে সরাসরি সামরিক সাহায্যে এগিয়ে আসছেনা। এখনই এর প্রতিবাদ না করলে, পৃথিবীতে বাঙ্গালি জাতিসত্ত্বার অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। তাই বাংলাদেশের ১৬কোটি নাগরিকের জন্য অনিবার্য্য হয়েছে, বিশ্ববিবেকের সমর্থন কাজে লাগিয়ে মগজান্তাকে উচিত শিক্ষা দেয়া। রোহিঙ্গাদের জন্য রাখাইন মুক্ত করা ও সেখানে বাঙ্গালি জাতিসত্ত্বার বিকাশ সাধন করা।
১৯৭১ সালে বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালিন সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ও ৩০লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন। তিনি লাখো শহীদকে বাদ দিয়ে মাত্র ২লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত করেননি। তাঁর আদর্শ মতে, আমরা বাংলাদেশের ১৬কোটি নাগরিক সবাই মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ প্রজন্ম। আমরা সার্বভৌমত্ব, বাঙ্গালি জাতিসত্ত্বা ও ধর্ম রক্ষায় দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আমাদের উচিত, ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী মগজান্তা থেকে রাখাইন মুক্ত করা। তা বাংলাদেশের অধিভুক্ত করে আয়তন বৃদ্ধিসহ সুসংহত সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা। এতে বিশ্বে বাঙ্গালি জাতিসত্ত্বার বিকাশ ঘটবে। আমরা ১৬কোটি নাগরিক নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা বিবেচিত হব।
শিক্ষানবিস আইনজীবী, ঢাকা। mrmostak786@gmail.com.
খবর বিভাগঃ
সম্পাদকীয়
সিরাজী এম.আর মোস্তাক এর লেখা
0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন