একটা শিক্ষনীয় গল্প
এক লোক কোন কাজ করত না বা কোন কাজ জানতও না একদিন সেই লোক বিয়ে করল এক কাজীর মেয়েকে। এই কাজীর মেয়ে বিয়ে কিভাবে পড়ায় তা জানত এইবার সে তার স্বামীকে তা শিখিয়ে দিল। তারপর থেকে ঐ লোকটি মানুষের বিয়ে পড়িয়ে যা উপার্জন করত তা দিয়ে সংসার চালাত। একদিন এক বিয়েতে তাকে টাকার পরিবর্তে একটা বকনা বাছুর উপহার দিল। সে ঐ বাছুরটিকে খুব যতœ সহকারে পতিপালন করতে লাগল। একদিন সেই বাছুরটি বড় হল এবং সে একটা বাচ্চা প্রসব করল। এখন ঐ গাভীটির ৫ কেজি করে দুধ হয়। তো ঐ লোকটি চিন্তা করল এবার ১ম দুধ টুকু নিয়ে আমি তার বাড়ীতে যাব যে আমাকে গাভীটি উপহার দিয়েছিল। যেই কতা সেই কাজ। পথিমধ্যে ঐ লোকটির ঐ এলাকার এক মাতাব্বর সাথে দেখা হল বিস্তারিত জিজ্ঞাসা করল এবং সব কিছু তাকে খুলে বলল। মাতাব্বর তখন ঐ লোকটির সব কথা শুনে মনে মনে ভাবল যে, আমার বাড়ীতে এতগুলো গাভী মিলে ৫ কেজি দুধ হয় না আর ১ টা গাভী থেকে ৫ কেজি দুধ এই গাভি আমার লাগবে। মাতাব্বর ঐ লোকটি সেই বাড়ীতে পৌছানোর আগেই বাড়ীর মালিককে বলল ঐ গাভী আমার লাগব। বাড়ীর মালিক জিজ্ঞসা করল সেটা কিভাবে সম্ভব। তখন মাতাব্বর বলল তুমি বলবা যে, এই গাভীটা তুমি তাকে রেহান দিয়োিছলে এখন তুমি আমাকে আমার শর্ত অনুযায়ী গাভী ফেরত দাও আর বাছুর রেখে দাও ব্যাস তার বিচার তো আমিই করব। তারপর ঐ লোকটি সেই বাড়ীতে পৌছালে বাড়ীর মালিক তাকে মাতব্বর এর শেখানো কথা বলতে লাগল এবং সেই মোতাবেক মাতাব্বর বিচার করে সাফ জানিয়ে দিল যে, গাভী ফেরত দিতে হবে। এমতাবস্থায় ঐ লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ী ফিরতে লাগল এব পথিমধ্যে শিয়াল পন্ডিতের সাথে তার দেখা, শিয়াল পন্ডিত তাকে জিজ্ঞাসা করল তোমার কি হয়েছে পরে সে শিয়াল পন্ডিতকে সব কিছু খুলে বলল তারপর শিয়াল পন্ডিত তাকে বলল আগামী শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর আমি বিচার করব তুমি মাতাব্বরকে বলে দাও তারপর সে মাতাব্বর কে বলল আগামী শুক্রবার শিয়াল পন্ডিত বিচার করবে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর মানুষ এক এক করে উঠে যাচ্ছে কি সেই সময় শিয়াল আর শিয়ালনী হেলতে হেলতে আসল এবং মাতাব্বর খুব রাগান্বিত হয়ে বলল এত দেরী কেন? তখন শিয়াল পন্ডিত বলল যে, আপনার বিচার করার আগে আমার বিচার করেন তখন মাতাব্বর বলল তোর কিসের বিচার বল তখন শিয়াল বলল আমি যখন শিয়ালনী কে বিয়ে করি তখন তার দিনে একবার প্রসাব করার কথা ছিল কিন্তু এখন সে দিনে তিন বার প্রসাব করে এর কারন কি? তখন মাতাব্বর শিয়ালনীকে জ্ঞিাসা শিয়াল যা বলল তা কি ঠিক? তখন শিয়ালনী বলল হ্যা সব ঠিক আবার মাতাব্বর শিয়ালনীকে জ্ঞিাসা করল কেন তুই দিনে তিন বার প্রসাব করছ? তখন শিয়ালনী বলল (১) যে দিয়া না করে তারমুখে প্রসাব করি একবার আর (২) যে আরেক জনকে কুবুদ্ধি দেয় তার মুখে প্রসাব করি একবার আর (৩) আমার স্বামীর আইন মোতাবেক প্রসাব করি একবার এই মোট তিন বার। তখন মাতাব্র তার ভুল বুঝতে পারল এবং তার গাভী তাকে ফেরত দিয়ে দিল।
এক লোক কোন কাজ করত না বা কোন কাজ জানতও না একদিন সেই লোক বিয়ে করল এক কাজীর মেয়েকে। এই কাজীর মেয়ে বিয়ে কিভাবে পড়ায় তা জানত এইবার সে তার স্বামীকে তা শিখিয়ে দিল। তারপর থেকে ঐ লোকটি মানুষের বিয়ে পড়িয়ে যা উপার্জন করত তা দিয়ে সংসার চালাত। একদিন এক বিয়েতে তাকে টাকার পরিবর্তে একটা বকনা বাছুর উপহার দিল। সে ঐ বাছুরটিকে খুব যতœ সহকারে পতিপালন করতে লাগল। একদিন সেই বাছুরটি বড় হল এবং সে একটা বাচ্চা প্রসব করল। এখন ঐ গাভীটির ৫ কেজি করে দুধ হয়। তো ঐ লোকটি চিন্তা করল এবার ১ম দুধ টুকু নিয়ে আমি তার বাড়ীতে যাব যে আমাকে গাভীটি উপহার দিয়েছিল। যেই কতা সেই কাজ। পথিমধ্যে ঐ লোকটির ঐ এলাকার এক মাতাব্বর সাথে দেখা হল বিস্তারিত জিজ্ঞাসা করল এবং সব কিছু তাকে খুলে বলল। মাতাব্বর তখন ঐ লোকটির সব কথা শুনে মনে মনে ভাবল যে, আমার বাড়ীতে এতগুলো গাভী মিলে ৫ কেজি দুধ হয় না আর ১ টা গাভী থেকে ৫ কেজি দুধ এই গাভি আমার লাগবে। মাতাব্বর ঐ লোকটি সেই বাড়ীতে পৌছানোর আগেই বাড়ীর মালিককে বলল ঐ গাভী আমার লাগব। বাড়ীর মালিক জিজ্ঞসা করল সেটা কিভাবে সম্ভব। তখন মাতাব্বর বলল তুমি বলবা যে, এই গাভীটা তুমি তাকে রেহান দিয়োিছলে এখন তুমি আমাকে আমার শর্ত অনুযায়ী গাভী ফেরত দাও আর বাছুর রেখে দাও ব্যাস তার বিচার তো আমিই করব। তারপর ঐ লোকটি সেই বাড়ীতে পৌছালে বাড়ীর মালিক তাকে মাতব্বর এর শেখানো কথা বলতে লাগল এবং সেই মোতাবেক মাতাব্বর বিচার করে সাফ জানিয়ে দিল যে, গাভী ফেরত দিতে হবে। এমতাবস্থায় ঐ লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ী ফিরতে লাগল এব পথিমধ্যে শিয়াল পন্ডিতের সাথে তার দেখা, শিয়াল পন্ডিত তাকে জিজ্ঞাসা করল তোমার কি হয়েছে পরে সে শিয়াল পন্ডিতকে সব কিছু খুলে বলল তারপর শিয়াল পন্ডিত তাকে বলল আগামী শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর আমি বিচার করব তুমি মাতাব্বরকে বলে দাও তারপর সে মাতাব্বর কে বলল আগামী শুক্রবার শিয়াল পন্ডিত বিচার করবে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর মানুষ এক এক করে উঠে যাচ্ছে কি সেই সময় শিয়াল আর শিয়ালনী হেলতে হেলতে আসল এবং মাতাব্বর খুব রাগান্বিত হয়ে বলল এত দেরী কেন? তখন শিয়াল পন্ডিত বলল যে, আপনার বিচার করার আগে আমার বিচার করেন তখন মাতাব্বর বলল তোর কিসের বিচার বল তখন শিয়াল বলল আমি যখন শিয়ালনী কে বিয়ে করি তখন তার দিনে একবার প্রসাব করার কথা ছিল কিন্তু এখন সে দিনে তিন বার প্রসাব করে এর কারন কি? তখন মাতাব্বর শিয়ালনীকে জ্ঞিাসা শিয়াল যা বলল তা কি ঠিক? তখন শিয়ালনী বলল হ্যা সব ঠিক আবার মাতাব্বর শিয়ালনীকে জ্ঞিাসা করল কেন তুই দিনে তিন বার প্রসাব করছ? তখন শিয়ালনী বলল (১) যে দিয়া না করে তারমুখে প্রসাব করি একবার আর (২) যে আরেক জনকে কুবুদ্ধি দেয় তার মুখে প্রসাব করি একবার আর (৩) আমার স্বামীর আইন মোতাবেক প্রসাব করি একবার এই মোট তিন বার। তখন মাতাব্র তার ভুল বুঝতে পারল এবং তার গাভী তাকে ফেরত দিয়ে দিল।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন