গাজীপুরের শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় সহকারী শিক্ষক শামীম হোসেনকে আটক করেছে পলিশ। শিক্ষার্থী নির্যাতনের খবর পেয়ে কাশিমপুর মডেল প্রেসক্লাব এর সংবাদকর্মীরা রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২.৩০ ঘটিকায় গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর মেট্রো থানার অন্তর্গত ২ ওয়ার্ডের লোহাকৈর গ্রামের দারুল উলুম ইসলামীয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে তথা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন,আর তাতেই বেরিয়ে আসতে শুরু করে থলের বিড়াল। উপস্থিত হয় শত শত অভিভাবক। উত্তেজীত হয় জনতা, নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানা পুলিশ কে অবিহিত করলে, কাশিমপুর থানা পুলিশ মাদ্রাসা কক্ষ থেকে পাষান্ড শিক্ষক শামীম কে গ্রেফতার করেছেন। এর আগে অভিযোগ হলেও আইনি কোন ব্যবস্থা নেননি স্থানীয় প্রশাসন। এঘটনায় উক্ত অভিযোগে তিন জনের নাম থাকলেও মামলায় আসামি হলো একজন। ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেল মূল আসামিরা।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০.৩০ ঘটিকায় দারুল উলুম মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের আবাসিক ছাত্র সিহাব উদ্দিনকে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক শামীম হােসেন তার বাবা মাকে নিয়ে বিদ্রুপ মন্তব্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন, শিশু শিক্ষা্থী সিহাব গালিগালাজ এর প্রতিবাদ করায় শিক্ষক ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দীন এর গলা চেপে ধরে মাথার উপর উঠিয়ে রুমের ফ্লোরে আছাড় মারতে থাকে, এবং শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হননি শিশু শিক্ষার্থীকে মারধরের বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকিও প্রদান করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। পরদিন শনিবার সকালে আনুমানিক ১০ টার দিকে শিক্ষার্থী শিহাবকে তার চাচাত ভাইয়ের বিয়ের দাওয়াত এর জন্য বাড়িতে নিয়ে আসার পর পরিবারের লোকজন লক্ষ্য করেন শিশু সিহাব বমি করছে এবং তার নাক মুখ ও পায়ুপথ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। এতে পরিবারের লোকজনের বিচলিত হয়ে মাদ্রাসায় গেলে মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে। এই ফাঁকে উক্ত বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। অমানবিক নির্যাতনে সিহাব মর্মান্তিক অসুস্থ হলে তাকে দ্রুততম চিকিৎসার জন্য, শহীদ তাজউদ্দিন আহম্মদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানাে হয় বর্তমানে শিক্ষার্থী শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে। মাদ্রসার বিরুদ্ধে পর্যবেক্ষণ পূর্বক জানাজায় অত্র মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক জেনারেল লাইনে মাত্র ৮ ম শ্রেনী পাশ, আরবি লাইনে নেই কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা, এবং পেশায় একজন স্যানিটারি মিস্ত্রী, বিষয়টি অত্যান্ত পরিতাপের। কাশিমপুর থানা এলাকায় সম্পূর্ণ বাটপারি করে এ মাদ্রাসাটি চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে কথা বললেই হামলা মামলা করার হুমকি দিচ্ছেন, এদের খুটির জোর কোথায়, এদের বিরুদ্ধ থানায় অভিযােগ করলেও এরা গ্রেফতার হয়নি, তবে গণমাধ্যম এর কঠোর ভূমিকায় একজনকে গ্রেফতার করেছেন থানা পুলিশ।
অত্র মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাজেদ শিকদার কে মাদ্রাসা পরিচালনা করার কোন অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন কিসের আবার অনুমোদন পোলাপাইনরে শিক্ষা দিতাছি এইটাই তো বেশি। নিজের জমিতে নিজের টাকা দিয়ে মাদ্রাসা করছি আবার অনুমোদন নিমু কার।
এলাকাবাসী বলছেন এর আগেও এই ধরনের অহরহ ঘটনা ঘটেছে এই মাদ্রাসায় আমরা পাইনি কোন বিচার, মাদ্রাসা পরিচালনা মূল আসামি প্রিন্সিপাল রায়হান তার কথাতেই চলে এসকল কাজ। এ মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে আইনুনগ ব্যবস্থা গ্রহন করে মাদ্রসা টি বন্ধ করতে সুধীসমাজের আহবান, বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভাবে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করে যাচ্ছেন, এলাকাবাসী, শিক্ষা্থী, অভিভাবক ও সুবী সমাজ
উক্ত ঘটনার বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ
সৈয়দ রাফিউল করিম রাফি গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন হত্যা চেষ্টার অভিযোেগের ভিত্তিতে
মাদ্রাসা সহকারী শিক্ষক শামীম হােসেনকে আটক করা
হয়েছে তার বিরুদ্ধে আহত শিক্ষার্থীর চাচা.আমান উদ্দিন
বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন,, মামলাটি
আমলে নিয়ে পাষান্ড শিক্ষক কে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
খবর বিভাগঃ
সারাদেশ

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন