১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে অবস্থান ও তথায় প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মাহফুজ আনামের বিরূূদ্ধে সম্প্রতি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। তা এখানে দেখুন- যঃঃঢ়://িি.িঃযবনবহমধষরঃরসবং.পড়স/সবফরধ/২০১৬/০২/০৬/১০৮৯৫)। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ তারিখে এক বিবৃতিতে মুক্তিযুদ্ধে জনাব মাহফুজ আনামের ভারতে অবস্থান ও তথায় বিশেষ ভুমিকা পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ‘রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ শীর্ষক গ্রন্থেও তা আলোচিত হয়েছে। জনাব মাহফুজ আনামের নামটি বাংলাদেশের প্রচলিত দুই লাখ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বা তালিকায় রয়েছে। তিনি স্বাধীনতার ৪৫ বছর যাবত উক্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছেন। স্বাধীনের পর দেশে ফিরে তিনি যা চেয়েছেন, তাই পেয়েছেন। সরাসরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বহুল পঠিত ‘দৈনিক ডেইলি ষ্টার’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেছেন। এখন এ বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজ আনাম একজন কুখ্যাত রাষ্ট্রদ্রোহী হয়েছেন।
মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজ আনাম একইসাথে সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক। তার বাবা আবুল মনসুর আহমদও ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিক। তিনি স্বীয় লেখায় পিতার রাজনৈতিক আদর্শের ছাপ অটুট রেখেছেন। তাই ষঢ়যন্ত্রকারীরা মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করে তাকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করার ঘৃণ্য চক্রান্ত করেছে। তার বিরূদ্ধে সম্পুর্ণ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জনাব মাহফুজ আনাম ১/১১’র সময়ে প্রচার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরূদ্ধে ষঢ়যন্ত্র করেছিল। তিনি যার বিরূদ্ধে কথিত ষঢ়যন্ত্র করেছিলেন, আজ তারই শাসন চলছে। যেহেতু আগরতলা ষঢ়যন্ত্রের ন্যায় জনাব মাহফুজ আনামের কথিত ষঢ়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে এবং তিনি স্বেচ্ছায় তার ভুল স্বীকার করেছেন, তাই তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়ে না। তবৃও জনাব মাহফুজ আনাম ঐতিহাসিক আগরতলা ষঢ়যন্ত্র মামলায় প্রদত্ত জবানবন্দির ন্যায় প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি বা ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিকের আসন অলংকৃত করেছেন। দেশে-বিদেশে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত ও আলোচিত হয়েছেন। তার বিরূদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অন্যায়, অবৈধ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বা ষঢ়যন্ত্রমূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মূলত এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল জনাব মাহফুজ আনামের বিরূদ্ধে অবৈধ মামলা করে বিশেষ স্বার্থসিদ্ধি করতে চেয়েছে। তাদের মুখোশ আজ পরিষ্কার। তারা তোষামুদির মাধ্যমে নিজেদেরকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা নাতি-নাতনী সাব্যস্ত করে অবৈধভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটাভুক্ত হতে চেয়েছে। আর এ অবৈধ কোটার নামে দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা অন্যায়ভাবে হাতিয়ে নেবার পরিকল্পনা করেছে। তারা মিথ্যা তোষামুদির জন্য একজন স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রদ্রোহী সাব্যস্ত করেছে।
তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরূদ্ধে স্বার্থান্বেষী মহলের উক্ত ঘৃণিত চক্রান্ত নস্যাত করুন। বাংলাদেশে প্রচলিত দুই লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ও কোটানীতি বাতিল করে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ‘৭১ এর সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালি ও সকল শহীদদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করুন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবৈধ স্বার্থ হাসিল বা চক্রান্তের পথটি চিরতরে বন্ধ করে দিন। দেশের বর্তমান ষোল কোটি নাগরিক সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করুন। বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মাহফুজ আনামের বিরূদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মিথ্যা অভিযোগ সমূহ বাতিল করুন।
এ্যাডভোকেট, ঢাকা।
সিরাজী এম আর মোস্তাক
মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজ আনাম একইসাথে সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক। তার বাবা আবুল মনসুর আহমদও ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিক। তিনি স্বীয় লেখায় পিতার রাজনৈতিক আদর্শের ছাপ অটুট রেখেছেন। তাই ষঢ়যন্ত্রকারীরা মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করে তাকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করার ঘৃণ্য চক্রান্ত করেছে। তার বিরূদ্ধে সম্পুর্ণ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জনাব মাহফুজ আনাম ১/১১’র সময়ে প্রচার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরূদ্ধে ষঢ়যন্ত্র করেছিল। তিনি যার বিরূদ্ধে কথিত ষঢ়যন্ত্র করেছিলেন, আজ তারই শাসন চলছে। যেহেতু আগরতলা ষঢ়যন্ত্রের ন্যায় জনাব মাহফুজ আনামের কথিত ষঢ়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে এবং তিনি স্বেচ্ছায় তার ভুল স্বীকার করেছেন, তাই তা রাষ্ট্রদ্রোহের পর্যায়ে পড়ে না। তবৃও জনাব মাহফুজ আনাম ঐতিহাসিক আগরতলা ষঢ়যন্ত্র মামলায় প্রদত্ত জবানবন্দির ন্যায় প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি বা ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিকের আসন অলংকৃত করেছেন। দেশে-বিদেশে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত ও আলোচিত হয়েছেন। তার বিরূদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অন্যায়, অবৈধ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বা ষঢ়যন্ত্রমূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মূলত এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল জনাব মাহফুজ আনামের বিরূদ্ধে অবৈধ মামলা করে বিশেষ স্বার্থসিদ্ধি করতে চেয়েছে। তাদের মুখোশ আজ পরিষ্কার। তারা তোষামুদির মাধ্যমে নিজেদেরকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা নাতি-নাতনী সাব্যস্ত করে অবৈধভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটাভুক্ত হতে চেয়েছে। আর এ অবৈধ কোটার নামে দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা অন্যায়ভাবে হাতিয়ে নেবার পরিকল্পনা করেছে। তারা মিথ্যা তোষামুদির জন্য একজন স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রদ্রোহী সাব্যস্ত করেছে।
তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরূদ্ধে স্বার্থান্বেষী মহলের উক্ত ঘৃণিত চক্রান্ত নস্যাত করুন। বাংলাদেশে প্রচলিত দুই লাখ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ও কোটানীতি বাতিল করে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ‘৭১ এর সাড়ে সাত কোটি বীর বাঙ্গালি ও সকল শহীদদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করুন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবৈধ স্বার্থ হাসিল বা চক্রান্তের পথটি চিরতরে বন্ধ করে দিন। দেশের বর্তমান ষোল কোটি নাগরিক সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠন করুন। বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মাহফুজ আনামের বিরূদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মিথ্যা অভিযোগ সমূহ বাতিল করুন।
এ্যাডভোকেট, ঢাকা।
সিরাজী এম আর মোস্তাক
খবর বিভাগঃ
সম্পাদকীয়
সিরাজী এম.আর মোস্তাক এর লেখা

