সম্প্রতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পদক প্রত্যাহারে আরেকদফা বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ২০০৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পদক’ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়। ২০১৬ সালে শুধু জিয়াউর রহমানের পদকটি কেড়ে নেয়া হয়। জাদুঘর থেকে তার পুরস্কার সরিয়ে ফেলা হয়। এতে প্রশ্ন ওঠে, বঙ্গবন্ধু ও জিয়ার মধ্যে কে মুক্তিযোদ্ধা নন?
এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রয়োজন। এতে জাতীয় চার নেতা, জেনারেল ওসমানী, ত্রিশ লাখ শহীদ ও দুই লাখ সম্ভমহারা মা-বোনেরও স্বীকৃতি মিলবে। তারা মুক্তিযোদ্ধা নাকি রাজাকার ছিলেন, তা পরিষ্কার হবে। শুধু তালিকাভুক্ত দুই লাখ মুক্তিযোদ্ধাই দেশ স্বাধীন করেছেন নাকি বঙ্গবন্ধু ও অন্যান্যদেরও ভূমিকা ছিল, তা স্পষ্ট হবে।
মূলত যতদিন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে এবং বঙ্গবন্ধুসহ অন্যদের নাম তাতে অর্ন্তভূক্ত না হবে, ততোদিন বিতর্ক চলবে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যা ইতিহাস রচিত হবে। এটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি। এজন্য উচিত, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংশোধন করা এবং বঙ্গবন্ধুসহ ১৯৭১-এর সকল যোদ্ধা, শহীদ, বন্দি ও শরণার্থীদেরকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত করা।
এ্যাডভোকেট, ঢাকা। mrmostak786@gmail.com.
খবর বিভাগঃ
সম্পাদকীয়
সিরাজী এম.আর মোস্তাক এর লেখা
0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন