গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্বচান্দরা
আনসার একাডেমী এলাকায় সাইজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির ৩০ শতাংশ জমি জবর
দখলের চেষ্টা ও দোকান ঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ।জানাযায়, কালিয়াকৈরের সফিপুর ভুমি অফিসে ৫৪৯২ নং জোত মূলে খাজনা খারিজ করিয়া ওই জমিতে সাইজুদ্দিন নামের ওই ব্যক্তি ঘর বাড়ী ও দোকানপাট তৈরি করে দীর্ঘ দিন ধরে ভোগ দখলে নিয়ত আছেন। যাহার আর এস খতিয়ান নং ২৫৭, এস এ দাগ ১১৪৫, আর এস দাগ ২৪৪৮।
অভিযোগ উঠেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ওই জমিতে
কালিয়াকৈর থানা পুলিশের এসআই মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় জয়দেবপুর
থানার আরো কয়েকজন পুলিশের উপস্থিতে ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির যুবকের
মাধ্যমে ওই জমিতে থাকা তিনটি দোকান ঘর ভাংচুর ও দোকানদারদের উপর হামলা করে
দোকানে লুটপাট ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে।
মুদি দোকানদার জহির উদ্দিন জানান, আমার সব শেষ। আমি এখন কি করবো পুলিশ দাড়িয়ে থেকে আমার এতো বড় ক্ষতি করলো। আল্লাহ ওদের বিচার করবেন।
এ বিষয়টি ওই জমির মালিকের ছোট বোন পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোসা. আলেয়া বেগম জানান, কিছুদিন যাবত আমাদের ওই জমি স্থানীয় খালেক চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এমন্তাবস্তায় আমরা আমাদের জমির প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টে দাখিল করি। পরে গত ১৮/০৬/২০১৭ইং সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ আগামী ৬মাসের জন্য উভয় পক্ষকে ওই জমিতে সকল প্রকার কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।
তিনি আরো বলেন, এরই মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খবর পাই উপরিউক্ত ব্যক্তিগন মিলে ওই জমিতে আমাদের মার্কেটের দোকান ঘর ভাংচুর এবং জমি দখল নেয়ার উদ্দেশ্যে ইট দিয়ে ভাউন্ডারী দেয়াল তৈরি করার চেষ্টা করছে। পরে আমি কোর্টর স্থগিত আদেশ কপি নিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব মিয়াকে দেই এবং জবর দখলের চেষ্টার বিষয়টি বলি। সে বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু করতে পারবো না আপনি গাজীপুর এসপি স্যারের কাছে যান। আমি থানা থেকে বেড়িয়ে চ্যানেল ২৪ এর সাংবাদিক রফিক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে দোকান ঘর ভাংচুরে বাঁধা প্রদান করলে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে ওই দিন রাতেই জানতে পারি, আমাদের দোকান ঘর ভাংচুর করেছে তার কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে উল্টো আমাদের নামেই একটি মামলা হয়েছে।
মুদি দোকানদার জহির উদ্দিন জানান, আমার সব শেষ। আমি এখন কি করবো পুলিশ দাড়িয়ে থেকে আমার এতো বড় ক্ষতি করলো। আল্লাহ ওদের বিচার করবেন।
এ বিষয়টি ওই জমির মালিকের ছোট বোন পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোসা. আলেয়া বেগম জানান, কিছুদিন যাবত আমাদের ওই জমি স্থানীয় খালেক চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এমন্তাবস্তায় আমরা আমাদের জমির প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্টে দাখিল করি। পরে গত ১৮/০৬/২০১৭ইং সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ আগামী ৬মাসের জন্য উভয় পক্ষকে ওই জমিতে সকল প্রকার কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।
তিনি আরো বলেন, এরই মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খবর পাই উপরিউক্ত ব্যক্তিগন মিলে ওই জমিতে আমাদের মার্কেটের দোকান ঘর ভাংচুর এবং জমি দখল নেয়ার উদ্দেশ্যে ইট দিয়ে ভাউন্ডারী দেয়াল তৈরি করার চেষ্টা করছে। পরে আমি কোর্টর স্থগিত আদেশ কপি নিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব মিয়াকে দেই এবং জবর দখলের চেষ্টার বিষয়টি বলি। সে বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু করতে পারবো না আপনি গাজীপুর এসপি স্যারের কাছে যান। আমি থানা থেকে বেড়িয়ে চ্যানেল ২৪ এর সাংবাদিক রফিক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে দোকান ঘর ভাংচুরে বাঁধা প্রদান করলে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে ওই দিন রাতেই জানতে পারি, আমাদের দোকান ঘর ভাংচুর করেছে তার কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে উল্টো আমাদের নামেই একটি মামলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক
(এসআই) মনিরুল ইসলাম জানান, আমি ঘটনাটি শুনেছি। আমার ওই রাস্তায় ডিউটি ছিল
আমি ওখানে যাই নাই। পুলিশ কি কখনো দাঁড়িয়ে থেকে এগুলো করতে পারে। তবে ঘটনায়
একটি মামলা হয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুনহাইকোর্টের স্থগিতাদেশের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি এব্যাপারে আদালতের কোন নোটিশ পায়নি।
অপরদিকে উপজেলার গোয়ালবাথান এলাকার রহিমা খাতুন ও মোশারফ হোসেনের ক্রয়কৃত সাড়ে ৬শতক জমির ২শতক জবর দখল করে বাউন্ডারী দেলাল তৈরি করার অভিযোগ স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এব্যাপারে রহিমা খাতুন জানান, আমি ২০১০ সালে কালিয়াকৈর সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে সাব-কবলা দলিল নং ১৫৫৫১ মুলে সাড়ে ৬শতাংশ জমি ক্রয় করে খাজনা খারিজ করিয়া দীর্ঘ দিন যাবত শান্তিপুর্ন ভাবে ভোগ দখলে নিয়ত আছি। যাহার আর এস খতিয়ান ১২৬, এসএ দাগ ৫৫, আরএস দাগ৪৯। এরই মধ্যে হঠাৎ করে এক স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি আমার ওই জমির ২শতক জবর দখল করে বাউন্ডারী দেলাল তৈরি করছে। পরে আমি একাধিক বার বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
পরে আমি বাধ্য হয়ে বৃহস্পতিবার গাজীপুর আদালতে জমির সকল কাগজপত্র নিয়ে হাজির হই। পরে কোর্ট ওই জমিতে সকল প্রকার কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা (১৪৪ ধারা) জারি করেন। কোর্টের নোটিশ নিয়ে শুক্রবার সকালে থানায় গেলে ওসি সাব আমি এবং আমার সাথে সুত্রাপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার রনি ভাইকে দমকিয়ে তার রুম থেকে বের করে দেন। আমি এখন কোথায় যাব। আমি গার্মেন্টে চাকুরী করে অনেক কষ্ট করে ওই জমিটা কিনেছি। আমার বৈধ জমি।
এবিষয়ে জানতে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল মোতালেব মিয়ার নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও রিসিভ করেননি।
অপরদিকে উপজেলার গোয়ালবাথান এলাকার রহিমা খাতুন ও মোশারফ হোসেনের ক্রয়কৃত সাড়ে ৬শতক জমির ২শতক জবর দখল করে বাউন্ডারী দেলাল তৈরি করার অভিযোগ স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
এব্যাপারে রহিমা খাতুন জানান, আমি ২০১০ সালে কালিয়াকৈর সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে সাব-কবলা দলিল নং ১৫৫৫১ মুলে সাড়ে ৬শতাংশ জমি ক্রয় করে খাজনা খারিজ করিয়া দীর্ঘ দিন যাবত শান্তিপুর্ন ভাবে ভোগ দখলে নিয়ত আছি। যাহার আর এস খতিয়ান ১২৬, এসএ দাগ ৫৫, আরএস দাগ৪৯। এরই মধ্যে হঠাৎ করে এক স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি আমার ওই জমির ২শতক জবর দখল করে বাউন্ডারী দেলাল তৈরি করছে। পরে আমি একাধিক বার বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
পরে আমি বাধ্য হয়ে বৃহস্পতিবার গাজীপুর আদালতে জমির সকল কাগজপত্র নিয়ে হাজির হই। পরে কোর্ট ওই জমিতে সকল প্রকার কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা (১৪৪ ধারা) জারি করেন। কোর্টের নোটিশ নিয়ে শুক্রবার সকালে থানায় গেলে ওসি সাব আমি এবং আমার সাথে সুত্রাপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার রনি ভাইকে দমকিয়ে তার রুম থেকে বের করে দেন। আমি এখন কোথায় যাব। আমি গার্মেন্টে চাকুরী করে অনেক কষ্ট করে ওই জমিটা কিনেছি। আমার বৈধ জমি।
এবিষয়ে জানতে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল মোতালেব মিয়ার নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও রিসিভ করেননি।
খবর বিভাগঃ
শীর্ষ নিউজ
0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন