সাদা পোলো শার্টে বরাবরের মতো ঝকঝকে, সপ্রতিভ। সেই স্মিত হাসি, সেই মাহেলা
জয়াবর্ধনে। ৪০ বছর বয়সেও যার ফিটনেস দেখে ঈর্ষা হতে পারে এ প্রজন্মের
ক্রিকেটারদের। নতুন ভূমিকায় চেনা মাহেলা কাল ফিরলেন চেনা ঠিকানায়।
শ্রীলংকান কিংবদন্তি জানালেন, বাংলাদেশ তার কাছে দ্বিতীয় ঘর। শ্রীলংকা
অনূর্ধ্ব-১৮ দলের হয়ে ১৯৯৪ সালে তার প্রথম বিদেশ সফর ছিল বাংলাদেশে। এরপর
জাতীয় দলের হয়ে বহুবার খেলে গেছেন এ দেশে। ২০১৪ সালে ঢাকায় টি ২০ বিশ্বকাপ
জিতে ইতি টেনেছিলেন আন্তর্জাতিক টি ২০ ক্যারিয়ারের। ২০১৫ সালে অবসর নেন সব
ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে। এরপর বিশ্বজুড়ে টি ২০ লীগগুলোতে চুটিয়ে
খেলেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে টি ২০ ছাড়ার আগেই কোচিংয়ে হাতেখড়ি হয়ে গেছে। এবার
সেই কোচের ভূমিকায়ই জয়াবর্ধনের ঢাকায় আসা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে
(বিপিএল)
আগামী দুই মৌসুম খুলনা টাইটানসের কোচের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। গত মে
মাসে খুলনার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে তার। বুধবার রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলে
খুলনা টাইটানসের কোচ হিসেবে জয়াবর্ধনের পরিচিতি অনুষ্ঠান হয়ে গেল।
কাল সকালে উড়ে এসেছেন শ্রীলংকা থেকে। দুপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের কোচিং দর্শন ও নতুন দল নিয়ে ভাবনার কথা জানালেন লংকান ব্যাটিং গ্রেট। বাংলাদেশের মতো বিপিএলের স্বাদও নতুন নয় জয়াবর্ধনের জন্য। গত বছর খেলোয়াড় হিসেবে খেলে গেছেন ঢাকা ডায়নামইটসের হয়ে। জয়াবর্ধনের দলই গতবার বিপিএল জিতেছিল। এবার কোচ হিসেবে খুলনাকে শিরোপা এনে দেয়ার চ্যালেঞ্জ। তার কাছে দলের মালিকপক্ষ জেমকন স্পোর্টসের প্রত্যাশা একটু বেশিই। কারণ, জয়াবর্ধনের কোচিংয়েই এ বছর আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তবে খুলনাকে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন করার প্রতিশ্রুতি দেননি মাহেলা। তার কোচিং-দর্শনের প্রথম কথা হল উপভোগ, ‘সবার আগে নিজের কাজ ও খেলাটা উপভোগ করতে হবে। গতবার ঢাকার হয়ে বিপিএলে খেলেছি, চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এবার খুলনার কোচ হতে পারাটা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। বাংলাদেশ আমার কাছে দ্বিতীয় বাড়ির মতোই। অনূর্ধ্ব-১৮ দলের সেই ১৯৯৪ সালে এখানে প্রথম এসেছিলাম। এরপর বহুবার খেলে গেছি। এখানেই টি ২০ বিশ্বকাপ জিতেছি। আশা করি খুলনার কোচ হিসেবেও সময়টা ভালো কাটবে। সবারই লক্ষ্য থাকে শিরোপা জয়। সেজন্য সবার আগে দলীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। দল হিসেবে উপভোগের ক্রিকেট খেলতে হবে।’
নতুন মালিকানায় নতুন নামে গতবারই বিপিএলে যাত্রা শুরু হয়েছে খুলনা টাইটানসের। গতবারের আইকন খেলোয়াড় ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ এবারও নেতৃত্ব দেবেন খুলনাকে। দল তৃতীয় হলেও গতবার মাহমুদউল্লাহ হয়েছিলেন টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়। বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে পাকিস্তানি পেসার জুনায়েদ খানকেই শুধু ধরে রেখেছেন খুলনা। নতুনদের মধ্যে বিদেশি কোটায় এবার তারা দলে ট্রেনেছে ক্রিস লিন, সরফরাজ আহমেদ, শাদাব খান, রিলে রুশো, কাইল অ্যাবট ও সেকুগে প্রসন্নকে। সেপ্টেম্বরের প্লেয়ার্স ড্রাফটে লক্ষ্য থাকবে ভালো মানের দেশি খেলোয়াড় দলে টানা। পাঁচ-সাত দিনের প্রস্তুতিতে সবাইকে এক সুঁতোয় বাঁধাটা নিঃসন্দেহে কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত জয়াবর্ধনে, ‘সব টি ২০ লীগেই একই ছবি। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সেও সবাইকে নিয়ে পাঁচদিনের বেশি অনুশীলনের সুযোগ পাইনি। এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। বিদেশিদের মধ্যে এবার জুনায়েদ ছাড়া সবাই নতুন। বাংলাদেশের কন্ডিশন ও সংস্কৃতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
কাল সকালে উড়ে এসেছেন শ্রীলংকা থেকে। দুপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের কোচিং দর্শন ও নতুন দল নিয়ে ভাবনার কথা জানালেন লংকান ব্যাটিং গ্রেট। বাংলাদেশের মতো বিপিএলের স্বাদও নতুন নয় জয়াবর্ধনের জন্য। গত বছর খেলোয়াড় হিসেবে খেলে গেছেন ঢাকা ডায়নামইটসের হয়ে। জয়াবর্ধনের দলই গতবার বিপিএল জিতেছিল। এবার কোচ হিসেবে খুলনাকে শিরোপা এনে দেয়ার চ্যালেঞ্জ। তার কাছে দলের মালিকপক্ষ জেমকন স্পোর্টসের প্রত্যাশা একটু বেশিই। কারণ, জয়াবর্ধনের কোচিংয়েই এ বছর আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তবে খুলনাকে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন করার প্রতিশ্রুতি দেননি মাহেলা। তার কোচিং-দর্শনের প্রথম কথা হল উপভোগ, ‘সবার আগে নিজের কাজ ও খেলাটা উপভোগ করতে হবে। গতবার ঢাকার হয়ে বিপিএলে খেলেছি, চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এবার খুলনার কোচ হতে পারাটা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। বাংলাদেশ আমার কাছে দ্বিতীয় বাড়ির মতোই। অনূর্ধ্ব-১৮ দলের সেই ১৯৯৪ সালে এখানে প্রথম এসেছিলাম। এরপর বহুবার খেলে গেছি। এখানেই টি ২০ বিশ্বকাপ জিতেছি। আশা করি খুলনার কোচ হিসেবেও সময়টা ভালো কাটবে। সবারই লক্ষ্য থাকে শিরোপা জয়। সেজন্য সবার আগে দলীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। দল হিসেবে উপভোগের ক্রিকেট খেলতে হবে।’
নতুন মালিকানায় নতুন নামে গতবারই বিপিএলে যাত্রা শুরু হয়েছে খুলনা টাইটানসের। গতবারের আইকন খেলোয়াড় ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ এবারও নেতৃত্ব দেবেন খুলনাকে। দল তৃতীয় হলেও গতবার মাহমুদউল্লাহ হয়েছিলেন টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়। বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে পাকিস্তানি পেসার জুনায়েদ খানকেই শুধু ধরে রেখেছেন খুলনা। নতুনদের মধ্যে বিদেশি কোটায় এবার তারা দলে ট্রেনেছে ক্রিস লিন, সরফরাজ আহমেদ, শাদাব খান, রিলে রুশো, কাইল অ্যাবট ও সেকুগে প্রসন্নকে। সেপ্টেম্বরের প্লেয়ার্স ড্রাফটে লক্ষ্য থাকবে ভালো মানের দেশি খেলোয়াড় দলে টানা। পাঁচ-সাত দিনের প্রস্তুতিতে সবাইকে এক সুঁতোয় বাঁধাটা নিঃসন্দেহে কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত জয়াবর্ধনে, ‘সব টি ২০ লীগেই একই ছবি। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সেও সবাইকে নিয়ে পাঁচদিনের বেশি অনুশীলনের সুযোগ পাইনি। এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। বিদেশিদের মধ্যে এবার জুনায়েদ ছাড়া সবাই নতুন। বাংলাদেশের কন্ডিশন ও সংস্কৃতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
খুলনার নিজস্ব ডিএনএ তৈরির চেষ্টা থাকবে আমার। দল যখন পরিবার হয়ে ওঠে তখনই সাফল্য আসে।’
খুলনাকে নিয়ে বলতে গিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের উত্থান ও অগ্রগতি নিয়েও মুগ্ধতা ঝরল মাহেলার কণ্ঠে। বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে লংকানদের একাধিপত্য নিয়েও গর্বিত তিনি, ‘বাংলাদেশ সত্যিই অনেক উন্নতি করেছে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে তাদের দেখেছি আমি। সেখান থেকে অনেক এগিয়েছে বাংলাদেশ। গত ছয় বছর ধরে তারা ধারাবাহিক। একঝাঁক দারুণ খেলোয়াড় একসঙ্গে উঠে এসেছে। কোচিং স্টাফে লংকানরাও খুব ভালো করছে। একজন শ্রীলংকান হিসেবে আমি এতে গর্বিত।’ শ্রীলংকা জাতীয় দলের সম্ভাব্য নতুন কোচ হিসেবে তার নাম শোনা গেলেও সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন জয়াবর্ধনে, ‘গুজবে কান দেবেন না। শ্রীলংকার কোচ হওয়ার প্রস্তাব পাইনি আমি। আগ্রহও নেই আমার পক্ষে পূর্ণকালীন কোচ হিসেবে কাজ করা সম্ভব নয়। আমি মুম্বাই ও খুলনার প্রতি দায়বদ্ধ। সেখানেই আমার পুরো
মনোযোগ। পরিষ্কার করে বলছি, কোচিং আমার কাছে কোনো চাকরি নয়। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। ক্রিকেট আমাকে অনেক দিয়েছে। নতুনদের সাহায্য করে তার কিছুটা ফিরিয়ে দেয়াই আমার লক্ষ্য। কোচ হিসেবে আমার দর্শন, খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেরাটা আদায় করে নেয়া। তাদের খেলাটা উপভোগ করতে শেখানো।’
খুলনাকে নিয়ে বলতে গিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের উত্থান ও অগ্রগতি নিয়েও মুগ্ধতা ঝরল মাহেলার কণ্ঠে। বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে লংকানদের একাধিপত্য নিয়েও গর্বিত তিনি, ‘বাংলাদেশ সত্যিই অনেক উন্নতি করেছে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে তাদের দেখেছি আমি। সেখান থেকে অনেক এগিয়েছে বাংলাদেশ। গত ছয় বছর ধরে তারা ধারাবাহিক। একঝাঁক দারুণ খেলোয়াড় একসঙ্গে উঠে এসেছে। কোচিং স্টাফে লংকানরাও খুব ভালো করছে। একজন শ্রীলংকান হিসেবে আমি এতে গর্বিত।’ শ্রীলংকা জাতীয় দলের সম্ভাব্য নতুন কোচ হিসেবে তার নাম শোনা গেলেও সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন জয়াবর্ধনে, ‘গুজবে কান দেবেন না। শ্রীলংকার কোচ হওয়ার প্রস্তাব পাইনি আমি। আগ্রহও নেই আমার পক্ষে পূর্ণকালীন কোচ হিসেবে কাজ করা সম্ভব নয়। আমি মুম্বাই ও খুলনার প্রতি দায়বদ্ধ। সেখানেই আমার পুরো
মনোযোগ। পরিষ্কার করে বলছি, কোচিং আমার কাছে কোনো চাকরি নয়। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। ক্রিকেট আমাকে অনেক দিয়েছে। নতুনদের সাহায্য করে তার কিছুটা ফিরিয়ে দেয়াই আমার লক্ষ্য। কোচ হিসেবে আমার দর্শন, খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেরাটা আদায় করে নেয়া। তাদের খেলাটা উপভোগ করতে শেখানো।’
খবর বিভাগঃ
খেলার খবর

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন