এদিকে সিটি নির্বাচন নিয়ে বিএনপি এখনো নীরব। তবে বর্তমান মেয়র অধ্যাপক
এম এ মান্নান ও সাবেক এমপি মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার ভেতরে ভেতরে
প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান। তবে এবার বর্তমান মেয়র
এম এ মান্নান আগামী সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী না হলে বিএনপিতে নতুন
মুখের প্রার্থীর আর্বিভাব ঘটতে পারে। সে ক্ষেত্রে এম এ মান্নান আগামী সংসদ
নির্বাচনে প্রার্থী হবেন এমনটা বিএনপির অনেক নেতাকর্মীই মনে করছেন।
যুবলীগের কামরুল হাসান সরকার রাসেলও প্রচারণা শুরু করেছেন। ঈদ ও রমজানে
প্রতিটি ওয়ার্ডে তাঁর বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার লাগানো হয়েছে।
গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম গত সিটি
নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হলেও দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় নির্বাচন থেকে সরে
দাঁড়ান। এবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।
এদিকে টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আজমত উল্লাহ খান
মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি দীর্ঘদিন জেলা আওয়ামী লীগেরও সাধারণ
সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এড. আজমত উল্লা খান টঙ্গী পৌরসভার বার বার
নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র ছিলেন। গত সিটি নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের দলীয়
মনোনয়ন পেলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে নির্বাচিত হতে পারেন নাই।
এবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে আশা করছেন। অভিজ্ঞতা এবং দলের অনুগত বলে
দল তাঁকেই মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা এমনটাই
প্রত্যাশা করছেন।
তবে মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ভেতরে ভেতরে কাজ শুরু করেছেন
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসান উদ্দিন সরকার। একসময় তিনি জাতীয় পাটির সংসদ
সদস্য ছিলেন। বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। নির্বাচন করা প্রসঙ্গে
জানতে চাইলে তিনি বলেন, দল মনোনয়ন দিলে তিনি মেয়র নির্বাচন করবেন। Report (নাসির উদ্দীন বুলবুল)
খবর বিভাগঃ
রাজনীতি
শীর্ষ নিউজ
সারাদেশ
0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন