১। বর্তমান পরিকল্পনাঃ
ক) বিভিন্ন ধরনের সমাজসেবামূলক
কাজে অংশগ্রহন করা।
খ) বাংলাদেশ একটি প্রাকিতৃক দুর্যোগের দেশ। এই দেশে
প্রতিনিয়ত খরা, বন্যা, সাইক্লোন, জলোচ্ছাস, ভুমিকম্প, বিল্ডং ধস ইত্যাদি প্রাকৃতিক
দুর্যোগ লেগেই আছে। এই দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা।
গ) রাস্তাঘাট, ব্রিজ,
কালভার্ট নির্মানে সহায়তা করা।
ঘ) ভুমিহীন,ছিন্নমূল,
হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অবহেলিত, মানুষের কল্যানে এগিয়ে চলা।
ঙ) বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ৫ টি মৌলিক অধিকার
যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা,ও চিকিৎসার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা।
চ) বাংলাদেশের কোন মানুষ যেন অন্য কারো ধারে বিভিন্ন
অযুহাত যেমন মেয়ের বিয়ে , স্বামী স্ত্রী , সন্তান অসুস্থ বা মৃত, নদী ভাঙ্গা পরিবার
ইত্যাদি কোন প্রকার সাহায্যের জন্য ভিক্ষাবৃত্তি করতে না হয় তার ব্যবস্থা করা।
ছ) দেশ ও জাতিকে অভাব ও দারিদ্র মুক্ত, সন্ত্রাস
মুক্ত, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধশালী জাতি গঠনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করা।
জ) সবার জন্য শিক্ষা
এই উদ্দ্যেশ্যকে সামনে রেখে বয়স্ক শিক্ষা, ছিন্নমূল শিশু কিশোরদের শিক্ষার ব্যবস্থা
করা।
ঝ) প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা,
চিকিৎসা, স্বাস্থ্য, সেলাই এমব্রয়ডারী ইত্যাদি বিষয়ে সহযোগিতা করা।
ঞ) প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের
মৎস্য চাষ, গবাদি পশু পালনে আর্থিক সহযোগিতা করা।
ট) সেনিটেশন, লাইব্রেরী স্থাপন, শিশু ও বৃদ্ধ আশ্রম
এবং ভিক্ষুক পুনর্বাসন ইত্যাদি সমাজ গঠন মূলক কাজে অংশগ্রহন করা।
ঠ) পরিবেশ সংরক্ষন
, বৃক্ষরোপন, এইডস, ডেঙ্গু নিরোধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করা।
ড) জন সাধারনের উন্নতির জন্য হস্তশিল্প, কারীগরী
শিল্প, কুটির শিল্প, হাঁস মুরগী পালন ইত্যাদি বিষয়ে সহযোগিতা করা।
ঢ) প্রতি মাসে একবার
বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
ণ) গ্রাম গঞ্জে লুকিয়ে
থাকা প্রতিভার বিকাশ ঘটানো।
ত) গরীব, অসহায়, দুঃস্থ,
মৃতলোকদের কাফন দাফনের ব্যবস্থা করা।
অঅ) আইনি সহায়তা দানের
মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
ইই) শিশু ও নারীর প্রতি
সহিংসতা প্রতিরোধে আইনি ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো।
ঈঈ) দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মানবাধিকার ও আইন
সম্পর্কে সচেতন করে তোলা এবং তাদের ক্ষমতায়ন ঘটানো।
উউ) আইনি দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে মানবাধিকার ও জেন্ডারসাম্যের
মূলনীতি সম্পর্কে সচেতন করবার জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করা।
২। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ
ক) প্যানেল ল-ইয়ার : যেসব আইনজীবী চিন্তায়, চেতনায়
মানবাধিকার সমুন্নত রাখার ব্যাপারে আগ্রহী, তাদেরকে জেলা পর্যায়ে প্যানেল আইনজীবী হিসেবে
নিয়োগ দেওয়া।
খ) মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত ঘটনা: মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত
ঘটনা অর্থ্ াসালিশ-অযোগ্য অপরাধ যেমন: এসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ, ফতোয়া, আত্মহত্যা, খুন,
অপহরণ ইত্যাদি সংঘটিত হলে ফিহ্ব অর্গানাইজার/উপজেলা ম্যানেজার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে।
ভিকটিমকে উদ্ধার, হাসপাতালে প্রেরণ, থানায় এজাহার দান, প্রয়োজনে শেষŸার হোমে প্রেরণ,
ক্ষতিগ্রস- ব্যক্তির মনোবল বৃদ্ধির জন্য কাউন্সেলিং এবং তাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রেও
তাদের সহযোগিতা করা।
গ) সংগঠনের নামে নিজস্ব
জমিতে কবরস্থান প্রতিষ্ঠা করা
ঘ) সংগঠনের নামে নিজস্ব
জমিতে নার্সারী প্রতিষ্ঠা করা এবং বিনামূল্লে গাছের চারা বিতরন।
ঙ) সংগঠনের নামে নিজস্ব জমিতে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা
করা এবং অসহায়, গরীব, দুঃস্থ ও গরীব লোকদের বিনামূল্লে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ বিতরন করা।
চ) সংগঠনের নামে নিজস্ব
জমিতে বৃদ্ধ ও শিশু আশ্রম প্রতিষ্ঠা করা এবং ভিক্ষুক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
ছ) সংগঠনের নামে নিজস্ব জমিতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা
ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা এবং বিনামূল্লে শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
জ) সংগঠনের নামে নিজস্ব
জমিতে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা এবং বিনামূল্লে শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
ঝ) বেকার সমস্যা নিরসনে
ক্ষুদ্র, কুটির, মাঝারী ও বৃহৎশিল্পের মাধ্যমে বেকার লোকদের কর্মের ব্যবস্থা করা।
ঞ) বাঁশ, বেঁত, পাট, সূচীশিল্প, পাটজাত দ্রব্যাদি
ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদানের পর উৎপাদিত দ্রব্যাদি বিদেশে ও দেশীয় বাজারে বিক্রি
কওে দেয়ার ব্যবস্থা করা।
ট) ডিজিটাল বাংলাদেশ
বিনির্মানে অগ্রনী ভুমিকা পালন করা এবং প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা।
ঠ) রাস্তাঘাট, ব্রিজ,
কালভার্ট নির্মান করা।
