বুধবার, মার্চ ০৯, ২০১৬

প্রগ্রেস হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এর গঠনতন্ত্র/সংবিধান


বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম  
একতাই শক্তি                      মানব সেবাই শ্রেষ্ঠ ইবাদত                        একতাই বল
প্রগ্রেস হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এর
গঠনতন্ত্র/সংবিধান
বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি দারিদ্র পিরীত দেশ। এদেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোক দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। বাংলাদেশ স্বাধীন, স্বার্বভৌম, গণতান্ত্রিক, উন্নয়নশীল একটি দেশ। এদেশের অধিকাংশ লোকের স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো জায়গা জমি নেই আর বাড়ীঘর থাকার কোনো প্রশ্নই আসে না কারন তাদের রেল লাইন, রাস্তার ধারে বিভিন্ন স্থানে কুকুর, বিড়ালের সাথে ঘুমোতে হয়। তারা এমনই দরিদ্র যে সকালে কী খাবে, তাদের সন্তাানদের কী খাওয়াবো এই  চিন্তায় আর দু’চোখে ঘুম থাকেনা। বিভিন্ন রোগ, অভাব তাদের নিত্য সঙ্গী। আবার কত প্রকারের প্রতিবন্ধী আছে যে, কেউ চির অন্ধ, কারো পা নেই, কারো হাত নেই,কারো হাত,পা উভয়ই নেই, কেউ চোখে দেখেনা, কেউ শুনতে পারেনা আবার কেউবলতেও পারেনা। আবার এমনও দেখা যায় যে কতো ভাই বোনেরা কত সুন্দর পোশাক, গাড়ী ইত্যাদি নিয়ে বিলাসবহুল ভাবে দিনাতিপাত করছে আর তারা খেয়ে যা ফেলে দেয় কুকুরের সাথে যুদ্ধ করে সেই সকল অসহায় গরীব লেকেরা সংগ্রহ করে জীবন যাপন করছে খেয়ে বা না খেয়ে? প্রতিদিন রেডিও, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ই-মেইল ইত্যাদি বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেখি বিশ্বের ইতিহাস। যে পৃথিবী আধুনিক ও উন্নত সেই পৃথিবীতে মানুষ আল্লাহর শ্রেষ্ঠ বান্দা হওয়া সত্বেও কেন এতো অবহেলিত, আমাদের বোধ্যগম্যতায় তা আসেনা। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশকে ডিজিটাল ও দরিদ্রমুক্ত করার লক্ষ্যে যেভাবে দায়িত্ব  পালন করছেন।  সরকারের পক্ষে একা এই সমস্যা দুর করা সম্ভব নয় উপোরক্ত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তা বাস্তবায়নের জন্য আমরা এদেশের স্থায়ী, আদর্শবান, শিক্ষিত সুনাগরিকদের পক্ষ থেকে নিম্নে উল্লেখিত সদস্যগণ স্থায়ী কমিটি গঠন পূর্বক (প্রগ্রেস হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি) নামক একটি সংগঠনের আওতায় সমগ্র বাংলাদেশর ভূমিহীন, ছিন্নমূল, হত দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অবহেলিত ও খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণে পাঁচটি মৌলিক অধিকার যেমনঃ খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।

অনুচ্ছেদ-        ১।     সংগঠনের নাম ঃ প্রগ্রেস হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি।
অনুচ্ছেদ-        ২।     সংগঠনের ঠিকানা ঃ মৌচাক মার্কেট (৩য় তলা) মৌচাক, কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
অনুচ্ছেদ-               ৩।     কার্যক্রমের আওতাভুক্ত এলাকা ঃ গাজীপুর জেলা।ভবিষ্যতে নিবন্ধীকরন কতৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যএলাকা সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুচ্ছেদ-        ০৪।    প্রধান কার্যালয়ঃ মৌচাক মার্কেট (৩য় তলা) মৌচাক কালিয়াকৈর, গাজীপুর
অনুচ্ছেদ-        ০৫।    প্রতিষ্ঠাকালঃ ২০১৪ ইং।
অনুচ্ছেদ-        ০৬।    শ্লোগানঃ দশের হাত এক কর স্বনির্ভর দেশ গড়।      
অনুচ্ছেদ-               ০৭।    সংগঠনের মূলনীতি ঃ শান্তি শৃঙ্খলা, একতা, উন্নয়ন, অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সমাজকল্যান মূলক যেমনঃ-ভুমিহীন, ছিন্নমূল, হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অবহেলিত, মানুষের কল্যানে এগিয়ে চলা।

অনুচ্ছেদ-        ০৮।    লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

ক)     ভুমিহীন,ছিন্নমূল, হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অবহেলিত, মানুষের কল্যানে এগিয়ে চলা ও সমাজের বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধি নারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
খ)     দারিদ্রতা বিমোচন, দুস্থদের সহায়তা, নিন্মবৃত্তদের আর্থিক উন্নয়ন, সুদমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা ও সমাজের প্রতিবন্ধি ছোট উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
গ)     শিক্ষার মান উন্নয়ন, সাস্থ সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ ও সমাজের দুস্থ, অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও দারিদ্র-পিড়ীত মানুষদের জন্য বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন নিশ্চিত ও পুষ্টি, স্বাস্থ্য পরিসেবা চর্চা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জ্ঞান দান করা।
ঘ)     অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণ ও বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পুনরম্নদ্ধার এর লক্ষ্য সামাজিক বনায়ন ও নার্সারী প্রোগ্রাম বা পুনঃ বনসৃজন বা বনায়ন চালু করা।
ঙ)     গ্রামীন জনগোষ্ঠির কাছে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা পৌছে দেওয়া ও দেশীয় এবং ধর্মীয় সংস্কৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সংগঠন প্রতিষ্ঠা, বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগীতার আয়োজন এবং মুদ্রণ ও ই-মিডিয়ায় শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচারের ব্যবস্থা করা।
চ)     কৃষি উন্নয়ন, ক্রীড়া উন্নয়ন ও খেলার মাঠ তৈরী ও বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস শিল্পে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ভিত্তিক কার্যক্রম (যেমন : স্থায়িত্বশীল কৃষি/মৌ-চাষ/ রেশম চাষ/ মৎস চাষ/ মাছের চাষ / পশু পালন / হাঁস-মুরগী পালন/ ছাগল পাল ) গ্রহণ করা (পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকাও এর অন্তর্ভূক্ত থাকবে)।
ছ)     মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা ও কারামুক্ত কয়েদীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন ও মাদকবিরোধী প্রচারণা এবং চেতনা গঠনমূলক প্রকল্প গ্রহণ করা। তাছাড়াও মাদকাসক্তদের চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন।
জ)     মানবতাবোধ ও সামজিক বন্ধন বৃদ্ধিকরণ ও নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার উদ্দেশ্যে সামাজিক শিক্ষা, বয়স্কদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও দরিদ্র, প্রতিভাবান ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করা।
ঝ)     ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান, সমাজের বিকলাঙ্গ, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধি, দুঃস্থ, অসহায়-বিধবা, অক্ষম কল্যাণ এবং উন্নয়ন, তালাকপ্রাপ্ত মহিলা ও শিশুদের সাহায্য করা।
ঞ)     নারী, শিশু ও যুব কল্যাণ ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা ও পরিবার পরিকল্পনা / পরিবারের উন্নয়ন এবং কল্যাণ এর ব্যবস্থা করা।
ট)     ভিক্ষুক ও দুঃস্থ ও সামাজিক অসমথ, বৃদ্ধ ও দৈহিক অসমর্থ ও শারীরিক ও মানসিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণ।
ঠ)     যুগোপযোগী পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠীকে এবং যুবশক্তিকে দক্ষ ও স্বাবলম্বী করার পদক্ষেপ নেয়া  এবং একে অপরকে স্বেচ্ছায় অনুদান প্রদান ভিত্তিতে প্রাথমিক পুঁজি গঠনে উদ্বুদ্ধ করা। যুবশক্তিকে স্বনির্ভর স্বাভলম্বি ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মদক্ষ করে গড়ে তোলাই এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য।
ড)     সমাজের দুস্থ, অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত, নির্যাতিত মানুষদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা।
ঢ)     আইনগত শিক্ষা / আইনগত সহায়তা / গণতন্ত্র সম্পর্কে সচেতনতা / ভোটারদের শিক্ষা / নিবার্চন পযবের্ক্ষণ, দরিদ্রদের বিনামূল্যে আইনি সাহায্য করা ও প্রশাসনিক ন্যায্য-বিচার নিশ্চিৎ করা।
ণ)     সমাজের দুস্থ, অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত, নির্যাতিত মানুষদের অপুষ্টিজনিত চিকিৎসা নিশ্চিত করা, উন্নত ও স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসা প্রদান ও মেডিকেল শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন ও পরিচালনা করা।
ত)     জনস্বাস্থ্য কর্মসূচীঃ নিরাপদ পানীয় জল, স্যানিটেশন, টীকাদান, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা, অ-পুষ্টিরোধকরন ইত্যাদি।
অঅ)   পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা / কৃষির জন্য সেচের উন্নয়ন, স্থায়িত্বশীল ভূমি ব্যবহার, ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি সংস্কারের উন্নয়ন।
ইই)    সমাজের যেসব ভিক্টিম এসিড সহিংসতায় জর্জরিত, তাদের সর্বাত্মক সহায়তা করা এবং তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
ঈঈ)    সামাজিক ব্যাধিসমূহের বা অসামাজিক ক্রিয়াকলাপ সমূহের (যেমন : যৌন নিপিড়ন/হয়রানি/সন্ত্রাস, ইভ টিজিং, আঁচড়ান, উত্ত্যক্ত, জ্বালাতন, বিরক্ত করা, গোলমাল, লাঞ্চনার ক্রিয়াকলাপ, পারিবারিক হিংস্র আচরন, রাস্তার হয়রানি, উগ্র/ফ্যাসিবাদ ক্রিয়াকলাপ, মাদকাসক্তি, অভদ্র/অমার্জিত/অশালীন পোষাক, শিশু অপব্যবহার, শিশু/মানব পাচার, শিশু শ্রম, এসিড নিক্ষেপ, যৌতুক/পণ প্রথা, ঘুষ/উৎকোচ, নারী/শিশু/গৃহ-পরিচারিকা নির্যাতন, গুজব রাটানো/ছড়ানো, ঘোঁট করা, কিডনাফ, ধর্ষণ, আত্মহত্যা, শরীর/পোষাক নিয়ে অশালীন মমত্মব্য, প্রকাশ্যে ধুমপান, সাম্প্রদায়িকতা,  সামাজিক বৈষম্য ইত্যাদি ) প্রতি ইতিবাচক ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া এবং অভিভাকদের মাঝে মটিভিশন মূলক প্রকল্প গ্রহণ করা।
উউ)   পতিতাবৃত্তি রোধে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
ঊঊ)   বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিশু শ্রম বন্ধের জন্য বিভিন্ন ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা।
ঋঋ)    বাংলাদেশ একটি প্রাকিতৃক দুর্যোগের দেশ। এই দেশে প্রতিনিয়ত খরা, বন্যা, সাইক্লোন, জলোচ্ছাস, ভুমিকম্প, বিল্ডং ধস ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই আছে। এই দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা।
এএ)    গ্রাম গঞ্জে লুকিয়ে থাকা প্রতিভার বিকাশ ঘটানো ও গরীব, অসহায়, দুঃস্থ, মৃতলোকদের কাফন দাফনের ব্যবস্থা করা।

অনুচ্ছেদ-        ০৯।    তহবিলের উৎস/আয় :
(ক)   ‘‘এই সংগঠন’’-এর সদস্যদের যে কোন দান, অনুদান, ও উপহার এনে তহবিল সংযোজন করা হবে।
(খ)    যে কোন দেশী-বিদেশী সংস্থা, ঘএঙ, প্রাইভেট ও পাবলিক সংগঠন, যে কোন কোম্পানি, ফার্ম, সরকারি দান-অনুদান, নগদ অর্থ কিংবা সম্পদে এই সংগঠনের তহবিলে সাদরে গৃহীত হবে।

অনুচ্ছেদ-        ১০।    সম্পত্তি আহরণ :
এই সংগঠন বাংলাদেশ-এর যে কোন স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ, অধিগ্রহন, ক্রয়, ভাড়ায় ক্রয়, ভাড়া দেয়া, ব্যবহার উপযোগী করা, উন্নয়ন করা, বিক্রয় বা অন্য যে কোন আইনানুগভাবে সম্পত্তি গ্রহণ ও স্বত্ত্ব ত্যাগের ব্যবস্থা করা যাবে।

অনুচ্ছেদ-        ১১।    তহবিলের ব্যবহার:
ক)     সংগঠন এর আয় উহার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ বাসত্মবায়নে জন্য ব্যয় করা হবে এবং সদস্যদের মধ্যে লাভ বা বোনাস বা ডিভিডেন্ট ইত্যাদি বন্টন করা যাবে না। তবে সংগঠন এর কার্যক্রম এবং গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প বাসত্মবায়নের জন্য বেতন ভাতা, ট্রান্সপোর্ট সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করা যাবে।

অনুচ্ছেদ-        ১২।    অবসায়নঃ
সংগঠনটি অবসায়ন করতে হলে উহার সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের ৩/৫(তিন-পঞ্চমাংশ) সদস্যগণের সম্মতিতে এ সংগঠনটি অবসায়ন হতে পারবে। সংগঠনটির যাবতীয় ঋণ পরিশোধ করার পর যদি কোন তহবিল বা সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকে তবে তা এই সংগঠনটির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের অনুরূপ কোন সংস্থার নিকট হস্তান্তর করতে হবে। উহার কোন সম্পদ বা উপার্জন কোনক্রমেই সদস্যদের মধ্যে লাভ বা বোনাস আকারে বন্টন করা যাবে না। উহা দেখা দিলে উক্ত কাজে এখতিয়ারভুক্ত আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

অনুচ্ছেদ-       ১৩।    সদস্য/সদস্যা ভর্তিও নিয়মাবলী
ক)     সদস্যগন মাসিক চাঁদা ২০/= টাকা ভর্তি ফি ১০০/= টাকা সভাপতি বরাবরে আবেদন করবে।
খ)     আবেদন মঞ্জুর হলে সদস্য/সদস্যা পদ লাভ করবে।
গ)     নির্বাহী পরিষদ সদস্যগন পরিষদের সদস্যদের অর্ন্তভুক্ত থাকবে
ঘ)     উক্ত সদস্য পদ লাভে অত্র সমিতির উপদেষ্টা পরিষদই সর্বময় ক্ষমতা সংরক্ষন করবে।

অনুচ্ছেদ-        ১৪।    সদস্যপদ লাভের যোগ্যতা ও নিয়মাবলী
ক)     সংস্থার কর্মসূচী ও ঘোষিত নীতিমালায় বিশ্বাসী ১৮ বছরের নীচে নয় এমন বয়স্ক ব্যক্তি যে সমাজকল্যানমূলক কাজ করতে আগ্রহী আবেদন সাপেক্ষে সংগঠনের সাধারন সদস্য হতে পারবেন।
খ)     সদস্য/সদস্যা পদপ্রার্থীকে সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন ও সুশিক্ষিত হতে হবে।
গ)     সদস্য/সদস্যা পদপ্রার্থীকে প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
ঘ)     সদস্য/সদস্যা পদপ্রার্থীকে সংগঠনের ভর্তি ফরমে আবেদন করতে হবে।
ঙ)     সদস্য/সদস্যার ভর্তির আবেদন পত্রটি সংস্থার সাধারন পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদষ্য/সদস্যার সম্মতি ক্রমে গৃহিত হলে সদস্য/সদস্যা পদ লাভ করবে।
চ)     বাংলাদেশের আইনে দোষী স্বীকৃত হতে পারবে না বা কেউ দোষী সাবস্ত হলে সাজাভোগ করার পরে সদস্য হতে পারবে।
ছ)     বাংলাদেশের আইনে দোষী স্বীকৃত হতে পারবে না বা কেউ দোষী সাবস্ত হলে সাজাভোগ করার পরে সদস্য হতে পারবে।

অনুচ্ছেদ-        ১৫।    সদস্য/সদস্যা পদ বাতিল বিধিঃ
ক)     সদস্য/সদস্যা পদ প্রাপ্তির ৩ (তিন) মাস চাঁদা না দিলে সদস্য/সদস্যা পদ বাতিল বলে গন্য হবে।
খ)     সদস্য/সদস্যা পরপর তিনটি সভায় হাজির না হলে সদস্য/সদস্যা পদ বাতিল বলে গন্য হবে।
গ)     সদস্য/সদস্যার মৃত্যু হলে, মস্তিষ্ক বিকৃতি হলে, আদালত কতৃক সাজাপ্রাপ্ত হলে সদস্য/সদস্যা পদ বাতিল বলে গন্য হবে।
ঘ)     সদস্য/সদস্যা সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কোন কাজে লিপ্ত হলে সদস্য/সদস্যা পদ বাতিল বলে গন্য হবে।
ঙ)     সদস্য/সদস্যা সংগঠনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্ররোচিত করলে সদস্য/সদস্যা পদ বাতিল বলে গন্য হবে।

অনুচ্ছেদ-ঃ       ১৬।    বাতিল সদস্য/সদস্যা পুনঃবহাল বিধিঃ
ক)     গঠনতন্ত্রের ধারা বা কোন উপধারা লঙ্ঘন করলে সে সদস্য/সদস্যা কে সাময়িক ভাবে বহিস্কার করে তার কারন দর্শানের জন্য ১৫ দিনের সময় দিয়ে প্রথম সুযোগ দিতে হবে।
খ)     অতঃপর আরো ০৭ দিনের সময় দিয়ে আরো একটি নোটিশ দিতে হবে।
গ)     এর মধ্যেকোন সন্তুষজনক জবাব না পাওয়া গেলে উক্ত সদস্য/সদস্যাকে বহিস্কার করা হবে।
ঘ)     আর তার লিখিত জবাব নির্বাহী পরিষদে গ্রহনযোগ্য হলে নির্বাহী পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যার সর্বসম্মতিক্রমে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ সাপেক্ষে অভিযুক্ত সদস্য/সদস্যাকে পুনঃ ভর্তি করা যাবে।
ঙ)     তার পুনঃ ভর্তির জন্য উক্ত সদস্য/সদস্যাকে ভর্তির ফি দিতে হবে।

অনুচ্ছেদ-        ১৭।    সদস্যের শ্রেণীবিভাগ
ক)     সংগঠনের সকল সদস্যকে ০৬ শ্রেণীতে বিভক্ত করা।যথা (ক) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, (খ) কার্যনির্বাহী সদস্য, (গ) সাধারন সদস্য, (ঘ) দাতা সদস্য, (ঙ) আজীবন সদস্য, (চ) উপদেষ্টা সদস্য, (ছ) সম¥ানিত সদস্য, (জ) কল্যান সদস্য।
খ)     প্রতিষ্ঠাতা সদস্য যাদের মহান উদ্দোগে সংস্থাটি জন্মলাভ করেছে। যাদের পরিকল্পনা, শ্রম এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সংগঠনটি গঠিত হয়েছে। তারা হলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
গ)     কার্য নির্বাহী হবে ৭ জন যারা সাধারন পরিষদ কতৃক নির্বাচিত হবেন। যারা সাধারন পরিষদ কতৃক নির্বাচিত হবেন।
ঘ)     সাধারন সদস্য হিসেবে এই সংগঠনে বিভিন্ন ধরনের সদস্য/সদস্যা থাকবেন। ধারা (৭) ও (৮) মোতাবেক সাধারন সদস্য/সদস্যা থাকবেন। এই সংগঠনের উন্নয়নকল্পে সর্বদা সচেতন থাকবেন।
ঙ)     দাতা সদস্য যারা সংগঠনের মঙ্গলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে অর্থ বা সম্পদ দান করবেন তাদেরকে দাতা সদস্য হিসেবে গন্য করা হবে।
চ)     আজীবন সদস্য যদি কোন সহৃদয়বান ব্যাক্তি সংগঠনের উন্নয়নের জন্য এককালীন ২০,০০০/= (বিশ হাজার) টাকা অথবা সমপরিমান সম্পদ দান করেন তিনি আজীবন সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ছ)     উপদেষ্টা সদস্যঃ যারা সংগঠন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন ধরনের উপদেশ দিয়ে সংগঠনকে বেগবান করে তুলবেন তারা উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবেন।
জ)     সম্মানিত সদস্যঃ যারা এলাকার সম্মানতি লোক এবং গণ্য মান্য ব্যক্তি আমাদের সংঘঠনকে আঞ্চলিক সমর্থন ও উৎসাহ প্রদান ও সাংগঠনিক কাজে সাহায্য সহযোগিতা করবেন তারা সম্মানিত সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
ঝ)     কল্যান সদস্য ঃ যারা সমাজ কল্যান মূলক কাজে আগ্রহী হয়ে যে কোন পরিসান অর্থ বা সম্পদ অনুদান প্রদান করবেন তারা কল্যান সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

অনুচ্ছেদ-        ১৮।    সাধারন সদস্যদের দায়িত্ব কর্তব্য/ সুবিধাদি
ক)     সাধারন সদস্যগন প্রত্যেকে এক একটি করে ভোট প্রদান করে নির্বাহী পরিষদ গঠন করবে।
খ)     সকল সাধারন সদস্যগন সভায় গঠনমূলক আলোচনা করতে পারবেন এবং সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।
গ)     সাধারন সদস্যগন  সংস্থার বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং বাজেট পেশ করবেন।
ঘ)     সংগঠনের স্বার্থে নির্বাহী পরিষদের পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে সাধারন সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্য নতুন নির্বাচনের দাবী জানিয়ে সভাপতি বরাবরে আবেদন করতে পারবেন। সভাপতি সাহেব আবেদন পাওয়ার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে সাধারন পরিষদ সভা আহ্বান করে সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যের রায় ও সিদ্ধান্ত মোতাবেক পুনঃনির্বাচনের মাধমে নতুন নির্বাহী পরিষদ কমিটি গঠন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে নিবন্ধীকরন কতৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন লাগবে।
ঙ)     সংগঠন কতৃক গৃহীত প্রকল্পে গ্রহন করলে সাধারন পরিষদের সদস্যগন স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহন করতে পারবেন। কিন্তু বেতন গ্রহন করতে পারবেন না। তবে সংগঠনের প্রকল্পে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করলে উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সম্মানী ভাতা সহ অন্যান্য ভাতাদী গ্রহন করতে পারবে। বেতন হিসেবে অর্থ গ্রহন করলে সদস্যপদ বাতিল হবে।

অনুচ্ছেদ-        ১৯।    নির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব কর্তব্য/ সুবিধাদি
ক)     উপদেষ্টা পরিষদই সংগঠনের একমাত্র কার্যনির্বাহী কমিটি হিসেবে গন্য হবে।
খ)     উপদেষ্টা পরিষদ বার্ষিক সাধারন সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
গ)     প্রতি মাসে একবার সংগঠনের সকল সদস্যকে ডেকে বোর্ড মিটিং করতে হবে।
ঘ)     সংগঠনের সাধারন সম্পাদক তার নিজ ক্ষমতায় সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত সাংগঠনিক কাজে ব্যয় করিতে পারিবেন।
ঙ)     সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দুই বৎসর অন্তর অন্তর নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন হবে এবং পুরাতন কমিটি নতুন কমিটির নিকট সমস্ত আয় ব্যয় এর হিসাব বুঝাইয় দিতে বাধ্য থাকিবে।
চ)     সংগঠনের কোন সদস্য যদি তার ব্যক্তিগত কারনে নাম কর্তন করতে চায় তাহা হইলে সভাপতি বরাবরে নাম কর্তনের উপযুক্ত করন দর্শাতে হবে অন্যথায় সদস্যপদ বাতিল হইবেনা।
ছ)     কমিটির কেহ যদি সংগঠনের অর্থ বা সম্পদ ত¯্রুপ করে তাহা হইলে সমিতির সদস্যরা প্রতিষ্ঠাতা কমিটি বরাবরে আবেদন করলে প্রতিষ্ঠাতা কমিটি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করিতে পারিবেন।
জ)     সংগঠনের কেহ কোন প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হইতে পারিবে না যদি কেহ করে তার দায়দায়িত্ব নিজেকেই বহন করিতে হইবে।
ঝ)     কমিটি এককভাবে কেন সিদ্ধান্ত গ্রহন করিতে পারিবে না। যদি করে তাহা হইলে উপদেষ্টা পরিষদ এর নিকট কৈফিয়ত দিতে বাধ্য থাকিবে।
ঞ)     সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কমিটি বা উপদেষ্টা কমিটি উপরোক্ত শর্তাবলী সংশোধন ও সংযোজন করার ক্ষমতা রাখে।
ট)     সভাপতি পদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ২৫ (পচিশ) বছর হতে হবে।
ঠ)     উপদেষ্টা পদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) বছর বয়স হতে হবে।

অনুচ্ছেদ-        ২০।    সদস্যদের অবশ্য পালনীয় নিয়মাবলী বা মূলনীতিসমূহঃ
ক)     নির্বাহী পরিষদ সংগঠন পরিচালনা করবে।
খ)     সংগঠনের ব্যাপারে সদস্যরা সর্বদা সত্য বলবে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও সর্বদা সত্য বলার চেষ্টা করবে।
গ)     সংগঠনের কোন বিশেষ তথ্য (গোপন রাখা শ্রেয় অনুভূত হলে) সদস্যদের মাঝে গোপন থাকবে এবং অসদস্যদের কাছে তা বলা যাবে না।
ঘ)     সংগঠনের কর্মপদ্ধতি অসদস্যের মাঝে গোপন রাখবে।
ঙ)     গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হলে মোট সদস্যের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) অংশের সম্মতি থাকতে হবে। প্রতিমাসের টাকা মাসের ১০ (দশ) তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে। তবে কোন সদস্য চাইলে অগ্রীম ৩ (তিন) বা ৬ (ছয়) বা ১২ (বার) মাসের টাকা একত্রে দিতে পারবে।
চ)     সংগঠনের আয় ব্যায়ের হিসাব প্রতি ৬ (ছয়) মাস পর পর সদস্যদের অবহিত করতে হবে।
ছ)     ব্যক্তিগত আক্রমণ করে কোন সদস্য কোন সদস্যকে কোন কথা বলবে না।
জ)     প্রথমবার নির্ধারণ করা হবে কোন পদে কে থাকবে এবং পরবর্তীতে নির্বাচনী ব্যবস্থায় নির্ণীত হবে।
ঝ)     এমন কোন আইন তৈরি করা যাবে না যা বাংলাদেশ সংবিধানের পরিপন্থী হয়।

অনুচ্ছেদ-        ২১।    সভাপতির দায়িত্ব ও কার্যাবলীঃ
ক)     সভাপতি সংগঠনের সাংবিধানিক প্রধান বলে স্বীকৃত হবেন এবং সংগঠনের সকল ধরণের সভা-অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।
খ)     তিনি সংগঠনের সামগ্রিক বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখবেন।
গ)     তিনি বিশেষ অবস্থায় নির্বাহী পরিষদের সভা আহবান করবেন এবং সভার সিদ্ধান্তসমূহ পাশ করবেন।
ঘ)     সভাপতি সহসভাপতিগণের রিপোর্টিং বস হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ঙ)     যে কোন জরুরী অবস্থায় সহসভাপতিগণের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে বা সময় স্বল্পতার কারণে এককভাবে সিদ্ধান্তগ্রহণ করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ-        ২২।     সহসভাপতির দায়িত্ব ও কার্যাবলীঃ
ক)     কার্যনির্বাহী কমিটির প্রধান হিসেবে সভাপতির সাথে আলোচনা করে সংগঠনের উদ্দেশ্য সমূহ বাস্তবায়ন করবেন।
খ)     নির্বাহী কমিটির বার্ষিক সাধারণ সভা, বিশেষ সভা, ও কার্যকরী সভা আহ্বান করবেন এবং সভাসমূহের কার্যবিবরণী সংরক্ষণ করবেন।
গ)     কোন সভায় পাশ হওয়া সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন করবেন এবং বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব বণ্টন করবেন।
ঘ)     সভাপতির অনুপস্থিতিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
ঙ)     নিজ দপ্তরের সমস্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
চ)     অর্থ সম্পাদক, সাংগঠনিক ও দপ্তর সম্পাদককে  তাদের কাজের দিকনির্দেশনা দিবেন এবং তাদের রিপোর্টিং বস হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ছ)     তিনি সংগঠনের তহবিলের থেকে ২০০০ (দুই হাজার) টাকা নগদে নিজের নিকট রাখতে পারবেন এবং এর অধিক ব্যায়ের প্রয়োজন হলে সভাপতির সাথে আলোচনা করে নিতে হবে এবং পরবর্তী সভায় তার অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
জ)     তিনি সভাপতির অনুমতিক্রমে সংগঠনের নামে চিঠিপত্র লিখতে ও খরচাদি করতে পারবেন। তিনি সকল কাজের জন্য সভাপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন।

অনুচ্ছেদ-        ২৩।    সম্পাদকের দায়িত্ব ও কার্যাবলীঃ
ক)     অর্থ সম্পাদক সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সংগঠনের তহবিল সংগ্রহের ব্যবস্থা করবেন।
খ)     তিনি যথাসময়ে সভাপতি/ সাংগঠনিক সহসভাপতি এর অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের সাথে সংগঠনের অর্থ আদান প্রদান করবেন।
গ)     অর্থ সম্পাদক সংগঠনের আয় ব্যয়ের হিসেব সঠিকভাবে রাখার জন্য ক্যাশিয়ারসহ নিজে দায়িত্ব পালন করবেন।
ঘ)     তিনি বার্ষিক সাধারন সভায় সংগঠনের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসেব পেশ এবং বছরের বাজেট প্রস্তুত করবেন। ক্যাশিয়ারকে তার কাজ করতে সকল প্রকার নির্দেশনা দিবেন।

অনুচ্ছেদ-        ২৪।    সাংগঠনিক ও দপ্তর সম্পাদকঃ
ক)     সংগঠনের উপযুক্ত সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধিসহ সংগঠনের সদস্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন এবং সহসভাপতির নির্দেশাবলী বাস্তবায়ন করবেন।
খ)     সংগঠনের নথিপত্র, কার্যালয়ের মালামালের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকবেন।
গ)     সংগঠনের মালামালের জন্য একটি রেজিষ্টার খুলে উহাতে মালামালের হিসেব সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
ঘ)     তিনি সহসভাপতির অনুমোদনক্রমে সংগঠনের পক্ষে ক্ষেত্র বিশেষে বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
ঙ)     তিনি সাংগঠনিক সহসভাপতির নিকট রিপোর্ট করবেন।

অনুচ্ছেদ-        ২৫।   প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ
ক)     প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে প্রচারের দায়িত্ব পালন করবেন।
খ)     সংগঠনের কার্যাবলীর বিবরণ বহুল প্রচারে সচেষ্ট থাকবেন এবং সহসভাপতির নির্দেশাবলী বাস্তবায়ন করবেন।
গ)     আঞ্চলিক প্রতিনিধিদের প্রচারে সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করবেন।
ঘ)     তিনি শিক্ষা ও প্রচার সহসভাপতির নিকট রিপোর্ট করবেন।

অনুচ্ছেদ-        ২৬।    সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ
ক)     তিনি, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে কল্যাণমূলক কার্যক্রম প্রণয়ন ও উহা বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকবেন এবং জন্য নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে বছরে কমপক্ষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।
খ)     তিনি শিক্ষা ও প্রচার সহসভাপতির নিকট রিপোর্ট করবেন।

অনুচ্ছেদ-        ২৭।     শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকঃ
ক)     তিনি আঞ্চলিক প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে প্রত্যেক এলাকার মেধাবী ও গরীব মতুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করবেন, কুইজ আয়োজন করবেন।
খ)     মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠচক্রের আয়োজন করবেন।
গ)     সংগঠনের নিয়ম অনুসারে প্রচলিত সামাজিক অনুষ্ঠানের বিষয়ে গবেষণা করবেন এবং সংগঠনের সভায় তা পেশ করবেন।
ঘ)     সামাজিক কারণে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া মতুয়াদের নীতিগত পরামর্শ দিবেন।
ঙ)     তিনি শিক্ষা ও প্রচার সহসভাপতির নিকট রিপোর্ট করবেন।

অনুচ্ছেদ-        ২৮।    আঞ্চলিক প্রতিনিধির দায়িত্ব ও কার্যাবলীঃ
ক)     আঞ্চলিক প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকর হবে।
খ)     এলাকা ভিত্তিক প্রচার, লাইব্রেরী, পাঠচক্র গঠন করবে।
গ)     মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ঘ)     বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কুইজ বা এই ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।
ঙ)     স্থানীয় গরীব অবহেলিত মানুষকে সামাজিক সাহায্য সহযোগিতা করবে।
চ)     সামাজিক ভাবে রীতিনীতি পালনের জন্য কেউ হেনস্থা হলে বা হেয় প্রতিপন্ন হলে কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ করে তার প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ছ)     আঞ্চলিক প্রতিনিধিগণ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকের নিকট রিপোর্ট করবেন।

অনুচ্ছেদ-        ২৯।    কোষাধ্যক্ষ ও সহসম্পাদকগণের দায়িত্ব ও কার্যাবলীঃ
ক)     অর্থ সম্পাদকের নির্দেশনামোতাবেক কাজ করবেন।
খ)     সদস্যদের নিকট থেকে চাঁদা বা  অনুদান গ্রহণ করবেন এবং সঠিক কাগজপত্র সহ সংরক্ষণ করবেন।
গ)     সদস্য ছাড়াও অন্য কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের নিকট হতে অনুদান গ্রহণ করবেন। আয় ব্যায়ের হিসাব সংরক্ষণ করবেন।
ঘ)     সংগঠনের তহবিলে জমাপ্রদানের জন্য গৃহীত অর্থ অর্থ প্রাপ্তির পরবর্তী ০৫ (পাঁচ) কার্য দিবসের মধ্যে ব্যাংকে রক্ষিত সংগঠনের হিসাবে জমা করবেন এবং সকল নথিপত্র সংরক্ষণ করবেন।
ঙ)     ব্যাংকের চেক বইতে সাংগঠনিক সহসভাপতি ও অর্থসম্পাদকের সাথে তিনি যৌথভাবে স্বাক্ষর করবেন। হিসাব বিবরণী প্রস্তুতপূর্বক অর্থ সম্পাদকের অনুমতিক্রমে ষান্মাসিক বা বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশ করবেন।
চ)     এবং বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশ করার পূর্বে পরবর্তী বছরের বাজেট অর্থসম্পাদকের মাধ্যমে নির্বাহী পরিষদের বিবেচনা ও অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন।
ছ)     সদস্যদের চাঁদা ও অনুদান গ্রহণ করার জন্য ব্যাংক একাউন্টের পাশাপাশি পোস্ট অফিসের সাথে যোগাযোগ করবেন এবং প্রয়োজনে বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করবেন।
জ)     তবে ব্যাংক একাউন্ট ব্যাতিত অন্য যেভাবেই চাঁদা বা অনুদান সংগ্রহ করা হোক না কেন, প্রতি ১৫ (পনের) দিন অন্তর তা ক্যাশ করে ব্যাংক একাউন্টে জমা দিতে হবে।
ঝ)     যে কোন ব্যয় অবশ্যই রসিদের মাধ্যমে করতে হবে।

অনুচ্ছেদ-        ৩০।    সংগঠনের সভাঃ     বার্ষিক সাধারণ সভাঃ
ক)     প্রতি বছর মার্চ মাসের মধ্যে সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
খ)     উক্ত সভায় সাংগঠনিক সহসভাপতি বার্ষিক বিবরণী পেশ করবেন ও বছরের পূর্নাঙ্গ কার্যবিবরণী ও আয় ব্যয়ের নিরীক্ষিত হিসেব পেশ করবেন।
গ)     অর্থ সম্পাদক বার্ষিক হিসেব পেশ করবেন।
ঘ)     সাধারণ সভায় উপস্থাপিত সকল প্র¯াব সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্মতিতে গৃহীত হবে।
ঙ)     বার্ষিক সাধারণ সভা আহ্বানের পূর্বে কমপক্ষে পনের দিনের নোটিশে সাধারণ সভা আহ্বান করতে হবে।
চ)     সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের মোট সদস্যের২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) ভাগ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হবে এবং সাধারণ সদস্যদের উপস্থিতির কোন বাধ্যবাধকতা নেই।
ছ)     সাধারণ সভায় সদস্যদেরকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদান করতে হবে।
জ)     বার্ষিক সাধারণ সভায় পূর্ববর্তী সারাবছরের কার পর্যালোচনা করতে হবে এবং পরবর্তী বছরের পরিকল্পনা করতে হবে।
ঝ)     সাধারণ সভায় কেবলমাত্র নিয়মিত সদস্যগণই ভোট দিতে পারবেন।
ঞ)     বিশেষ প্রয়োজনে ৭ (সাত) দিনের নোটিশে সাধারণ সভা আহ্বান করা যাবে।

অনুচ্ছেদ-        ৩১।    বিশেষ সাধারণ সভাঃ
ক)     সভাপতি অথবা সহসভাপতির অনুমোদনক্রমে সাংগঠনিক সম্পাদক বছরে যে কোন সময় সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করতে পারবেন।
খ)     সমিতির গঠনতন্ত্র সংশোধন বা যে কোন জটিল সমস্যা সমাধানে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
গ)     সাধারণত ১৫ (পনের) দিনের নোটিশ প্রদানে সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ঘ)     জরুরী প্রয়োজনে ৭ (সাত) দিনের নোটিশে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ঙ)     এ সভায় নির্বাহী সদস্যদের এক তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত হলে সভা অনুষ্ঠিত হবে।
চ)     তবে উপস্থিত সদস্যদের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) অনুমোদন করলে তবে পাশ হবে।

অনুচ্ছেদ-        ৩২।    অনুরোধক্রমে সভা বা জরুরী সভাঃ
ক)     সংগঠনের অন্তত মোট সদস্যের (নির্বাহী ও সাধারণ) এক তৃতীয়াংশ সদস্যের স্বাক্ষরযুক্ত অনুরোধে সভাপতি ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে যথানিয়মে সমিতির সাধারণ সভা আহ্বান করতে বাধ্য থাকবেন।
খ)     যদি সভাপতি উক্ত সময়ের মধ্যে সভা আহ্বান করতে অসমর্থ হন তা হলে বর্ণিত স্বাক্ষরকারীরাই ৭ দিনের নোটিশে নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান উল্লেখ করে সংবাদ পত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সভা আহ্বান করতে পারবেন।
গ)     উক্ত সভায় মোট সদস্যের তিন ভাগের দুইভাগ সদস্য উপস্থিত থাকলেই উক্ত সভার সিদ্ধান্ত কার্যকরী হবে।

অনুচ্ছেদ-        ৩৩।    কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাঃ
ক)     কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা সাধারণত ৭ (সাত) দিনের নোটিশে ৩ (তিন) মাসে একবার অনুষ্ঠিত হবে।
খ)     এছাড়া সভাপতি অথবা সভাপতির অনুমোদনক্রমে সাংগঠনিক সহসভাপতি ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার নোটিশে কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরী সভা আহ্বান করতে পারবেন।
গ)     নির্বাহী পরিষদের মোট সদস্যের এক তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে কোরাম হবে এবং সভা অনুষ্ঠান করা যাবে।
ঘ)     এছাড়াও নির্বাহী কমিটি প্রতিমাসে অন্তত একবার অনলাইনে সভা করবে।

অনুচ্ছেদ-        ৩৪।    নির্বাচন কমিশনঃ    নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচন অনুষ্ঠানঃ
ক)     প্রতি ৫ (পাঁচ) বছর অন্তর সংগঠনের বার্ষিক সভায় প্রত্যেক পদের জন্য প্রত্যক্ষ/ গোপন ভোটে কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
খ)     সংশ্লিষ্ট বছরের ৩১ শে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে হবে, তবে কোন বিশেষ কারণে সম্ভব না হলে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে এবং নির্বাচনের  ২ (দুই) মাস পূর্বে নির্বাচনের তারিখ কার্যকরী সংসদের সভায় স্থির করতে হবে এবং নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে না এমন সদস্যদের মধ্য থেকে একজন চেয়ারম্যানসহ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।
গ)     নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত তারিখের ৩০ (ত্রিশ) দিন আগে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে। সদস্য হিসেবে যারা নিয়মিত কমপক্ষে ৬ (ছয়) মাসের চাঁদা, ভর্তি ফিস ইত্যাদি পরিশোধ করবেন শুধু সে সকল সদস্যই ঘোষিত নির্বাচনে ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে প্রার্থী হওয়ার এবং ভোট প্রদানের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন অর্থাৎ কোন বকেয়া অথবা সাধারন সদস্য হিসাবে মেয়াদ ৬ মাসের কম হলে প্রাথী হওয়ার কিংবা ভোট প্রদানের যোগ্য বিবেচিত হবেন না।
ঘ)     নির্বাচনে একই ব্যক্তি একাধিক পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন না।
ঙ)     প্রত্যেক ভোটার সংসদের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সংখ্যানুযায়ী একটি করে ভোট দিতে পারবেন।
চ)     কোন পদে প্রার্থী না থাকলে সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। নির্বাচন ঘোষণার দুই মাসের মধ্যে নির্বাচন বাধ্যতামূলক।

অনুচ্ছেদ-        ৩৫।    নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতাঃ
ক)     নির্বাচন কমিশন সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক কার্যনির্বাহী পরিষদের ও সদস্য নির্বাচন সম্পন্ন করবেন।
খ)     নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনবোধে গঠনতন্ত্রের কোন ধারা কিংবা উপধারার পরিপন্থী নয় এমন নির্বাচন সংক্রাউপ-বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।
গ)     নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ চূড়ান্তবলে বিবেচিত হবে।

অনুচ্ছেদ-        ৩৬।    দায়িত্বভার হস্তানÍরঃ
ক)     নির্বাচন অনুষ্ঠানের ১০ (দশ) দিনের মধ্যে নতুন কার্যনির্বাহী ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করার জন্য নির্বাচন সংক্রান্তবিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই পরিষদের নিকট দায়িত্বভার হ¯ান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে।
খ)     কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য পদত্যাগ করলে বা কোন কারণে সদস্যপদ বাতিল হলে কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্তৃক তার পদত্যাগ পত্র গ্রহণ কিংবা পদত্যাগ পত্র গ্রহণ না করা পর্যন্তউক্ত সদস্য দায়িত্বভার পালন করতে হবে।

অনুচ্ছেদ-        ৩৭।    আঞ্চলিক শাখা অফিসঃ
ক)     যে কোন অঞ্চলে সংগঠনের আঞ্চলিক শাখা গঠন করা যাবে।
খ)     তবে এর জন্য অবশ্যই কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন থাকতে হবে।
গ)     কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোন আঞ্চলিক শাখার গঠনতন্ত্র কার্যকর হবে না।
ঘ)     আঞ্চলিক শাখা পরিচালনার ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্তবলে বিবেচিত হবে।

অনুচ্ছেদ-        ৩৮।    সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধনঃ
ক)     সংগঠনের সকল কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্র গঠনতন্ত্রই একমাত্র আইন সংগত নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হবে।
খ)     ভবিষ্যতে বিশেষ প্রয়োজনে অথবা সংগঠনের পরিচালনার সুবিধার্থে অত্র গঠনতন্ত্র সংশোধন, পরিবর্তন কিংবা পরিবর্ধনের জন্য সমিতির যে কোন সাধারন সদস্য সাংগঠনিক সম্পাদকের নিকট লিখিত প্রস্তাব করতে পারবেন, যা পরবর্তী সাধারণ সভায় উপস্থিত ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) এর সমর্থনে গৃহীত হবে।
গ)     সাংগঠনিক সম্পাদক সংশোধিত প্রস্তাবের উপর কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিমতসহ সাধারণ সভায় তা উপস্থাপন করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ-        ৩৯।    সংগঠনের বিলুপ্তিকরণঃ
ক)     যদি কোন সুনির্দিষ্ট কারণে সংগঠনের বিলুপ্তির প্রশ্ন ওঠে তাহলে,সাধারণ সভার ৪/৫ (চার-পঞ্চমাংশ) ভাগ সদস্যের অনুমোদনক্রমে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট নিবন্ধন বাতিল করার জন্য আবেদন করতে হবে।
খ)     নিবন্ধন বাতিল হলে সংগঠন বাতিল বলে গণ্য হবে।
গ)     নিবন্ধন বাতিলের পূর্বে সংগঠনের বর্তমান স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পদের বণ্টন করতে হবে।
ঘ)     সংগঠন বাতিল হলেও এর সদস্যগণ কোনভাবেই সংগঠনের সম্পদের অধিকারি হবে না।
ঙ)     এক্ষেত্রে সংগঠন বাতিল হলে সংগঠনের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যের সম্মতিতে বড় কোন মতুয়া সংগঠনের কাছে হস্তান্তর করবে অথবা বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত কোন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দান করবে।

অনুচ্ছেদ-        ৪০।    নির্বাহী পরিষদের গঠন প্রকৃতিঃ
১.    সভাপতিঃ                        ১ জন
২.    সহ- সভাপতিঃ                    ১ জন
৩.    সাধারণ সম্পাদকঃ                  ১ জন
৪.    যুগ্ন সম্পাদকঃ                     ১ জন
৫.    সাংগঠনিক সম্পাদকঃ                 ১ জন
৬.    প্রচার সম্পাদকঃ                    ১ জন
৭.    মহিলা বিষয়ক সম্পাদীকাঃ       ১ জন
সর্বমোট-                             ৭ জন

অনুচ্ছেদ-        ৪১।   নির্বাহী পরিষদের কাজঃ
ক)     সাধারন সভা ও বার্ষিক সভা আহবান করা।
খ)     বিশেষ প্রয়োজনে সভাপতির আহবানে জরুরী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করা।
গ)     সভায় গৃহিত সিদ্ধান্তসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যুক্ত স্বাক্ষরে বা¯বায়িত হবে।
ঘ)     নির্বাহী পরিষদ এ সংগঠনের যাবতীয় কার্যাবলীর চুড়ান্তসিদ্ধান্তপ্রদানকারী ও নীতি নির্ধারক বলে বিবেচিত হবে।
ঙ)     নির্বাহী পরিষদ দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতিক্রমে সংগঠনের মুল উদ্দেশ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ গঠনতন্ত্র সংশোধন, পরিবর্তন , পরিবর্ধন ও সংযোজন করতে পারবে।
চ)     নির্বাহী পরিষদ সংগঠনের সাথে সংগতি রেখে গঠনতন্ত্রে বর্ণিত নেই এমন যে কোন ধরনের আর্থিক সাহায্য প্রদানের সিদ্ধান্তগ্রহণ করতে পারবে।
ছ)     নির্বাহী পরিষদ সংগঠনের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিক্ষা-নিরিক্ষা ও অনুমোদন করবে। সংগঠনের উন্নয়ন ও আয় বৃদ্ধির জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করবে।
জ)     বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করার জন্য সকল সদস্যকে নির্দেশ প্রদান করবে।

অনুচ্ছেদ-        ৪২।    উপদেষ্টা পরিষদ (অফারংড়ৎু ঈড়ঁহপরষ) ঃ
(ক)   কার্যনির্বাহী পরিষদ সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের বা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ৮-১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করবেন, যাতে যে কোন লক্ষ্য বাসত্মবায়ন করা যায়।
(খ)    উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের কোন প্রকার ভোটাধিকার থাকবে না এবং নির্বাচন অংশ গ্রহণ করতে পারবে না।
(গ)    উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মাসিক চাঁদা দিতে হবে না। তবে যদি সংগঠনের উন্নয়নকল্পে স্বেচ্ছায় দান করেন তবে তা ধন্যবাদের সহিত গ্রহণ করা হবে।
(ঘ)    উপদেষ্টা পরিষদের কোন মেয়াদ থাকবে না।
(ঙ)    উপদেষ্টা পরিষদের কোন সদস্য সোসাইটির স্বার্থবিরোধী কাজ করলে সদস্য পদ বাতিল করা হবে।
(চ)    উপদেষ্টা পরিষদ  সংগঠনের যে কোন কর্মসূচি/ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে  সোসাইটির কাজে উৎসাহ ও পরামর্শ দান করবেন।

অনুচ্ছেদ-        ৪৩।    সংগঠনের তহবিল সংক্রান্তবিষয়াবলীঃ
ক)     সংগঠনের একটি মাত্র তহবিল থাকবে, যা একটি ব্যাংক -এ সঞ্চয়ি হিসাব নামে থাকবে।
খ)     সংগঠনের সকল লেনদেন, কার্যবিবরণী ও আয়-ব্যয় সংক্রান্তসকল তথ্য নিয়ে নির্বাহী পরিষদ ও সকল সদস্যের উপস্থিতিতে একটি বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে।
গ)     তহবিল সংক্রান্তসকল লেনদেন সভাপতির স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।
ঘ)     অর্থ সংরক্ষণঃ  সংগঠনের আদায়কৃত ও বিভিন্ন সুত্র থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্থানীয় ব্যাংকে অর্থাৎ যে কোন বাণিজ্যিক তফসিলি ব্যাংকে জমা থাকবে। সভাপতি এবং অর্থ পরিচালক এর যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব খোলা হবে । অর্থ প্রাপ্তির পরই ব্যাংকে জমা দিতে হবে। টাকা উত্তোলনো পর কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন নিতে হবে এবং খরচের পর খরচকৃত অর্থের অনুমোদন নিতে হবে। এই খরচের বাৎসরিক সভা ও বাজেট অধিবেশনে পাশ করাতে হবে।
ঙ)     কর্মসূচী বাসস্তবায়নের সুবিধার্থে কেন্দ্রীয় হিসাব ছাড়া প্রকল্প ভিত্তিক ব্যাংক হিসাব খোলা যাবে।
চ)     অর্থ-খরচঃ দাতা সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত অর্থ-দাতা সংস্থার নির্দেশ অনুসারে খরচ করতে হবে। নির্দেশ না থাকলে কার্য্যনির্বাহী পরিষদ গঠনমূলক কাজে টাকা খরচ করবে।
ছ)     ভাউচার পাশঃ সকল প্রকার খরচের বিল/ ভাউচার পাশ করাতে কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা প্রদানকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তার অনুমোদন লাগবে এবং প্রতিদিনের হিসাব ক্যাশ/ লেজার বহিতে লিখতে হবে।
জ)     অডিট সংক্রান্তঃ  সংগঠনের হিসাব নিকাশ অডিট করার জন্য নিবন্ধীকৃত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অথবা সরকার অনুমোদিত যে কোন অডিট প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রতি বছরের হিসাব নিরীক্ষা করা হবে। তাছাড়া নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ যে কোন সময় হিসাব নিকাশ করতে পারবেন।
ঝ)     ব্যাংক হিসাব ঃ ব্যাংকের লেনদেনের জন্য  সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং সেক্রেটারী তিন জন স্বাক্ষর দাতা থাকবেন। উক্ত  সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং সেক্রেটারীর স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব উত্তোলন করা হবে।

অনুচ্ছেদ-        ৪৪।    সংগঠনের তহবিল (আয়-ব্যয় )ঃ-
আয়
ব্যয়
ক) সদস্যদেও ভর্তি ফি, চাঁদা ও দান
খ) শুভাকাঙখীদের দান ও বিনিয়োগ।
গ) সরকারী, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, কল্যাণমূলক  ফাউন্ডেশন, দেশী-বিদেশী দাতা সংস্থার দান, অনুদান।
ঘ) বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা ।
ঙ) সংগঠনের কর্মসূচী হতে আয়।
চ) অন্যান্য উৎস হতে আয়।

ক) অফিস ভাড়া, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ফ্যাক্স, কারেন্ট বিল পরিশোধ বাবদ।
খ) আসবাবপত্র ক্রয় বাবদ।
গ) কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাবদ।
ঘ) পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সদস্য ও কর্মচারীদের দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ বাবদ।
ঙ) কর্মসূচী খাতে ব্যয়।
চ) সংগঠনের পরিচালনায় বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাবদ।
ছ) কর্মসূচীর কার্যক্রম পরিদর্শনার্থে যানবাহন ক্রয় খাতে ব্যয় বাবদ।
জ) সংগঠনের নামে তহবিল সংগ্রহ তথা উন্নয়নের দায়িত্বে নিয়োজিত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কান্ট্রি ডিরেক্টরদের ব্যয় ভার বহন বাবদ।
ঝ) আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা বাবদ
ঞ) সোসাইটির প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরী, গৃহীত কর্মসূচীর নীতিমালা তৈরী, প্রশিক্ষণ, ওরিয়েন্টশন ও সভা সেমিনারের জন্য সদস্যদের সম্মানি, যাতায়াত বাবদ।
ট) বিবিধ ব্যয় বাবদ।

অনুচ্ছেদ-        ৪৫।    প্রক্সি ভোট:
অনবিার্য কারণ বশত: যদি কোন সদস্য সভায় উপস্থিত হতে না পারেন তবে তিনি প্রতিনিধি নিয়োগের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ-        ৪৬।    সংগঠনের তহবিল ব্যবহার:
ক)     সংগঠনের তহবিল ফাউন্ডেশনের আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের ক্ষেত্রে কল্যাণমূখী কাজে খরচ করা যাবে।
খ)     সংগঠনের তহবিল হতে ফাউন্ডেশনের সদস্যদের অনাকাক্মিখত কোন দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে আর্থিক বা অন্য কোন সহায়তা প্রদান করা যাবে।

অনুচ্ছেদ-        ৪৭।    অডিটঃ
সংগঠনের সকল হিসাবনিকাশ নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ দ্বারা অনুমোদিত বা যে কোন নিবন্ধীকৃত হিসাব সংস্থা (অডিট সংস্থা) বা হিসাব পরীক্ষক দ্বারা নিরীক্ষা করাতে হবে। এ ধরনের হিসাব নিরীক্ষা বার্ষিক ভিত্তিতে হবে। এ ছাড়া নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ নিয়োজিত যে কোন কর্মকর্তাও হিসাব নিরীক্ষা করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ-        ৪৮।    অফিসিয়াল বৎসরঃ
       ইংরেজী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১লা জানুয়ারী হতে বৎসর আরম্ভ হবে।

অনুচ্ছেদ-        ৪৯।    সম্মতি জ্ঞাপন:
আমরা নিমণলিখিত ব্যক্তিবর্গ স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে অন্য কারো বিনা প্ররোচনায় অত্র সংগঠনের গঠনতন্ত্রের সকল নিয়মাবলী মেনে চলার অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করছি। স্মারক সংঘের স্বাক্ষরগুলো পঠিত বলে গণ্য করা হলো :


এই মর্মে প্রত্যয়ন করছি যে অত্র সংঘ স্মারকের সংগে সংযোজিত গঠনতন্ত্রই মূল গঠনতন্ত্রের অবিকল নকল কপি।



শেয়ার করুন