গাজীপুরের কালিয়াকৈর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শনিবার পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় এক মাদ্রাসা ছাত্রসহ দুইজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- হাফেজ মো: নোমান (১২)। সে
কালিয়াকৈর উপজেলার রাখালিয়াচালা এলাকার মো. আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে এবং
গাজীপুরের সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ি এলাকার খাইরুল মাদ্রীস নূরানীয়া
হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। অপরজনের নাম রাসেল হোসেন (২২)। রাসেল
দিনাজপুর জেলার শ্রীবন্দর থানার জগন্নাথপুর এলাকার ইসলামের ছেলে।
সালনা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো: সজিব
শিখদার জানান, হাফেজ নোমান তার পিতা আবু বকর সিদ্দিক ও ঢাকা কেন্দ্রীয়
কারাগারের কারারক্ষী সাইরুল ইসলাম একটি অটোরিকশাভ্যানে কোনাবাড়ির দিকে
যাচ্ছিলেন। পথে দুপুর ১টার দিকে মৌচাক এলাকায় পৌঁছলে সামনে থাকা একইপথগামী
একটি মোটরসাইকেল স্লীপ খেয়ে পড়ে যায়। এ সময় অটোরিকশাভ্যানটি ওই মোটরসাইকেলকে
পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীতগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে
নোমান রাস্তায় পড়ে গিয়ে ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আহত
হন আবু বকর সিদ্দিক ও সাইরুল ইসলাম । এলাকাবাসি আহতদের উদ্ধার করে
স্থানীয় ক্লিনিকে পাঠায়।
এ দিকে গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি খলিলুর রহমান এবং এলাকাবাসী জানান, রাসেল তার চাচাত ভাই আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে দিনাজপুর থেকে সাভার যাচ্ছিলেন। পথে বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার সাহেববাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী রাসেল ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং মোটরসাকেল চালক আক্তারুজ্জামান আহত হন। আক্তারুজ্জামান একই এলাকার আব্দুল হাকিম মিয়ার ছেলে ।
এ দিকে গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি খলিলুর রহমান এবং এলাকাবাসী জানান, রাসেল তার চাচাত ভাই আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে দিনাজপুর থেকে সাভার যাচ্ছিলেন। পথে বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার সাহেববাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী রাসেল ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং মোটরসাকেল চালক আক্তারুজ্জামান আহত হন। আক্তারুজ্জামান একই এলাকার আব্দুল হাকিম মিয়ার ছেলে ।
0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন