বাংলাদেশের তৈরি প্রথম কোনো ন্যানো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের নজির তৈরি হল
শুক্রবার। ‘ব্র্যাক অন্বেষা’ নামের স্যাটেলাইটটি বেসরকারি ব্র্যাক
বিশ্ববিদ্যালয়ের হলেও গোটা জাতির জন্য এটি গর্ব ও আনন্দের উপলক্ষই বটে। এর
মধ্য দিয়ে মহাকাশ গবেষণার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের
জন্য। আরও গৌরবের বিষয়, ব্র্যাক অন্বেষা নামক ন্যানো স্যাটেলাইটটি তৈরি
করেছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়েরই তিন শিক্ষার্থী- রায়হানা শামস অন্তরা,
আবদুল্লাহ হিল কাফি ও মাইসুন ইবনে মনোয়ার। এ তিন তরুণ বিজ্ঞানীসহ
স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমরা অভিনন্দন জানাই। এমন
একটা সময় তিন শিক্ষার্থী স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মতো বড় ধরনের সুসংবাদ শোনাল
দেশবাসীকে, যখন জঙ্গিবাদ, মাদক, চোরাচালান ও খুন-ধর্ষণে অনেক তরুণের জড়িত
হওয়ার খবরে জাতি হতাশ। আসলে সত্যিকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা
পেলে আমাদের তরুণরা সবকিছুকেই সম্ভব করে তুলতে পারে- ব্র্যাক অন্বেষার
উৎক্ষেপণ তারই নজির।যুগান্তরের খবরেই বলা হয়, ন্যানো স্যাটেলাইটটির অন্যতম কাজ হবে মহাকাষ গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ। এর পাঠানো ছবি ও তথ্য-উপাত্ত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকরা গবেষণা ও পাঠদানে ব্যবহার করবেন। অনেকটা নতুন ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ব্র্যাকের এ সফলতা প্রশংসারযোগ্য। একই সঙ্গে দুর্ভাগ্যজনক হল, আমাদের প্রতিষ্ঠিত ও মোটা অনুদানপ্রাপ্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ও জ্ঞান সৃষ্টির খাতার বেশির ভাগ পাতাই সাদা শুধু নয়, খরচ করতে না পেরে গবেষণার অর্থ ফেরত যাওয়ার নজিরও আছে। ব্র্যাক অন্বেষা প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্রে গতির সঞ্চার করবে- এটাই প্রত্যাশা।
খবর বিভাগঃ
ইন্টারনেট
ইন্টারনেট রঙ্গ
জাতীয়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সারাদেশ
0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন